০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

গজারিয়ায় আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসা অভিযান

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা ভাটেরচর নতুন রাস্তার এলাকায় অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন ভাটেরচর নতুন রাস্তা এলাকায় অবস্থিত ‘ফ্রেশ ভাটেরচর গেস্ট হাউস এন্ড রেস্টুরেন্টে’ এই অভিযান চালানো হয়।

আটককৃতরা হলেন, নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার তমা আক্তার (২৮), জামালপুরের সাথী আক্তার (২০), পটুয়াখালীর শামীমা আক্তার (২২), গজারিয়ার বর্ষা (১৮) ও সুমন মিয়া (২৫)।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, বাড়িটির মালিক স্থানীয় রাসেল মিয়া। তবে কিছু মাস আগে নারায়ণগঞ্জের দেলোয়র হোসেন নামে একজন বাড়িটি ভাড়া নিয়ে হোটেল ব্যবসা শুরু করেন। এই হোটেলে নিয়মিত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের প্রবেশ ও আসা-যাওয়া লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে রাতে সেখানে ছেলে-মেয়েদের অবাধ বিচরণ ছিল। স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও পুলিশ কয়েকজনের কাছে জানতে পারেন, এই হোটেলে দেহ ব্যবসা চলে।

রোববার দুপুরে কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে গেলে অনুপ্রবেশ করেন এবং হাতেনাতে তিন নারী যৌনকর্মী ও একজন যুবক-যুবতী যুগলকে ধরে ফেলেন। এ সময় হোটেলের পরিচালনাকারীরা ভবনের প্রধান গেট তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ এসে তালা ভেঙে তাদের উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ওই পাঁচজনকে থানায় নিয়ে আসে।

স্থানীয় বাসিন্দা কবির হোসেন বলেন, ‘দিনের বেলাতে আমরা এই হোটেলে খুব কমই দেখতে পেতাম। ভাবতাম কোনো অফিস বা অন্যান্য ব্যবসা হতে পারে। তবে পরে বুঝতে পারলাম, এখানে দেহব্যবসা ও অবৈধ কার্যকলাপ চলে। যারা এই অপকর্মে জড়িত, তাদের কঠোর বিচার চাই।’

অন্য এক বাসিন্দা, মাওলানা আল আমিন বলেন, ‘গজারিয়ায় এই অপকর্মের মূল ভিত্তি রোপনকারীদের বিরুদ্ধে আমরা আলেম-উলামা এককণ্ঠে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এই ধরনের অপকর্ম গজারিয়ার মাটিতে সহ্য করব না।’

অভিযুক্ত বাড়ির মালিক রাসেল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তার মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, ‘স্থানীয়দের তত্ত্বাবধানে আমরা ওই হোটেলটিতে অভিযান চালাই। সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকায় পাঁচজনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে তিনজন পেশাদার যৌনকর্মী এবং দুজন প্রেমিক-প্রেমিকা। দণ্ডবিধির ২৯০ ধারায় তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

গজারিয়ায় আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসা অভিযান

প্রকাশিতঃ ০১:২২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা ভাটেরচর নতুন রাস্তার এলাকায় অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেল থেকে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন ভাটেরচর নতুন রাস্তা এলাকায় অবস্থিত ‘ফ্রেশ ভাটেরচর গেস্ট হাউস এন্ড রেস্টুরেন্টে’ এই অভিযান চালানো হয়।

আটককৃতরা হলেন, নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার তমা আক্তার (২৮), জামালপুরের সাথী আক্তার (২০), পটুয়াখালীর শামীমা আক্তার (২২), গজারিয়ার বর্ষা (১৮) ও সুমন মিয়া (২৫)।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, বাড়িটির মালিক স্থানীয় রাসেল মিয়া। তবে কিছু মাস আগে নারায়ণগঞ্জের দেলোয়র হোসেন নামে একজন বাড়িটি ভাড়া নিয়ে হোটেল ব্যবসা শুরু করেন। এই হোটেলে নিয়মিত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের প্রবেশ ও আসা-যাওয়া লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে রাতে সেখানে ছেলে-মেয়েদের অবাধ বিচরণ ছিল। স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও পুলিশ কয়েকজনের কাছে জানতে পারেন, এই হোটেলে দেহ ব্যবসা চলে।

রোববার দুপুরে কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে গেলে অনুপ্রবেশ করেন এবং হাতেনাতে তিন নারী যৌনকর্মী ও একজন যুবক-যুবতী যুগলকে ধরে ফেলেন। এ সময় হোটেলের পরিচালনাকারীরা ভবনের প্রধান গেট তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ এসে তালা ভেঙে তাদের উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ওই পাঁচজনকে থানায় নিয়ে আসে।

স্থানীয় বাসিন্দা কবির হোসেন বলেন, ‘দিনের বেলাতে আমরা এই হোটেলে খুব কমই দেখতে পেতাম। ভাবতাম কোনো অফিস বা অন্যান্য ব্যবসা হতে পারে। তবে পরে বুঝতে পারলাম, এখানে দেহব্যবসা ও অবৈধ কার্যকলাপ চলে। যারা এই অপকর্মে জড়িত, তাদের কঠোর বিচার চাই।’

অন্য এক বাসিন্দা, মাওলানা আল আমিন বলেন, ‘গজারিয়ায় এই অপকর্মের মূল ভিত্তি রোপনকারীদের বিরুদ্ধে আমরা আলেম-উলামা এককণ্ঠে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এই ধরনের অপকর্ম গজারিয়ার মাটিতে সহ্য করব না।’

অভিযুক্ত বাড়ির মালিক রাসেল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তার মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, ‘স্থানীয়দের তত্ত্বাবধানে আমরা ওই হোটেলটিতে অভিযান চালাই। সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকায় পাঁচজনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে তিনজন পেশাদার যৌনকর্মী এবং দুজন প্রেমিক-প্রেমিকা। দণ্ডবিধির ২৯০ ধারায় তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’