১০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় পৌঁছেছেন স্মারণ ও বিশ্লেষণে দাবি: নির্বাচন পরিকল্পনায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন মатарবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকা- ৯ ঘণ্টা চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে দ্বিগুণেরও বেশি বাজেটে সংশোধিত এডিপি অনুমোদন সংস্কারের নামে পুরোনো আমলাতান্ত্রিক প্রভাবের পুনর্বাসন: টিআইবির অভিযোগ

শাহরুখের ‘রইস’কে পেছনে ফেলে পাকিস্তানে শীর্ষ পাইরেটেড ছবি ‘ধুরন্ধর’

পাকিস্তানে বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে দেশটিতে ভারতীয় সিনেমা প্রদর্শন নিষিদ্ধ থাকলেও, নতুন স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। এই সিনেমাটি রণবীর সিংয়ের অভিনয় দিয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে, তবে সিনেমার মূল প্রবাহে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি না পেলেও সীমান্ত পেরিয়ে সাধারণ দর্শকদের মধ্যে তার আগ্রহ তুঙ্গে। মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে এই ছবি পাইরেটেড ডাউনলোডের মাধ্যমে ২০ লাখের বেশি বার শেয়ার হয়েছে, যা এক বিশাল রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এর ফলে পাকিস্তানে সবচেয়ে বেশি পাইরেটেড হওয়া সিনেমার তালিকায় ‘রইস’ ছবির রেকর্ডকে পেছনে ফেলে এখন ‘ধুরন্ধর’ শীর্ষে অবস্থান করছে। টরেন্ট, টেলিগ্রাম এবং ভিপিএন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আইনি বাধা ও কঠোর নজরদারি এড়িয়ে সাধারণ মানুষ গোপনে এই ছবি দেখছেন।

সিনেমার গল্পে উঠে এসেছে লিয়ারি গ্যাং সংঘর্ষ, ২৬/১১ মুম্বাই হামলা, এবং ১৯৯৯ সালের কন্দাহার বিমান ছিনতাইয়ের মতো স্পর্শকাতর ও ঐতিহাসিক ঘটনা। বিশেষ করে পাকিস্তানের করাচিতে লিয়ারি গ্যাংয়ের চিত্রায়ন নিয়ে দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বার্তার কারণে অনেক পাকিস্তানি দর্শক এই ছবির সমালোচনা করলেও, অন্যরা রণবীর সিং, অক্ষয় খান্না এবং সঞ্জয় দত্তের অভিনয় প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অনলাইনে-low মানের প্রিন্টে ছড়িয়ে পড়া এই ছবির ব্যাপক দর্শক আগ্রহে বলিউডের আলোচনাও তুঙ্গে উঠেছে।

এই বিশাল সফলতার পর, প্রযোজকরা ইতিবাচক সাড়া পেয়ে ‘ধুরন্ধর ২’ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। এই সিক্যুয়েলটি বর্তমানে ২০২৬ সালের ঈদুল আজহাকে লক্ষ করে তৈরি হচ্ছে এবং নির্মাতারা আশাবাদী, প্রথম কিস্তির মতোই এটি রোমাঞ্চকর হবে। পাকিস্তানের দর্শকদের এই সহযোগিতা প্রমাণ করে যে, শিল্পের ক্ষেত্রে সাধারণত সীমানা বা আইনি বাধা সবসময় সফল হয় না এবং মানসম্পন্ন কন্টেন্টের প্রতি মানুষের আকর্ষণ অটুট থাকে। এখন দেখার বিষয়, এই সিরিজ প্রতिक्षার কতটা পূরণ করতে পারে আগামী দিনগুলোতে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

শাহরুখের ‘রইস’কে পেছনে ফেলে পাকিস্তানে শীর্ষ পাইরেটেড ছবি ‘ধুরন্ধর’

প্রকাশিতঃ ১১:৫৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানে বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে দেশটিতে ভারতীয় সিনেমা প্রদর্শন নিষিদ্ধ থাকলেও, নতুন স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। এই সিনেমাটি রণবীর সিংয়ের অভিনয় দিয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে, তবে সিনেমার মূল প্রবাহে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি না পেলেও সীমান্ত পেরিয়ে সাধারণ দর্শকদের মধ্যে তার আগ্রহ তুঙ্গে। মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে এই ছবি পাইরেটেড ডাউনলোডের মাধ্যমে ২০ লাখের বেশি বার শেয়ার হয়েছে, যা এক বিশাল রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এর ফলে পাকিস্তানে সবচেয়ে বেশি পাইরেটেড হওয়া সিনেমার তালিকায় ‘রইস’ ছবির রেকর্ডকে পেছনে ফেলে এখন ‘ধুরন্ধর’ শীর্ষে অবস্থান করছে। টরেন্ট, টেলিগ্রাম এবং ভিপিএন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আইনি বাধা ও কঠোর নজরদারি এড়িয়ে সাধারণ মানুষ গোপনে এই ছবি দেখছেন।

সিনেমার গল্পে উঠে এসেছে লিয়ারি গ্যাং সংঘর্ষ, ২৬/১১ মুম্বাই হামলা, এবং ১৯৯৯ সালের কন্দাহার বিমান ছিনতাইয়ের মতো স্পর্শকাতর ও ঐতিহাসিক ঘটনা। বিশেষ করে পাকিস্তানের করাচিতে লিয়ারি গ্যাংয়ের চিত্রায়ন নিয়ে দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বার্তার কারণে অনেক পাকিস্তানি দর্শক এই ছবির সমালোচনা করলেও, অন্যরা রণবীর সিং, অক্ষয় খান্না এবং সঞ্জয় দত্তের অভিনয় প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অনলাইনে-low মানের প্রিন্টে ছড়িয়ে পড়া এই ছবির ব্যাপক দর্শক আগ্রহে বলিউডের আলোচনাও তুঙ্গে উঠেছে।

এই বিশাল সফলতার পর, প্রযোজকরা ইতিবাচক সাড়া পেয়ে ‘ধুরন্ধর ২’ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। এই সিক্যুয়েলটি বর্তমানে ২০২৬ সালের ঈদুল আজহাকে লক্ষ করে তৈরি হচ্ছে এবং নির্মাতারা আশাবাদী, প্রথম কিস্তির মতোই এটি রোমাঞ্চকর হবে। পাকিস্তানের দর্শকদের এই সহযোগিতা প্রমাণ করে যে, শিল্পের ক্ষেত্রে সাধারণত সীমানা বা আইনি বাধা সবসময় সফল হয় না এবং মানসম্পন্ন কন্টেন্টের প্রতি মানুষের আকর্ষণ অটুট থাকে। এখন দেখার বিষয়, এই সিরিজ প্রতिक्षার কতটা পূরণ করতে পারে আগামী দিনগুলোতে।