০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নিরাপত্তার চাদরে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়ি ও আশপাশের এলাকা

দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাস জীবন কাটানোর পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসার খবরে পুরো গুলশানের পরিবেশ changed হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে গুলশান-২ এর গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাড়িতে পৌঁছানোর সময় তাঁর উপস্থিতির খবর পাওয়ার পরে পুরো এলাকা কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়ে। চারপাশে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং অস্থায়ী সুরক্ষা চৌকিগুলোর মাধ্যমে পুরো এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। এলাকাটির রাস্তাগুলো সাধারণ মানুষের চলাচল সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, বিএসএফ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর টহল জোরদার করা হয়েছে। পুরো এলাকা তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে এবং কেউ কোনও পরিচয় ছাড়াই প্রবেশ করতে পারছে না নিশ্চিত করা হয়েছে।

এছাড়াও, বিএনপির নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা হিসেবে পৃথক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। তারেক রহমানের জন্য নির্ধারিত বিশেষ কক্ষ সহ গুলশানের বিএনপি পার্টির কার্যালয়ে নানা নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুলশানের ৯০ নম্বর সড়কের ১০/সি নম্বর বাড়িতে নতুন চারতলা রাজনৈতিক কার্যালয় নির্মাণ করে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এখান থেকেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

নতুন কার্যালয়ের দোতলায় আধুনিক ব্রিফিং কক্ষ রয়েছে, যেখানে প্রতিদিনের সভা, গবেষণা ও পরিকল্পনা চলছে। অন্য তলাগুলিতে গঠিত হয়েছে বিভাগভিত্তিক দপ্তর ও গবেষণা কেন্দ্র, যেখানে নির্বাচন, নীতি ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে। পাশাপাশি, আশেপাশের গলিতে তারেক রহমানের ছবি সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন উড়ছে।

একই সময়ে, বৃহস্পতিবার সকালেই দেশের মাটিতে ফিরে আসেন তারেক রহমান। তিনি বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনা মঞ্চে বক্তব্য দেন। এরপর তিনি গুলশান ‘এভারকেয়ার’ হাসপাতালে যান, যেখানে তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন। পরে তিনি গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে পৌঁছেন, যা জিয়া পরিবারের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এই বাড়িটি দীর্ঘ দিন ধরে খালেদা জিয়ার দখলে থাকলেও এখন দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পাশেই রয়েছে ‘ফিরোজা’ নামে খালেদা জিয়ার আরেকটি বাসভবন, যা বর্তমানে তিনি হাসপাতালে থাকলেও ভবিষ্যতে দেশের জন্য এক ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রস্তুত হয়েছে।

তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। দলের একজন নেতা বলেছেন, এটি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতার দেশের ফেরার ঘটনা নয়, বরং বিএনপির জন্য নতুন একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নিরাপত্তার চাদরে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়ি ও আশপাশের এলাকা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাস জীবন কাটানোর পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসার খবরে পুরো গুলশানের পরিবেশ changed হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে গুলশান-২ এর গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাড়িতে পৌঁছানোর সময় তাঁর উপস্থিতির খবর পাওয়ার পরে পুরো এলাকা কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়ে। চারপাশে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং অস্থায়ী সুরক্ষা চৌকিগুলোর মাধ্যমে পুরো এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। এলাকাটির রাস্তাগুলো সাধারণ মানুষের চলাচল সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, বিএসএফ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর টহল জোরদার করা হয়েছে। পুরো এলাকা তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে এবং কেউ কোনও পরিচয় ছাড়াই প্রবেশ করতে পারছে না নিশ্চিত করা হয়েছে।

এছাড়াও, বিএনপির নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা হিসেবে পৃথক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। তারেক রহমানের জন্য নির্ধারিত বিশেষ কক্ষ সহ গুলশানের বিএনপি পার্টির কার্যালয়ে নানা নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুলশানের ৯০ নম্বর সড়কের ১০/সি নম্বর বাড়িতে নতুন চারতলা রাজনৈতিক কার্যালয় নির্মাণ করে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এখান থেকেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

নতুন কার্যালয়ের দোতলায় আধুনিক ব্রিফিং কক্ষ রয়েছে, যেখানে প্রতিদিনের সভা, গবেষণা ও পরিকল্পনা চলছে। অন্য তলাগুলিতে গঠিত হয়েছে বিভাগভিত্তিক দপ্তর ও গবেষণা কেন্দ্র, যেখানে নির্বাচন, নীতি ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে। পাশাপাশি, আশেপাশের গলিতে তারেক রহমানের ছবি সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন উড়ছে।

একই সময়ে, বৃহস্পতিবার সকালেই দেশের মাটিতে ফিরে আসেন তারেক রহমান। তিনি বিমানবন্দর থেকে সংবর্ধনা মঞ্চে বক্তব্য দেন। এরপর তিনি গুলশান ‘এভারকেয়ার’ হাসপাতালে যান, যেখানে তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন। পরে তিনি গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে পৌঁছেন, যা জিয়া পরিবারের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এই বাড়িটি দীর্ঘ দিন ধরে খালেদা জিয়ার দখলে থাকলেও এখন দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পাশেই রয়েছে ‘ফিরোজা’ নামে খালেদা জিয়ার আরেকটি বাসভবন, যা বর্তমানে তিনি হাসপাতালে থাকলেও ভবিষ্যতে দেশের জন্য এক ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রস্তুত হয়েছে।

তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। দলের একজন নেতা বলেছেন, এটি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতার দেশের ফেরার ঘটনা নয়, বরং বিএনপির জন্য নতুন একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা।