০৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
রাষ্ট্রপতি: সম্মিলিত আন্দোলনেই ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন সংসদে খালেদা জিয়া ও বিশিষ্ট দেশি-বিদেশি ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গৃহীত চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলামের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের প্রতি অভিনন্দন খালেদা জিয়া ও মতিয়া চৌধুরীসহ ৩১ জনের স্মরণে সংসদে শোকপ্রস্তাব খালেদা জিয়া ও মতিয়া চৌধুরীসহ ৩১ জনের মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব গৃহীত এডভোকেট আহমেদ আযম খান মন্ত্রী হলেন সংসদের আচরণ নিয়ে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: চিফ হুইপ সংসদীয় দলের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের হাতে এখনও নীতিগত সুযোগ: সিপিডি আত্মসমর্পণকারী কিছু চরমপন্থি ফের সক্রিয়

নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আহত, সরকার জানায় ‘নিরাপদ ও সুস্থ’

ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি চলমান যুদ্ধে এক হামলায় আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি টেলিভিশন এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে সরকারি পক্ষ সূত্রে বলা হয়েছে তিনি গুরুতরভাবে আহত হননি এবং বর্তমানে নিবিড় নিরাপত্তায় সুস্থ আছেন।

রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের ছেলে ও সরকারের উপদেষ্টা ইউসুফ পেজেশকিয়ান টেলিগ্রামে পোস্ট করে জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি নির্ভরযোগ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন যে মোজতবা খামেনি নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।

রাষ্ট্রীয়প্রাথমিক প্রতিবেদনগুলোতে হামলার ধরন বা সময় ও পরিবেশনার বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবু এই আঘাতের খবর ঘোষণার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি ও চলমান যুদ্ধের পরিস্থিতি আরও সংকেতপূর্ণ ও জটিল হয়ে পড়েছে।

মোজতবা খামেনিকে গত রবিবার ৮৮ জন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের সমন্বয়ে গঠিত ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট’ পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। এটি ঘটে মূলত তখন, যখন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের একটি বিমান হামলায় প্রয়াত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু দাবি করা হয়—যার পরই দেশের নেতৃত্বে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল বলে জানানো হয়েছিল। ওই হামলায় খামেনি পরিবারের আরও সদস্য এবং কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার নিহত হওয়া খবর প্রকাশ পেয়েছিল।

ব্যক্তিগতভাবে আগে কখনও সরকারি দায়িত্বে না থাকলেও ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা দীর্ঘদিন ধরে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেছেন বলে অভ্যাস। বিশেষ করে দেশের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে তাঁর নিবিড় সংযোগকে তার শক্তির মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। দায়িত্ব নেয়ার পরপরই তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা কড়া পদক্ষেপ নেবার নির্দেশ দেন, যা তাঁর অমসৃণ নীতিমতের ইঙ্গিত দেয়।

যদিও সরকার তাঁকে ‘নিরাপদ ও সুস্থ’ বলে জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধ ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মোজতবা খামেনিকে ঘیرেও নতুনভাবে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আগাম সময়ে সামরিক ও কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও পরিস্থিতি কেমন মোড় নেবে তা আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকদের নজরে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

রাষ্ট্রপতি: সম্মিলিত আন্দোলনেই ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন

নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আহত, সরকার জানায় ‘নিরাপদ ও সুস্থ’

প্রকাশিতঃ ০৫:২৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি চলমান যুদ্ধে এক হামলায় আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি টেলিভিশন এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে সরকারি পক্ষ সূত্রে বলা হয়েছে তিনি গুরুতরভাবে আহত হননি এবং বর্তমানে নিবিড় নিরাপত্তায় সুস্থ আছেন।

রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের ছেলে ও সরকারের উপদেষ্টা ইউসুফ পেজেশকিয়ান টেলিগ্রামে পোস্ট করে জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি নির্ভরযোগ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন যে মোজতবা খামেনি নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।

রাষ্ট্রীয়প্রাথমিক প্রতিবেদনগুলোতে হামলার ধরন বা সময় ও পরিবেশনার বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবু এই আঘাতের খবর ঘোষণার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি ও চলমান যুদ্ধের পরিস্থিতি আরও সংকেতপূর্ণ ও জটিল হয়ে পড়েছে।

মোজতবা খামেনিকে গত রবিবার ৮৮ জন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের সমন্বয়ে গঠিত ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট’ পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। এটি ঘটে মূলত তখন, যখন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের একটি বিমান হামলায় প্রয়াত সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু দাবি করা হয়—যার পরই দেশের নেতৃত্বে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল বলে জানানো হয়েছিল। ওই হামলায় খামেনি পরিবারের আরও সদস্য এবং কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার নিহত হওয়া খবর প্রকাশ পেয়েছিল।

ব্যক্তিগতভাবে আগে কখনও সরকারি দায়িত্বে না থাকলেও ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা দীর্ঘদিন ধরে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেছেন বলে অভ্যাস। বিশেষ করে দেশের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে তাঁর নিবিড় সংযোগকে তার শক্তির মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। দায়িত্ব নেয়ার পরপরই তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা কড়া পদক্ষেপ নেবার নির্দেশ দেন, যা তাঁর অমসৃণ নীতিমতের ইঙ্গিত দেয়।

যদিও সরকার তাঁকে ‘নিরাপদ ও সুস্থ’ বলে জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধ ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মোজতবা খামেনিকে ঘیرেও নতুনভাবে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আগাম সময়ে সামরিক ও কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও পরিস্থিতি কেমন মোড় নেবে তা আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকদের নজরে।