০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ট্রাম্পের নামে করার বিল ফ্লোরিডা আইনসভায় পাস

ফ্লোরিডার অঙ্গরাজ্যের আইনসভা বৃহস্পতিবার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট রাখার বিল অনুমোদন করেছে। বিলটি রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত বিধানসভায় পাস হওয়ায়, গভর্নর রন ডেসান্টিস স্বাক্ষর করলেই এটি আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আইনসভা জমা করা নথি অনুযায়ী, পাস হওয়া বিলের মাধ্যমে বর্তমানে পাম বিচ আন্তর্জাতিক নামে পরিচিত ওই বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব আনা হয়েছে। তবে নাম পরিবর্তন চূড়ান্ত করতে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FAA)-এর অনুমোদনও প্রয়োজন হবে।

পাম বিচ শহরটি তার বালুকাময় সৈকত ও বিলাসবহুল আবাসনের জন্য সুপরিচিত। বিমানবন্দরটি ট্রাম্পের মার-এ-লাগো বাসভবন থেকে মাত্র কয়েক মিনিট দুরত্বে অবস্থিত—এই ভৌগোলিক নিকটতা নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবটিকে রাজনৈতিক ও প্রতীকী উভয় দিক থেকেই গুরুত্ব দিয়েছে।

রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক ডোনাল্ড ট্রাম্প বহু ভবন ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিজের নাম যুক্ত করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন। পাম বিচ বিমানবন্দরের নামকরণ হলে তার নামানুক্রমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় এটি যুক্ত হবে।

গত ডিসেম্বরে ওয়াশিংটনের একটি পারফর্মিং আর্টস কমপ্লেক্সের পরিচালনা বোর্ড ট্রাম্পের নামে নামকরণ করার পক্ষে ভোট দেয় এবং পররাষ্ট্র দপ্তরও যুক্তরাষ্ট্র ইনস্টিটিউট অফ পিস-এর সঙ্গে ট্রাম্পের নাম সংযুক্তির উদ্যোগ নেয়—এসব ঘটনা দেশের রাজনীতিতে ট্রাম্প-নিযুক্ত নামের ব্যবহারকে আরও তীব্র করেছে।

একই সঙ্গে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ট্রাম্প পেন স্টেশন ও ডালেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নাম পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সেসব প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ও ট্রাম্পের প্রতিকৃতি সংবলিত এক ডলারের স্মারক মুদ্রার খসড়া তৈরির কথা নিশ্চিত করেছে, যদিও চলমান আইন অনুযায়ী দায়িত্বে থাকা বা জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি মুদ্রায় প্রদর্শনের ওপর সীমাবদ্ধতা আছে।

এই নামকরণ ইস্যু সম্পর্কে বিতর্ক ছড়িয়েছে এবং সমর্থক-প্রতিপক্ষ উভয়েই শক্ত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বিচার বিভাগের সদর দফতরে বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের মুখাবয়বসংবলিত একটি বড় নীল ব্যানার টাঙানো হয়, যা নামকরণকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে।

এখন বিলটি গভর্নরের ডেস্কে পৌঁছলেই, পরবর্তী ধাপগুলো—গভর্নরের স্বাক্ষর এবং FAA অনুমোদন—সফল হলে পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম চূড়ান্তভাবে বদলে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ট্রাম্পের নামে করার বিল ফ্লোরিডা আইনসভায় পাস

প্রকাশিতঃ ০৮:২৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফ্লোরিডার অঙ্গরাজ্যের আইনসভা বৃহস্পতিবার পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট রাখার বিল অনুমোদন করেছে। বিলটি রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত বিধানসভায় পাস হওয়ায়, গভর্নর রন ডেসান্টিস স্বাক্ষর করলেই এটি আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আইনসভা জমা করা নথি অনুযায়ী, পাস হওয়া বিলের মাধ্যমে বর্তমানে পাম বিচ আন্তর্জাতিক নামে পরিচিত ওই বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব আনা হয়েছে। তবে নাম পরিবর্তন চূড়ান্ত করতে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FAA)-এর অনুমোদনও প্রয়োজন হবে।

পাম বিচ শহরটি তার বালুকাময় সৈকত ও বিলাসবহুল আবাসনের জন্য সুপরিচিত। বিমানবন্দরটি ট্রাম্পের মার-এ-লাগো বাসভবন থেকে মাত্র কয়েক মিনিট দুরত্বে অবস্থিত—এই ভৌগোলিক নিকটতা নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবটিকে রাজনৈতিক ও প্রতীকী উভয় দিক থেকেই গুরুত্ব দিয়েছে।

রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক ডোনাল্ড ট্রাম্প বহু ভবন ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিজের নাম যুক্ত করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন। পাম বিচ বিমানবন্দরের নামকরণ হলে তার নামানুক্রমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় এটি যুক্ত হবে।

গত ডিসেম্বরে ওয়াশিংটনের একটি পারফর্মিং আর্টস কমপ্লেক্সের পরিচালনা বোর্ড ট্রাম্পের নামে নামকরণ করার পক্ষে ভোট দেয় এবং পররাষ্ট্র দপ্তরও যুক্তরাষ্ট্র ইনস্টিটিউট অফ পিস-এর সঙ্গে ট্রাম্পের নাম সংযুক্তির উদ্যোগ নেয়—এসব ঘটনা দেশের রাজনীতিতে ট্রাম্প-নিযুক্ত নামের ব্যবহারকে আরও তীব্র করেছে।

একই সঙ্গে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ট্রাম্প পেন স্টেশন ও ডালেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নাম পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সেসব প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ও ট্রাম্পের প্রতিকৃতি সংবলিত এক ডলারের স্মারক মুদ্রার খসড়া তৈরির কথা নিশ্চিত করেছে, যদিও চলমান আইন অনুযায়ী দায়িত্বে থাকা বা জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি মুদ্রায় প্রদর্শনের ওপর সীমাবদ্ধতা আছে।

এই নামকরণ ইস্যু সম্পর্কে বিতর্ক ছড়িয়েছে এবং সমর্থক-প্রতিপক্ষ উভয়েই শক্ত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বিচার বিভাগের সদর দফতরে বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের মুখাবয়বসংবলিত একটি বড় নীল ব্যানার টাঙানো হয়, যা নামকরণকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে।

এখন বিলটি গভর্নরের ডেস্কে পৌঁছলেই, পরবর্তী ধাপগুলো—গভর্নরের স্বাক্ষর এবং FAA অনুমোদন—সফল হলে পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম চূড়ান্তভাবে বদলে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।