০১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পিলখানা ট্র্যাজেডি দেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়: সেনাপ্রধান প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে নতুন আইজিপিকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন খাল খনন কর্মসূচি এক যুগান্তকারী বিপ্লব: পানিসম্পদ মন্ত্রী জুলাইয়ের হতাহতদের তালিকা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে: ইশরাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সৌদিতে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নে ডিএসসিসির সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের নির্দেশনা ডিজিএফআইয়ের নতুন মহাপরিচালক কায়ছার রশীদ চৌধুরী খাল খননকে ‘বিপ্লব’ আখ্যা দিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং তারেক রহমানকে অভিনন্দন ডিএমপি কমিশনারের অব্যাহতি চেয়ে আত্মসমর্পণ

পিলখানা ট্র্যাজেডি দেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়: সেনাপ্রধান

পিলখানা ট্র্যাজেডিকে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নজিরবিহীন ও কলঙ্কজনক ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদস্যদের বর্বর হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারানো নির্দোষ সেনা কর্মকর্তাদের আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে একটি কালো দিন olarak রয়ে গেছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ‘শহীদ দিবস’-এ ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর শহীদ পরিবারগুলো যে সংগ্রামী জীবন শুরু করেছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শহীদ সেনা সদস্যদের সন্তানরা বড় হওয়ার পথে মা-বাবার স্নেহ-মমতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি যোগ করেন, ‘‘তবে তারা একা নয়; শহীদদের প্রতিটি সন্তান আমাদেরই সন্তান।’’

সেনাপ্রধান জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় এসব পরিবারের পাশে থাকবে এবং ভবিষ্যতেও তাদের প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। তিনি শহীদদের ত্যাগ ও পরিবারের কষ্টকে স্মরণীয় রাখার গুরুত্বও তুলে ধরে বলেন, জাতির মুক্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর না হয়—সেজন্য সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর।

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা স্মরণ করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মহান আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ডের সঙ্গে অটুট সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দুই বাহিনী আজও কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি তিনি ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন; তার উপস্থিতি শোকাহত পরিবারগুলোর মধ্যে নতুন করে আস্থা ও আশা জাগিয়ে তুলেছে। অনুষ্ঠানের সুন্দর আয়োজনের জন্য তিনি সেনা সদর প্রতিষ্ঠানের এজি শাখা ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

সমাপ্তিতে সেনাপ্রধান দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ ও মর্যাদাবান বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

পিলখানা ট্র্যাজেডি দেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়: সেনাপ্রধান

পিলখানা ট্র্যাজেডি দেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়: সেনাপ্রধান

প্রকাশিতঃ ০৫:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পিলখানা ট্র্যাজেডিকে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নজিরবিহীন ও কলঙ্কজনক ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদস্যদের বর্বর হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারানো নির্দোষ সেনা কর্মকর্তাদের আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে একটি কালো দিন olarak রয়ে গেছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ‘শহীদ দিবস’-এ ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর শহীদ পরিবারগুলো যে সংগ্রামী জীবন শুরু করেছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শহীদ সেনা সদস্যদের সন্তানরা বড় হওয়ার পথে মা-বাবার স্নেহ-মমতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি যোগ করেন, ‘‘তবে তারা একা নয়; শহীদদের প্রতিটি সন্তান আমাদেরই সন্তান।’’

সেনাপ্রধান জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় এসব পরিবারের পাশে থাকবে এবং ভবিষ্যতেও তাদের প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। তিনি শহীদদের ত্যাগ ও পরিবারের কষ্টকে স্মরণীয় রাখার গুরুত্বও তুলে ধরে বলেন, জাতির মুক্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর না হয়—সেজন্য সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর।

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা স্মরণ করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মহান আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ডের সঙ্গে অটুট সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দুই বাহিনী আজও কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি তিনি ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন; তার উপস্থিতি শোকাহত পরিবারগুলোর মধ্যে নতুন করে আস্থা ও আশা জাগিয়ে তুলেছে। অনুষ্ঠানের সুন্দর আয়োজনের জন্য তিনি সেনা সদর প্রতিষ্ঠানের এজি শাখা ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

সমাপ্তিতে সেনাপ্রধান দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ ও মর্যাদাবান বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।