০৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নির্যাতন, শোষণ, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকারে খালেদা জিয়ার দৃঢ়তা

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে কারাবন্দি বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের স্বেচ্ছায় শহীদ ও জাতীয় বীরের মর্যাদা পেয়েছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল এ দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং জনগণের অধিকারের জন্য যারা জেল-জুলুম, নির্যাতন এবং হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাঁরা ইতিহাসের সাহসী সৈনিক হিসেবে চিহ্নিত হবেন। শনিবার ঝিনাইগাতীর শেরপুর উপজেলার গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বিএনপি উপজেলা শাখার মিলনমেলা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ অনুষ্ঠানে ঝিনাইগাতীর আওয়ামী লীগের শাসনামলে গায়েবি মামলা, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও দমনমূলক কার্যক্রমের কারণে কারাগারে duro থেকে থাকা বিএনপির আট শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।

মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নির্যাতিত, সংগ্রামী ও সাহসী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করলে জাতি অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে। তিনি বলছেন, স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গিয়ে তিনি নিজের জীবনে অসংখ্য ত্যাগ এবং কষ্ট সহ্য করেছেন, কিন্তু কখনোই মাথা নত করেননি। নির্যাতন, শোষণ, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে তিনি অবিচল ও দৃঢ় ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, তার সংগ্রাম ও ত্যাগ চিরকালই ইতিহাসে আলোচিত দৃষ্টান্ত হিসেবে রয়ে যাবে। যারা আন্দোলন-সংগ্রাম যুদ্ধে হামলা-মামলা এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তারা ভবিষ্যতেও সাহসী বীর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

প্রধান অতিথি বলেন, এই মিলনমেলা ও মিলাদ মাহফিল শুধু এক ধরনের শোক প্রকাশ, এটি কোন আনন্দের অনুষ্ঠান নয়। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দলীয় ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে একসাথে কাজ করতে হবে যেন ধানের শীষের প্রতীক জয় লাভ করে।

দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন হয়, যেখানে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহজাহান আকন্দ। সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম মোস্তফা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইগাতী উপজেলার অন্তত আট শতাধিক কারাগারে নির্যাতিত নেতাকর্মী। শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে মনজাউত পরিচালনা করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক আবুল হোসেন সরকার।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নির্যাতন, শোষণ, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকারে খালেদা জিয়ার দৃঢ়তা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে কারাবন্দি বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের স্বেচ্ছায় শহীদ ও জাতীয় বীরের মর্যাদা পেয়েছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল এ দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং জনগণের অধিকারের জন্য যারা জেল-জুলুম, নির্যাতন এবং হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাঁরা ইতিহাসের সাহসী সৈনিক হিসেবে চিহ্নিত হবেন। শনিবার ঝিনাইগাতীর শেরপুর উপজেলার গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বিএনপি উপজেলা শাখার মিলনমেলা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ অনুষ্ঠানে ঝিনাইগাতীর আওয়ামী লীগের শাসনামলে গায়েবি মামলা, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও দমনমূলক কার্যক্রমের কারণে কারাগারে duro থেকে থাকা বিএনপির আট শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।

মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নির্যাতিত, সংগ্রামী ও সাহসী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করলে জাতি অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে। তিনি বলছেন, স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গিয়ে তিনি নিজের জীবনে অসংখ্য ত্যাগ এবং কষ্ট সহ্য করেছেন, কিন্তু কখনোই মাথা নত করেননি। নির্যাতন, শোষণ, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে তিনি অবিচল ও দৃঢ় ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, তার সংগ্রাম ও ত্যাগ চিরকালই ইতিহাসে আলোচিত দৃষ্টান্ত হিসেবে রয়ে যাবে। যারা আন্দোলন-সংগ্রাম যুদ্ধে হামলা-মামলা এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তারা ভবিষ্যতেও সাহসী বীর হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

প্রধান অতিথি বলেন, এই মিলনমেলা ও মিলাদ মাহফিল শুধু এক ধরনের শোক প্রকাশ, এটি কোন আনন্দের অনুষ্ঠান নয়। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দলীয় ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে একসাথে কাজ করতে হবে যেন ধানের শীষের প্রতীক জয় লাভ করে।

দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন হয়, যেখানে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহজাহান আকন্দ। সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম মোস্তফা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইগাতী উপজেলার অন্তত আট শতাধিক কারাগারে নির্যাতিত নেতাকর্মী। শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে মনজাউত পরিচালনা করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক আবুল হোসেন সরকার।