০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নীরজ পাণ্ডে পরিচালনায় পর্দায় আসছে কিংবদন্তি আর ডি বর্মনের জীবনী

বছরজুড়ে বলিউডে অসংখ্য বায়োপিক এসেছে—তবে সেগুলোর অনেকেই ইতিহাস, যোদ্ধা, ক্রীড়াবিদ বা অপরাধীদের জীবনকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে। তুলনামূলকভাবে সংগীতশিল্পীদের নিয়ে কাজ কমই দেখা যায়। অনুরাগ বসু কয়েক বছর ধরে কিশোর কুমারের বায়োপিক করার চেষ্টা করছেন; সেখানে আমির খানকে নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও এখনো তা বড় অগ্রগতিতে পৌঁছায়নি।

এই প্রেক্ষাতে সুখবর মিলেছে ভারতের সংগীত জগতের আরও এক কিংবদন্তির জন্য—উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেববর্মনের (আর ডি বর্মন) জীবনীচিত্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিচালক হিসেবে এই প্রজেক্টে রয়েছেন জনপ্রিয় নির্মাতা নীরজ পাণ্ডে, যিনি আগে ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ নির্মাণ করে পরিচিতি পেয়েছিলেন।

ভ্যারাইটি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাহুল দেববর্মনের বায়োপিকের চিত্রনাট্য লিখে আজকাল সম্পন্ন করেছেন নীরজ পাণ্ডে। শুটিং লোকেশন হিসেবে স্কটল্যান্ড এবং বুদাপেস্টের জায়গাগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে—ইঙ্গিত করা হচ্ছে যে, সিনেমাটি কেবল ভারতে নয়, বরং বিদেশে তার নানা সংগীত সফর ও জীবনের ঘটনার অংশও ফুটিয়ে তুলবে।

পর্দায় এই কিংবদন্তির ভূমিকায় কে অভিনয় করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি; তবে নির্মাতারা বলছেন—বলিউডের প্রথম সারির কোনো অভিনেতাকে এই চরিত্রে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অভিনেতার শিডিউল মিলে গেলে শুটিংয়ের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে।

রাহুল দেববর্মন সম্পর্কে যতটা না বলা প্রয়োজন, ততটাই ভক্তদের কাছে পরিচিত। তিনি সঙ্গীতশিল্পী ও সংগীতপরিচালক শচীন দেববর্মনের একমাত্র সন্তান। জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৯ সালের ২৭ জুন, কলকাতায়। ১৯৬১ সালে মেহমুদ প্রযোজিত ‘ছোটে নবাব’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি সংগীত পরিচালক হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন।

তার পরবর্তীতে তিনি ‘আজা আজা’, ‘এ চতুর নার’, ‘চুরা লিয়া’, ‘দম মারো দম’, ‘বাঁচনা অ্যায় হাসিনো’, ‘ও হাসিনা জুলফোওয়ালি’, ‘ইয়ে দোস্তি’, ‘ভিগি ভিগি রাতো মে’—সহ অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে প্রায় সাড়ে তিনশো ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন, যার মধ্যে অনেক জনপ্রিয় বাংলা গানও আছে।

আর ডি বর্মন ভারতীয় সংগীতে নতুন সুর ও বিভিন্ন ধারার সমন্বয় এনে গানকে আরও বর্ণিল ও বহুমাত্রিক করেছেন—এটাই তাকে প্রত্যেক প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে। তাঁর জীবনীচিত্র নির্মাণের খবর প্রকাশ পেতেই ভক্ত ও সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দ ও অপেক্ষার অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে।

নির্মাতারা এখন শিডিউল ও কাস্ট ফাইনাল করে শিগগিরই কাজ শুরু করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন; দেখা যাবে পর্দায় আর কতটা প্রাণবন্তভাবে আর ডি বর্মনের সুরের গল্প তুলে ধরা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নীরজ পাণ্ডে পরিচালনায় পর্দায় আসছে কিংবদন্তি আর ডি বর্মনের জীবনী

প্রকাশিতঃ ০৮:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বছরজুড়ে বলিউডে অসংখ্য বায়োপিক এসেছে—তবে সেগুলোর অনেকেই ইতিহাস, যোদ্ধা, ক্রীড়াবিদ বা অপরাধীদের জীবনকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে। তুলনামূলকভাবে সংগীতশিল্পীদের নিয়ে কাজ কমই দেখা যায়। অনুরাগ বসু কয়েক বছর ধরে কিশোর কুমারের বায়োপিক করার চেষ্টা করছেন; সেখানে আমির খানকে নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও এখনো তা বড় অগ্রগতিতে পৌঁছায়নি।

এই প্রেক্ষাতে সুখবর মিলেছে ভারতের সংগীত জগতের আরও এক কিংবদন্তির জন্য—উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেববর্মনের (আর ডি বর্মন) জীবনীচিত্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিচালক হিসেবে এই প্রজেক্টে রয়েছেন জনপ্রিয় নির্মাতা নীরজ পাণ্ডে, যিনি আগে ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ নির্মাণ করে পরিচিতি পেয়েছিলেন।

ভ্যারাইটি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাহুল দেববর্মনের বায়োপিকের চিত্রনাট্য লিখে আজকাল সম্পন্ন করেছেন নীরজ পাণ্ডে। শুটিং লোকেশন হিসেবে স্কটল্যান্ড এবং বুদাপেস্টের জায়গাগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে—ইঙ্গিত করা হচ্ছে যে, সিনেমাটি কেবল ভারতে নয়, বরং বিদেশে তার নানা সংগীত সফর ও জীবনের ঘটনার অংশও ফুটিয়ে তুলবে।

পর্দায় এই কিংবদন্তির ভূমিকায় কে অভিনয় করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি; তবে নির্মাতারা বলছেন—বলিউডের প্রথম সারির কোনো অভিনেতাকে এই চরিত্রে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অভিনেতার শিডিউল মিলে গেলে শুটিংয়ের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে।

রাহুল দেববর্মন সম্পর্কে যতটা না বলা প্রয়োজন, ততটাই ভক্তদের কাছে পরিচিত। তিনি সঙ্গীতশিল্পী ও সংগীতপরিচালক শচীন দেববর্মনের একমাত্র সন্তান। জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৯ সালের ২৭ জুন, কলকাতায়। ১৯৬১ সালে মেহমুদ প্রযোজিত ‘ছোটে নবাব’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি সংগীত পরিচালক হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন।

তার পরবর্তীতে তিনি ‘আজা আজা’, ‘এ চতুর নার’, ‘চুরা লিয়া’, ‘দম মারো দম’, ‘বাঁচনা অ্যায় হাসিনো’, ‘ও হাসিনা জুলফোওয়ালি’, ‘ইয়ে দোস্তি’, ‘ভিগি ভিগি রাতো মে’—সহ অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে প্রায় সাড়ে তিনশো ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন, যার মধ্যে অনেক জনপ্রিয় বাংলা গানও আছে।

আর ডি বর্মন ভারতীয় সংগীতে নতুন সুর ও বিভিন্ন ধারার সমন্বয় এনে গানকে আরও বর্ণিল ও বহুমাত্রিক করেছেন—এটাই তাকে প্রত্যেক প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে। তাঁর জীবনীচিত্র নির্মাণের খবর প্রকাশ পেতেই ভক্ত ও সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দ ও অপেক্ষার অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে।

নির্মাতারা এখন শিডিউল ও কাস্ট ফাইনাল করে শিগগিরই কাজ শুরু করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন; দেখা যাবে পর্দায় আর কতটা প্রাণবন্তভাবে আর ডি বর্মনের সুরের গল্প তুলে ধরা যায়।