০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিবাহবার্ষিকীতে স্বামীর উপহার নয়, ডিভোর্স নোটিস

বলিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি দীর্ঘ দিন ধরে রূপালি পর্দার বাইরে থাকলেও বর্তমানে তিনি আলোচনায় আছেন একটি ব্যক্তিগত বিষয়ের কারণে। এটি কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়, বরং বাস্তব জীবনের এক কষ্টদায়ক অধ্যায়। তিনি স্বীকার করেছেন যে, স্বামীর অবহেলা ও নির্মম আচরণের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে তাঁর ১৫তম বিবাহবার্ষিকীতে, যখন প্রত্যাশা ছিল সুখের মুহূর্ত উদযাপনের, তখন পিটার হাগ নামে স্বামী তাকে উপহার দেওয়ার পরিবর্তে বিখ্যাত ডিভোর্স নোটিশ হাতে তুলে দেন বলেও অভিযোগ করেছেন সেলিনা। এই ঘটনায় তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে নিজ আত্মদর্শণের কথা জানিয়েছেন, যা ইতিমধ্যে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

সেলিনা জানাচ্ছেন, ঘটনাটি ঘটেছে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে, যখন তাদের বিবাহবার্ষিকী ছিল। ওই দিন স্বামী তাকে জানান যে, তার জন্য একটি বিশেষ উপহার আসছে এবং সেটি সংগ্রহ করতে তারা কাছের পোস্ট অফিসে যেতে হবে। প্রেম ও ভালবাসায় ভরপুর মনে করে তিনি গাড়িতে চড়ে সেখানে যান। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় যখন পোস্ট অফিসে পৌঁছেছেন, তখন তার হাতে তুলে দেওয়া হয় বিবাহবিচ্ছেদের আইনি কাগজপত্র, যা তিনি কখনোই প্রত্যাশা করেননি। এই মুহূর্তটি ছিল আনন্দের পরিবর্তে এক দুঃস্বপ্নের মতো।

এছাড়াও, বাংলাদেশী এই অভিনেত্রী অস্ট্রিয়ায় তার শেষ দিনগুলোর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথাও শেয়ার করেছেন। তার ভাষায়, পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক হয়ে উঠেছিল যে, তিনি ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর রাত ১টার দিকে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। স্থানীয় মানুষের সহায়তায় অস্ট্রিয়া থেকে পালান তিনি, কিন্তু তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তখন খুব কম অর্থ ছিল। অর্থাৎ, তিনি নিঃস্ব হয়ে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন।

এই অভিনেত্রী আরও জানাচ্ছেন, তার স্বামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, বিবাহের অনেক আগেই ২০০৪ সালে কেনা তার ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপরও এখন পিটার হাগ দাবী করছেন। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তাকে তার তিন সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। সেলিনা অভিযোগ করেছেন, তার সন্তানদের মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে এবং ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে যাতে তারা মায়ের কাছ থেকে দূরে থাকে। তবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, স্বামীর বিরুদ্ধে নিজের ও সন্তানদের অধিকার আদায় করতে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিবাহবার্ষিকীতে স্বামীর উপহার নয়, ডিভোর্স নোটিস

প্রকাশিতঃ ১১:৫৫:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

বলিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি দীর্ঘ দিন ধরে রূপালি পর্দার বাইরে থাকলেও বর্তমানে তিনি আলোচনায় আছেন একটি ব্যক্তিগত বিষয়ের কারণে। এটি কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়, বরং বাস্তব জীবনের এক কষ্টদায়ক অধ্যায়। তিনি স্বীকার করেছেন যে, স্বামীর অবহেলা ও নির্মম আচরণের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে তাঁর ১৫তম বিবাহবার্ষিকীতে, যখন প্রত্যাশা ছিল সুখের মুহূর্ত উদযাপনের, তখন পিটার হাগ নামে স্বামী তাকে উপহার দেওয়ার পরিবর্তে বিখ্যাত ডিভোর্স নোটিশ হাতে তুলে দেন বলেও অভিযোগ করেছেন সেলিনা। এই ঘটনায় তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে নিজ আত্মদর্শণের কথা জানিয়েছেন, যা ইতিমধ্যে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

সেলিনা জানাচ্ছেন, ঘটনাটি ঘটেছে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে, যখন তাদের বিবাহবার্ষিকী ছিল। ওই দিন স্বামী তাকে জানান যে, তার জন্য একটি বিশেষ উপহার আসছে এবং সেটি সংগ্রহ করতে তারা কাছের পোস্ট অফিসে যেতে হবে। প্রেম ও ভালবাসায় ভরপুর মনে করে তিনি গাড়িতে চড়ে সেখানে যান। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় যখন পোস্ট অফিসে পৌঁছেছেন, তখন তার হাতে তুলে দেওয়া হয় বিবাহবিচ্ছেদের আইনি কাগজপত্র, যা তিনি কখনোই প্রত্যাশা করেননি। এই মুহূর্তটি ছিল আনন্দের পরিবর্তে এক দুঃস্বপ্নের মতো।

এছাড়াও, বাংলাদেশী এই অভিনেত্রী অস্ট্রিয়ায় তার শেষ দিনগুলোর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথাও শেয়ার করেছেন। তার ভাষায়, পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক হয়ে উঠেছিল যে, তিনি ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর রাত ১টার দিকে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। স্থানীয় মানুষের সহায়তায় অস্ট্রিয়া থেকে পালান তিনি, কিন্তু তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তখন খুব কম অর্থ ছিল। অর্থাৎ, তিনি নিঃস্ব হয়ে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন।

এই অভিনেত্রী আরও জানাচ্ছেন, তার স্বামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, বিবাহের অনেক আগেই ২০০৪ সালে কেনা তার ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপরও এখন পিটার হাগ দাবী করছেন। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তাকে তার তিন সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। সেলিনা অভিযোগ করেছেন, তার সন্তানদের মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে এবং ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে যাতে তারা মায়ের কাছ থেকে দূরে থাকে। তবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, স্বামীর বিরুদ্ধে নিজের ও সন্তানদের অধিকার আদায় করতে।