০২:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চলতি ও আগামী মাসে দেশে আসছে আরও ১৬ কার্গো এলএনজি ৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়ান ওয়াওয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ টাইমের ‘বিশ্বের সেরা ১০০’ তালিকায় জায়গা পেয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন এপ্রিলেই ভারত থেকে আরও ১৭ হাজার টন ডিজেল আসছে অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এজেক প্লাস সম্মেলনে বক্তব্য রাখলেন কক্সবাজার থেকে শিগগিরই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু হবে: বিমানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা: ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু প্রধানমন্ত্রী জানালেন: সরকারি ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন

একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিবাগত রাত ১২টা এক মিনিটের পর তিনি শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যরা একে একে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মহিলা ও শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এবং তথ্য মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

পরবর্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনবাহিনীর প্রধান—সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন—ও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। বিদেশি রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও বিভিন্ন বিদেশী সংস্থার প্রধানরাও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামের আমির শফিকুর রহমানও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদল ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রথম প্রহরে নিরাপত্তা বেষ্টনীয় বাইরে হাজারো মানুষ উত্তপ্ত ভিড় করে অপেক্ষা করছিলেন। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের ঢল নেমেছিল শহীদ মিনারের আশপাশে; ফুল দিতে দীর্ঘ লাইন ধরে তারা প্রতীক্ষা করছিলেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর্যায়ক্রমিক শ্রদ্ধা-নিবেদন শেষ হলে সাধারণ মানুষও মিনার ভেতরে ঢুকতে পারেন।

মধ্যরাতে ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছোঁয়ার আগেই হাজারো মানুষ হাতে ফুল নিয়ে শহীদ মিনারের দিকে অবস্থান নেয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরাও শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের জন্য লাইনে দাঁড়ান।

শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হওয়ার আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘‘ফ্যাসিষ্ট শাসনের যন্ত্রণায় একুশ অবরুদ্ধ ছিল; এবার সেই একুশ মুক্ত।’’

প্রতিটি শ্রদ্ধা-জানানো মুহূর্তে শহীদদের আত্মত্যাগ ও ভাষার মর্যাদা ফিরে আনার সংগ্রামের স্মৃতি জাগ্রত হত। জনগণ দীর্ঘ লাইন তৈরি করে তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করে ভাষা আন্দোলনের ত্যাগীদের প্রতি সম্মান জানান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন

প্রকাশিতঃ ০৮:২৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিবাগত রাত ১২টা এক মিনিটের পর তিনি শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যরা একে একে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মহিলা ও শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এবং তথ্য মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

পরবর্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনবাহিনীর প্রধান—সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন—ও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। বিদেশি রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও বিভিন্ন বিদেশী সংস্থার প্রধানরাও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামের আমির শফিকুর রহমানও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদল ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রথম প্রহরে নিরাপত্তা বেষ্টনীয় বাইরে হাজারো মানুষ উত্তপ্ত ভিড় করে অপেক্ষা করছিলেন। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের ঢল নেমেছিল শহীদ মিনারের আশপাশে; ফুল দিতে দীর্ঘ লাইন ধরে তারা প্রতীক্ষা করছিলেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর্যায়ক্রমিক শ্রদ্ধা-নিবেদন শেষ হলে সাধারণ মানুষও মিনার ভেতরে ঢুকতে পারেন।

মধ্যরাতে ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছোঁয়ার আগেই হাজারো মানুষ হাতে ফুল নিয়ে শহীদ মিনারের দিকে অবস্থান নেয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরাও শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের জন্য লাইনে দাঁড়ান।

শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হওয়ার আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘‘ফ্যাসিষ্ট শাসনের যন্ত্রণায় একুশ অবরুদ্ধ ছিল; এবার সেই একুশ মুক্ত।’’

প্রতিটি শ্রদ্ধা-জানানো মুহূর্তে শহীদদের আত্মত্যাগ ও ভাষার মর্যাদা ফিরে আনার সংগ্রামের স্মৃতি জাগ্রত হত। জনগণ দীর্ঘ লাইন তৈরি করে তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করে ভাষা আন্দোলনের ত্যাগীদের প্রতি সম্মান জানান।