০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

পর্দায় আসছে আর.ডি. বর্মনের বায়োপিক — পরিচালনায় নীরাজ পাণ্ডে

বলিউডের সুরের এক অদম্য নক্ষত্র রাহুল দেববর্মনের জীবন এবার রুপালি পর্দায় তুলে আনছেন পরিচালক নীরাজ পাণ্ডে। সম্প্রতি জানা গেছে, নীরাজ আর ডি বর্মনের বায়োপিকের চিত্রনাট্য সম্পূর্ণ করেছেন এবং শুটিং লোকেশন হিসেবে স্কটল্যান্ড ও বুদাপেস্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে।

নীরাজ পাণ্ডে আগে ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ নির্মাণ করে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন; এবার তিনি ভারতীয় সংগীতের এক কিংবদন্তির জীবনকথা দর্শকের সামনে তুলে আনবেন। সূত্রভিত্তিক খবর অনুযায়ী, ছবিতে আর ডি বর্মনের ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তার বহুমাত্রিক সংগীত যাত্রা ও বিদেশি সফরের গল্পও স্থান পাবে।

তবে এই কিংবদন্তির ভূমিকায় কাকে দেখা যাবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রযোজকরা বলছেন, ছবির জন্য বলিউডের শীর্ষস্থানীয় কোনো অভিনেতাকে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে; তার শিডিউল নিশ্চিত হলে শুটিংয়ের দিনক্ষণ নির্ধারিত হবে।

রাহুল দেববর্মন, যাকে সাধারণত আর ডি বর্মন বলা হয়ে থাকে, ১৯৩৯ সালের ২৭ জুন কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে মেহমুদ প্রযোজিত ‘ছোটে নবাব’ সিনেমার মধ্য দিয়েই তিনি সংগীতপরিচালনায় পথচলা শুরু করেন। এরপর তিনি বহু কালজয়ী ও জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন—যেমন ‘চুরা লিয়া’, ‘দম মারো দম’, ‘ইয়ে দোস্তি’ ইত্যাদি। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি প্রায় সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেছেন এবং তার রচনায় বাংলা গানও আছে। আর ডি বর্মন ভারতীয় সংগীতে নতুন সুর ও বৈচিত্র্য এনে দিয়েছেন, যা পরবর্তী প্রজন্মের সঙ্গীতকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

এই বায়োপিকের ঘোষণা ও শুটিং লোকেশন চূড়ান্ত হওয়ার খবর সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত ও সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে। আর ডি বর্মনের সুর-সংগীত ও ব্যক্তিজীবনের আভাস কীভাবে পর্দায় ফুটে উঠবে—সেই প্রতীক্ষাই এখন দর্শকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পর্দায় আসছে আর.ডি. বর্মনের বায়োপিক — পরিচালনায় নীরাজ পাণ্ডে

প্রকাশিতঃ ১২:০৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বলিউডের সুরের এক অদম্য নক্ষত্র রাহুল দেববর্মনের জীবন এবার রুপালি পর্দায় তুলে আনছেন পরিচালক নীরাজ পাণ্ডে। সম্প্রতি জানা গেছে, নীরাজ আর ডি বর্মনের বায়োপিকের চিত্রনাট্য সম্পূর্ণ করেছেন এবং শুটিং লোকেশন হিসেবে স্কটল্যান্ড ও বুদাপেস্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে।

নীরাজ পাণ্ডে আগে ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ নির্মাণ করে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন; এবার তিনি ভারতীয় সংগীতের এক কিংবদন্তির জীবনকথা দর্শকের সামনে তুলে আনবেন। সূত্রভিত্তিক খবর অনুযায়ী, ছবিতে আর ডি বর্মনের ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তার বহুমাত্রিক সংগীত যাত্রা ও বিদেশি সফরের গল্পও স্থান পাবে।

তবে এই কিংবদন্তির ভূমিকায় কাকে দেখা যাবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রযোজকরা বলছেন, ছবির জন্য বলিউডের শীর্ষস্থানীয় কোনো অভিনেতাকে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে; তার শিডিউল নিশ্চিত হলে শুটিংয়ের দিনক্ষণ নির্ধারিত হবে।

রাহুল দেববর্মন, যাকে সাধারণত আর ডি বর্মন বলা হয়ে থাকে, ১৯৩৯ সালের ২৭ জুন কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে মেহমুদ প্রযোজিত ‘ছোটে নবাব’ সিনেমার মধ্য দিয়েই তিনি সংগীতপরিচালনায় পথচলা শুরু করেন। এরপর তিনি বহু কালজয়ী ও জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন—যেমন ‘চুরা লিয়া’, ‘দম মারো দম’, ‘ইয়ে দোস্তি’ ইত্যাদি। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি প্রায় সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেছেন এবং তার রচনায় বাংলা গানও আছে। আর ডি বর্মন ভারতীয় সংগীতে নতুন সুর ও বৈচিত্র্য এনে দিয়েছেন, যা পরবর্তী প্রজন্মের সঙ্গীতকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

এই বায়োপিকের ঘোষণা ও শুটিং লোকেশন চূড়ান্ত হওয়ার খবর সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত ও সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে। আর ডি বর্মনের সুর-সংগীত ও ব্যক্তিজীবনের আভাস কীভাবে পর্দায় ফুটে উঠবে—সেই প্রতীক্ষাই এখন দর্শকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয়।