০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আইনি জটিলতায় আটকে গেল বিজয়ের বিদায়ী সিনেমা ‘জন নায়াগান’ এর মুক্তি

তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের শেষ অভিনীত ও বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জন নায়াগান’ এর মুক্তি নিয়ে আইনি জটিলতা আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে। গত সোমবার মাদ্রাজ হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ ছবিটির সেন্সর সার্টিফিকেট সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে বিষয়টি আবার একক বিচারকের বেঞ্চে পাঠিয়েছে। এর ফলে প্রযোজনা সংস্থা কেভিএন প্রোডাকশনের জন্য আপতৎকালীন কোনো আইনি স্বস্তি আসছে না, এবং এর ফলে ছবি মুক্তির অনিশ্চয়তা অনেকটাই বেড়ে গেছে।

মূলত, কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড (সিবিএফসি) ও ‘জন নায়াগান’ এর প্রযোজকদের মধ্যে চলমান দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের কারণেই ছবিটির মুক্তি ভঙ্গ হয়ে আছে। গত 9 জানুয়ারি, যা আগে বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির ঘোষণা থাকলেও, সার্টিফিকেশনের জন্য দেরি হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। আদালতের বিচারকরা বলছেন, একটি অভিযোগের কারণে সিবিএফসির পরীক্ষণ কমিটির এক সদস্যের সাক্ষ্যপ্রমাণের সময় এবং পর্যবেক্ষণে কিছু অসুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, একজন ইস্যুতে, যেখানে সিবিএফসির অনুমোদনের জন্য আগের একক বিচারকের দেওয়া আদেশে অভিযোগের বিষয়গুলো সম্যকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। এছাড়া, সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রসূন জোশীর দেওয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি না থাকায় মামলাটি আবার একক বিচারকের বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠানো হয়।

মামলার বিস্তারিত অনুসারে, গত ডিসেম্বরে সিবিএফসি জানিয়েছিল, ছবির ১৪টি দৃশ্য কাটছাঁট করে ‘ইউএ ১৬+’ সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। নির্মাতারা এই শর্ত মানলেও, সেন্সর বোর্ড তারপরই চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিতে দেরি করে। পরবর্তীতে, দাবি করা হয় যে, কিছু দৃশ্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে—এই কারণ দেখিয়ে সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলস্বরূপ, প্রযোজকেরা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ করলে, কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। শেষ পর্যন্ত, শীর্ষ আদালত বিষয়টি পুনরায় হাইকোর্টের ওপর নির্ভরশীল করে দেয়, যা ২২ দিন ধরে আইনি জটিলতায় অচল ছিল। চলতি পরিস্থিতিতে, ‘জন নায়াগান’ এর মুক্তি এখন অবধারিতভাবে ঝুলে গেছে।

‘জন নায়াগান’ সিনেমাটি বিশেষ করে বিজয়ের ভক্তদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাকে তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অবসান হিসেবে চিহ্নিত। সিনেমা নির্মিত হয়েছে, মূলত, তেলেগু সুপারহিট ছবি ‘ভগবন্ত কেশরী’র রিমেক হিসেবে, যেখানে তার সাথে তারকা হিসেবে অভিনয় করেছেন মমিতা বাইজু, ববি দেওল ও পূজা হেগড়ে। এই ছবির মাধ্যমে বিজয় তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করবেন—তিনি ‘তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম’ দলের হয়ে আগামী তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে, আইনি জটিলতায় এই সিনেমার মুক্তি এখন সময়ের ব্যাপার, আর ভক্তরা ব্যাকুল হয়ে অপেক্ষা করছেন তার শেষ পর্দার উপস্থিতি দেখার জন্য।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আইনি জটিলতায় আটকে গেল বিজয়ের বিদায়ী সিনেমা ‘জন নায়াগান’ এর মুক্তি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের শেষ অভিনীত ও বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জন নায়াগান’ এর মুক্তি নিয়ে আইনি জটিলতা আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে। গত সোমবার মাদ্রাজ হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ ছবিটির সেন্সর সার্টিফিকেট সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে বিষয়টি আবার একক বিচারকের বেঞ্চে পাঠিয়েছে। এর ফলে প্রযোজনা সংস্থা কেভিএন প্রোডাকশনের জন্য আপতৎকালীন কোনো আইনি স্বস্তি আসছে না, এবং এর ফলে ছবি মুক্তির অনিশ্চয়তা অনেকটাই বেড়ে গেছে।

মূলত, কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড (সিবিএফসি) ও ‘জন নায়াগান’ এর প্রযোজকদের মধ্যে চলমান দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের কারণেই ছবিটির মুক্তি ভঙ্গ হয়ে আছে। গত 9 জানুয়ারি, যা আগে বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির ঘোষণা থাকলেও, সার্টিফিকেশনের জন্য দেরি হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। আদালতের বিচারকরা বলছেন, একটি অভিযোগের কারণে সিবিএফসির পরীক্ষণ কমিটির এক সদস্যের সাক্ষ্যপ্রমাণের সময় এবং পর্যবেক্ষণে কিছু অসুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, একজন ইস্যুতে, যেখানে সিবিএফসির অনুমোদনের জন্য আগের একক বিচারকের দেওয়া আদেশে অভিযোগের বিষয়গুলো সম্যকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। এছাড়া, সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রসূন জোশীর দেওয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি না থাকায় মামলাটি আবার একক বিচারকের বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠানো হয়।

মামলার বিস্তারিত অনুসারে, গত ডিসেম্বরে সিবিএফসি জানিয়েছিল, ছবির ১৪টি দৃশ্য কাটছাঁট করে ‘ইউএ ১৬+’ সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। নির্মাতারা এই শর্ত মানলেও, সেন্সর বোর্ড তারপরই চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিতে দেরি করে। পরবর্তীতে, দাবি করা হয় যে, কিছু দৃশ্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে—এই কারণ দেখিয়ে সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলস্বরূপ, প্রযোজকেরা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ করলে, কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। শেষ পর্যন্ত, শীর্ষ আদালত বিষয়টি পুনরায় হাইকোর্টের ওপর নির্ভরশীল করে দেয়, যা ২২ দিন ধরে আইনি জটিলতায় অচল ছিল। চলতি পরিস্থিতিতে, ‘জন নায়াগান’ এর মুক্তি এখন অবধারিতভাবে ঝুলে গেছে।

‘জন নায়াগান’ সিনেমাটি বিশেষ করে বিজয়ের ভক্তদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাকে তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অবসান হিসেবে চিহ্নিত। সিনেমা নির্মিত হয়েছে, মূলত, তেলেগু সুপারহিট ছবি ‘ভগবন্ত কেশরী’র রিমেক হিসেবে, যেখানে তার সাথে তারকা হিসেবে অভিনয় করেছেন মমিতা বাইজু, ববি দেওল ও পূজা হেগড়ে। এই ছবির মাধ্যমে বিজয় তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করবেন—তিনি ‘তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম’ দলের হয়ে আগামী তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে, আইনি জটিলতায় এই সিনেমার মুক্তি এখন সময়ের ব্যাপার, আর ভক্তরা ব্যাকুল হয়ে অপেক্ষা করছেন তার শেষ পর্দার উপস্থিতি দেখার জন্য।