০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জামালপুরে শিক্ষার্থী হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ

জামালপুরে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জিহাদের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসী আন্দোলন চালিয়ে যায়, যেখানে তারা মূলত হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে জামালপুর সদর উপজেলার গহেরপাড়া এলাকায়, যেখানে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা। এই সড়ক অবরোধের সময় নিহত জিহাদের মা তাহমিনা আক্তার শোভা, তার বড় ভাই অনন্ত এবং চাচাতো ভাই সাকিসহ অন্যান্য স্বজনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন ও বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পূর্ব পরিকল্পনামাফিক গহেরপাড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মুন্না, আবুল কাশেম, সাঈদসহ কয়েকজন যুবক জিহাদকে মারধর করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি মামলা দায়ের করা হলেও এখনো কোনও আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তারা দ্রুত সকল আসামির বিচারের দাবি জানান। অবরোধের কারণে আশপাশের সড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান, যিনি জানান, মামলার মূল আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়েছে এবং অন্যান্য আসামিদের ধরিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এক ঘণ্টার মধ্যে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার হয়ে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়। উল্লেখ্য, ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গহেরপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ফিরোজ মিয়ার ছেলে জিহাদকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে। এই ঘটনায় জিহাদের বাবা ফিরোজ মিয়া তিনজনের নাম উল্লেখ করে আরো চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলাটি করেন। এই হত্যাকাণ্ডের শিকার জিহাদ স্থানীয় স্কুলের ছাত্র ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের সুবিচার দাবিতে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা স্বদেশের দাবি জানাচ্ছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রত্যাশা করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জামালপুরে শিক্ষার্থী হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

জামালপুরে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জিহাদের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসী আন্দোলন চালিয়ে যায়, যেখানে তারা মূলত হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে জামালপুর সদর উপজেলার গহেরপাড়া এলাকায়, যেখানে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা। এই সড়ক অবরোধের সময় নিহত জিহাদের মা তাহমিনা আক্তার শোভা, তার বড় ভাই অনন্ত এবং চাচাতো ভাই সাকিসহ অন্যান্য স্বজনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন ও বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পূর্ব পরিকল্পনামাফিক গহেরপাড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মুন্না, আবুল কাশেম, সাঈদসহ কয়েকজন যুবক জিহাদকে মারধর করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি মামলা দায়ের করা হলেও এখনো কোনও আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তারা দ্রুত সকল আসামির বিচারের দাবি জানান। অবরোধের কারণে আশপাশের সড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান, যিনি জানান, মামলার মূল আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়েছে এবং অন্যান্য আসামিদের ধরিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এক ঘণ্টার মধ্যে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার হয়ে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়। উল্লেখ্য, ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গহেরপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ফিরোজ মিয়ার ছেলে জিহাদকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে। এই ঘটনায় জিহাদের বাবা ফিরোজ মিয়া তিনজনের নাম উল্লেখ করে আরো চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলাটি করেন। এই হত্যাকাণ্ডের শিকার জিহাদ স্থানীয় স্কুলের ছাত্র ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের সুবিচার দাবিতে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা স্বদেশের দাবি জানাচ্ছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রত্যাশা করছেন।