০৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

টি-টোয়েন্টিতে একবার ভুল হলেই ফিরে আসা কঠিন: রশিদ খান

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে আফগানিস্তান প্রত্যাশার চেয়ে অনেক আগেই বিদায় নিয়েছে। গতবারের সেমিফাইনালিস্ট টিমটি ‘গ্রুপ অব ডেথ’-এ পড়ে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সাথে সিরিজের শুরুতেই হারে বিপর্যস্ত হয়। প্রথম দুই ম্যাচেই শীর্ষ দলগুলোর কাছে পরাজয় তাদের টুর্নামেন্টকে পরবর্তীতে মাত্র আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত করে দিল। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকাসহ এক ম্যাচে পরপর দুটি সুপার ওভার পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে হার মেনে নেওয়া তাদের জন্য ছিল দুঃখজনক অভিজ্ঞতা।

এই অকাল বিদায়ের পর অধিনায়ক রশিদ খান আক্ষেপ ও বিশ্লেষণ মিশিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের স্বভাবই এমন যে এখানে ভুলের স্থান নেই — বড় দলের বিপক্ষে একটি ছোটো ভুলও পুরো ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিতে পারে। ‘‘মাত্র চার দিনের ব্যবধানে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দুই জায়ান্টের মুখোমুখি হওয়া শারীরিক ও মানসিকভাবে আমাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল,’’ রশিদ যোগ করেছেন।

রশিদের মতে সূচি চাপ এবং মাঠের ছোটো ত্রুটিগুলোই শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপ মিশনকে ব্যাহত করেছে। তবু তিনি এটাও বলেছেন যে এই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। নিজেরাও যে কোথায় ভুল হয়েছে তা দেখার এবং তা ঠিক করার প্রত্যয় তিনি ব্যক্ত করেছেন।

আফগান ক্রীড়া মহলে এই পারফরম্যান্সের সঙ্গে একটি বড় বদলও জড়িয়ে আছে—দলের প্রধান কোচ জনাথন ট্রট দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। রশিদ এক পক্ষ থেকে সতীর্থ ও কোচ হিসেবে ট্রটের অবদানের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, ট্রট কেবল কৌশলগত দিকেই সহযোগিতা করেননি, ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য ছিল। কোচের প্রস্থান আফগান ডাগআউটেই একটি বড় শূন্যতা তৈরি করবে বলেও তিনি মনে করেন।

এখন রশিদের উপর দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে—নেতৃত্বে থাকতে হবে, নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া ও তরুণ প্রতিভাদের সঠিকভাবে লালন-পালন করতে হবে। আফগানিস্তান ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে বিশ্বকাপকে লক্ষ্য করে এখনই নতুন পরিকল্পনা সাজাতে শুরু করেছে, এবং রশিদ জানিয়েছেন দলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা তাদের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে।

বিশ্বকাপ মিশন ব্যর্থ হলেও আফগানিস্তান ফের বড় মঞ্চে নিজেরা প্রমাণ করার প্রত্যয়ে আছে। রশিদদের কাছে এই অকাল প্রস্থান এক বিরাট শিক্ষা—এটা থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা ভবিষ্যতে আরও পরিণত ভাবে ম্যাচ পরিচালনা করে শক্তিশালী হয়ে উঠতে চাইবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

টি-টোয়েন্টিতে একবার ভুল হলেই ফিরে আসা কঠিন: রশিদ খান

প্রকাশিতঃ ০৮:২২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে আফগানিস্তান প্রত্যাশার চেয়ে অনেক আগেই বিদায় নিয়েছে। গতবারের সেমিফাইনালিস্ট টিমটি ‘গ্রুপ অব ডেথ’-এ পড়ে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সাথে সিরিজের শুরুতেই হারে বিপর্যস্ত হয়। প্রথম দুই ম্যাচেই শীর্ষ দলগুলোর কাছে পরাজয় তাদের টুর্নামেন্টকে পরবর্তীতে মাত্র আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত করে দিল। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকাসহ এক ম্যাচে পরপর দুটি সুপার ওভার পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে হার মেনে নেওয়া তাদের জন্য ছিল দুঃখজনক অভিজ্ঞতা।

এই অকাল বিদায়ের পর অধিনায়ক রশিদ খান আক্ষেপ ও বিশ্লেষণ মিশিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের স্বভাবই এমন যে এখানে ভুলের স্থান নেই — বড় দলের বিপক্ষে একটি ছোটো ভুলও পুরো ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিতে পারে। ‘‘মাত্র চার দিনের ব্যবধানে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দুই জায়ান্টের মুখোমুখি হওয়া শারীরিক ও মানসিকভাবে আমাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল,’’ রশিদ যোগ করেছেন।

রশিদের মতে সূচি চাপ এবং মাঠের ছোটো ত্রুটিগুলোই শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপ মিশনকে ব্যাহত করেছে। তবু তিনি এটাও বলেছেন যে এই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। নিজেরাও যে কোথায় ভুল হয়েছে তা দেখার এবং তা ঠিক করার প্রত্যয় তিনি ব্যক্ত করেছেন।

আফগান ক্রীড়া মহলে এই পারফরম্যান্সের সঙ্গে একটি বড় বদলও জড়িয়ে আছে—দলের প্রধান কোচ জনাথন ট্রট দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। রশিদ এক পক্ষ থেকে সতীর্থ ও কোচ হিসেবে ট্রটের অবদানের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, ট্রট কেবল কৌশলগত দিকেই সহযোগিতা করেননি, ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য ছিল। কোচের প্রস্থান আফগান ডাগআউটেই একটি বড় শূন্যতা তৈরি করবে বলেও তিনি মনে করেন।

এখন রশিদের উপর দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে—নেতৃত্বে থাকতে হবে, নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া ও তরুণ প্রতিভাদের সঠিকভাবে লালন-পালন করতে হবে। আফগানিস্তান ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে বিশ্বকাপকে লক্ষ্য করে এখনই নতুন পরিকল্পনা সাজাতে শুরু করেছে, এবং রশিদ জানিয়েছেন দলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা তাদের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে।

বিশ্বকাপ মিশন ব্যর্থ হলেও আফগানিস্তান ফের বড় মঞ্চে নিজেরা প্রমাণ করার প্রত্যয়ে আছে। রশিদদের কাছে এই অকাল প্রস্থান এক বিরাট শিক্ষা—এটা থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা ভবিষ্যতে আরও পরিণত ভাবে ম্যাচ পরিচালনা করে শক্তিশালী হয়ে উঠতে চাইবে।