০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় পৌঁছেছেন স্মারণ ও বিশ্লেষণে দাবি: নির্বাচন পরিকল্পনায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন মатарবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকা- ৯ ঘণ্টা চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে দ্বিগুণেরও বেশি বাজেটে সংশোধিত এডিপি অনুমোদন সংস্কারের নামে পুরোনো আমলাতান্ত্রিক প্রভাবের পুনর্বাসন: টিআইবির অভিযোগ

জামালপুরে শিক্ষার্থী হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ

জামালপুরে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জিহাদের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসী আন্দোলন চালিয়ে যায়, যেখানে তারা মূলত হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে জামালপুর সদর উপজেলার গহেরপাড়া এলাকায়, যেখানে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা। এই সড়ক অবরোধের সময় নিহত জিহাদের মা তাহমিনা আক্তার শোভা, তার বড় ভাই অনন্ত এবং চাচাতো ভাই সাকিসহ অন্যান্য স্বজনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন ও বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পূর্ব পরিকল্পনামাফিক গহেরপাড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মুন্না, আবুল কাশেম, সাঈদসহ কয়েকজন যুবক জিহাদকে মারধর করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি মামলা দায়ের করা হলেও এখনো কোনও আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তারা দ্রুত সকল আসামির বিচারের দাবি জানান। অবরোধের কারণে আশপাশের সড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান, যিনি জানান, মামলার মূল আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়েছে এবং অন্যান্য আসামিদের ধরিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এক ঘণ্টার মধ্যে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার হয়ে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়। উল্লেখ্য, ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গহেরপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ফিরোজ মিয়ার ছেলে জিহাদকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে। এই ঘটনায় জিহাদের বাবা ফিরোজ মিয়া তিনজনের নাম উল্লেখ করে আরো চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলাটি করেন। এই হত্যাকাণ্ডের শিকার জিহাদ স্থানীয় স্কুলের ছাত্র ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের সুবিচার দাবিতে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা স্বদেশের দাবি জানাচ্ছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রত্যাশা করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

জামালপুরে শিক্ষার্থী হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

জামালপুরে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জিহাদের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসী আন্দোলন চালিয়ে যায়, যেখানে তারা মূলত হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে জামালপুর সদর উপজেলার গহেরপাড়া এলাকায়, যেখানে জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা। এই সড়ক অবরোধের সময় নিহত জিহাদের মা তাহমিনা আক্তার শোভা, তার বড় ভাই অনন্ত এবং চাচাতো ভাই সাকিসহ অন্যান্য স্বজনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন ও বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় পূর্ব পরিকল্পনামাফিক গহেরপাড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মুন্না, আবুল কাশেম, সাঈদসহ কয়েকজন যুবক জিহাদকে মারধর করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি মামলা দায়ের করা হলেও এখনো কোনও আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তারা দ্রুত সকল আসামির বিচারের দাবি জানান। অবরোধের কারণে আশপাশের সড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান, যিনি জানান, মামলার মূল আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়েছে এবং অন্যান্য আসামিদের ধরিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এক ঘণ্টার মধ্যে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার হয়ে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়। উল্লেখ্য, ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গহেরপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ফিরোজ মিয়ার ছেলে জিহাদকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে। এই ঘটনায় জিহাদের বাবা ফিরোজ মিয়া তিনজনের নাম উল্লেখ করে আরো চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলাটি করেন। এই হত্যাকাণ্ডের শিকার জিহাদ স্থানীয় স্কুলের ছাত্র ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের সুবিচার দাবিতে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা স্বদেশের দাবি জানাচ্ছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রত্যাশা করছেন।