০৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

মির্জা আব্বাসের দৃঢ় প্রত্যয়: প্রতারক ও কসাইদের হাতে দেশ নয়

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অব্যাহত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত এই সভায় তিনি এনসিপি ও জামায়াতে উপলব্ধ নেতাকর্মীদের প্রতি ইঙ্গিত করে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চলছে, তা তিনি আর মানবেন না। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছি কিন্তু এখন আর পারছি না। অপপ্রচারের কারণে আমি ধৈর্য্য হারাচ্ছি। আমি আর সহ্য করতে পারছি না।’

আলোচনা সভায় নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ও পারিবারিক অবস্থান নিয়ে নিজের দৃঢ়তা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আমি আমার মনের কথাকে প্রকাশ করতে চাই। আজই বলতে চাই, যা কিছু বলার সেটা আজ বলবো। তোমরা যা খুশি বলো, আমি কিছু বলবো না। আমার বাড়ির ঠিকানা আছে, আমি কোনো ঠিকানা বিহীন ব্যক্তি নয়। যারা ঠিকানা জানে না, তারা আমাকে ভুল বোঝে। আমার বাড়ি ঢাকা ও শাহজাহানপুরে; এই বিষয়টি সবাই মনে রাখুক।’

তিনি আরেকটি বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এনসিপি নেতারাও স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন, তবে তাদের ত্যাগের ইতিহাস বর্তমান মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের সঙ্গে তুলনা হয় না। তিনি বলেন, ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধা, যারা স্ব স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তোমরা কি স্বাধীনতা এনেছ? তুমি কি দেশের জন্য জীবন দিয়েছ? ক্ষমতা লোভে আমরা অনেক কিছু করেছি, তবে আমরা স্বাধীনতা অর্জনের জন্য জীবন দিয়েছি।’

নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা কলেজে পড়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, লোভ-লালসায় নয়। তোমরা তো লোভ করছো। বয়স কম, রাজনৈতিক দীক্ষা নাও। ধীরে ধীরে শেখো। দেশের জন্য কিছু করো, আমাদের প্রত্যাশা।’ তিনি আরো জানান, রাজনীতিতে ধৈর্য্য ও সততা বজায় রেখে কাজ করতে হবে, কারণ দেশের স্বার্থে তিনি সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়তে প্রস্তুত।

সবশেষে, তিনি শক্তভাবে ঘোষণা করেন, ‘আমি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে জীবন দিয়ে যাব। কোনো প্রতারক, ধান্দাবাজ বা কসাইয়ের হাতে দেশ পড়তে দিভো না। আমি একনিষ্ঠভাবে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করব, যতদিন না শেষ হবে।’ তিনি দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর শঙ্কার মধ্যে এই স্পষ্ট আর কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মির্জা আব্বাসের দৃঢ় প্রত্যয়: প্রতারক ও কসাইদের হাতে দেশ নয়

প্রকাশিতঃ ০৬:৩১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অব্যাহত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত এই সভায় তিনি এনসিপি ও জামায়াতে উপলব্ধ নেতাকর্মীদের প্রতি ইঙ্গিত করে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চলছে, তা তিনি আর মানবেন না। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছি কিন্তু এখন আর পারছি না। অপপ্রচারের কারণে আমি ধৈর্য্য হারাচ্ছি। আমি আর সহ্য করতে পারছি না।’

আলোচনা সভায় নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ও পারিবারিক অবস্থান নিয়ে নিজের দৃঢ়তা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আমি আমার মনের কথাকে প্রকাশ করতে চাই। আজই বলতে চাই, যা কিছু বলার সেটা আজ বলবো। তোমরা যা খুশি বলো, আমি কিছু বলবো না। আমার বাড়ির ঠিকানা আছে, আমি কোনো ঠিকানা বিহীন ব্যক্তি নয়। যারা ঠিকানা জানে না, তারা আমাকে ভুল বোঝে। আমার বাড়ি ঢাকা ও শাহজাহানপুরে; এই বিষয়টি সবাই মনে রাখুক।’

তিনি আরেকটি বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এনসিপি নেতারাও স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন, তবে তাদের ত্যাগের ইতিহাস বর্তমান মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের সঙ্গে তুলনা হয় না। তিনি বলেন, ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধা, যারা স্ব স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তোমরা কি স্বাধীনতা এনেছ? তুমি কি দেশের জন্য জীবন দিয়েছ? ক্ষমতা লোভে আমরা অনেক কিছু করেছি, তবে আমরা স্বাধীনতা অর্জনের জন্য জীবন দিয়েছি।’

নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা কলেজে পড়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, লোভ-লালসায় নয়। তোমরা তো লোভ করছো। বয়স কম, রাজনৈতিক দীক্ষা নাও। ধীরে ধীরে শেখো। দেশের জন্য কিছু করো, আমাদের প্রত্যাশা।’ তিনি আরো জানান, রাজনীতিতে ধৈর্য্য ও সততা বজায় রেখে কাজ করতে হবে, কারণ দেশের স্বার্থে তিনি সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়তে প্রস্তুত।

সবশেষে, তিনি শক্তভাবে ঘোষণা করেন, ‘আমি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে জীবন দিয়ে যাব। কোনো প্রতারক, ধান্দাবাজ বা কসাইয়ের হাতে দেশ পড়তে দিভো না। আমি একনিষ্ঠভাবে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করব, যতদিন না শেষ হবে।’ তিনি দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর শঙ্কার মধ্যে এই স্পষ্ট আর কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।