১২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

ইসরায়েলে পার্লামেন্টে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন সম্মানে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এইমাত্র তার রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ এক বিশেষ ভাষণ দিয়েছেন এবং দেশটির সর্বোচ্চ সংসদীয় সম্মাননা ‘স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল’-এ ভূষিত হয়েছেন। বুধবার এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে, নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা এই সম্মাননা তাঁর হাতে তুলে দেন। এই বিরল সম্মাননা পাওয়ার মাধ্যমে মোদি ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দৃঢ়তা ও স্বীকৃতি আরো একবার প্রকাশ পেল। উল্লেখ্য, তিনি বিশ্বের প্রথম এমন নেতা, যিনি এই সম্মাননা লাভ করলেন।

এই পদক প্রাপ্তি মোদির আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক বিরল অর্জন। এখন তিনি বিশ্বের একজন অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ নেতা, যিনি ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন—দুটো দেশ থেকেই সবচেয়ে উঁচু সম্মাননা গ্রহণ করেছেন। এর আগে, ২০১৮ সালে, তিনি ফিলিস্তিনের সর্বোচ্চ সম্মান ‘গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অফ প্যালেস্টাইন’ লাভ করেছিলেন। দীর্ঘ দিন ধরে চলমান দ্বন্দ্ব-সংঘাতে ব্যাপৃত এই দুই দেশের মধ্যে এমন সম্মাননা অর্জন প্রমাণ করে, মোদির কূটনৈতিক দক্ষতা ও ব্যক্তিগত স্পর্শ কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

এটি মোদির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মাইলফলক, যেখানে তিনি সম্মানিত হলেন বিশ্বজোড়া বিরল নেতাদের একজন হিসেবে।

প্রায় নয় বছর পরে এই হল মোদির প্রথম ইসরায়েল সফর। এর আগে, ২০১৭ সালের জুলাইয়ে তার ঐতিহাসিক সফরে ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ লাভ করে। এই সফরে সম্পর্কের উন্নয়ন আরও দৃঢ় হয়। এবার, এই সফরে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের আরও গভীরতা এবং সুদৃঢ়তা বার্তা দেওয়া হয়েছে। নেসেটে বক্তব্যে মোদি emphasizes করেন উভয় দেশের স্বার্থ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব।

ইসরায়েলি স্পিকার আমির ওহানা তার বক্তা ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং এই সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। এই সফরটি ভারত–ইসরায়েল সম্পর্কের পথে একটি নতুন দিগন্তের সূচনালগ্ন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলে পার্লামেন্টে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন সম্মানে

প্রকাশিতঃ ১০:২৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এইমাত্র তার রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ এক বিশেষ ভাষণ দিয়েছেন এবং দেশটির সর্বোচ্চ সংসদীয় সম্মাননা ‘স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল’-এ ভূষিত হয়েছেন। বুধবার এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে, নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা এই সম্মাননা তাঁর হাতে তুলে দেন। এই বিরল সম্মাননা পাওয়ার মাধ্যমে মোদি ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দৃঢ়তা ও স্বীকৃতি আরো একবার প্রকাশ পেল। উল্লেখ্য, তিনি বিশ্বের প্রথম এমন নেতা, যিনি এই সম্মাননা লাভ করলেন।

এই পদক প্রাপ্তি মোদির আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক বিরল অর্জন। এখন তিনি বিশ্বের একজন অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ নেতা, যিনি ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন—দুটো দেশ থেকেই সবচেয়ে উঁচু সম্মাননা গ্রহণ করেছেন। এর আগে, ২০১৮ সালে, তিনি ফিলিস্তিনের সর্বোচ্চ সম্মান ‘গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অফ প্যালেস্টাইন’ লাভ করেছিলেন। দীর্ঘ দিন ধরে চলমান দ্বন্দ্ব-সংঘাতে ব্যাপৃত এই দুই দেশের মধ্যে এমন সম্মাননা অর্জন প্রমাণ করে, মোদির কূটনৈতিক দক্ষতা ও ব্যক্তিগত স্পর্শ কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

এটি মোদির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মাইলফলক, যেখানে তিনি সম্মানিত হলেন বিশ্বজোড়া বিরল নেতাদের একজন হিসেবে।

প্রায় নয় বছর পরে এই হল মোদির প্রথম ইসরায়েল সফর। এর আগে, ২০১৭ সালের জুলাইয়ে তার ঐতিহাসিক সফরে ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ লাভ করে। এই সফরে সম্পর্কের উন্নয়ন আরও দৃঢ় হয়। এবার, এই সফরে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের আরও গভীরতা এবং সুদৃঢ়তা বার্তা দেওয়া হয়েছে। নেসেটে বক্তব্যে মোদি emphasizes করেন উভয় দেশের স্বার্থ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব।

ইসরায়েলি স্পিকার আমির ওহানা তার বক্তা ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং এই সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। এই সফরটি ভারত–ইসরায়েল সম্পর্কের পথে একটি নতুন দিগন্তের সূচনালগ্ন হিসেবে দেখা হচ্ছে।