০৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর মার্কিন প্রস্তাব সিউলে তীব্র বিক্ষোভে প্রত্যাখ্যাত

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত হরমুজ প্রণালি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় তীব্র জনরোষ তুলে বিক্ষোভ হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে ট্যাঙ্কার ও বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য মিত্রদের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর অনুরোধে সিউলের রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষ স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান জানিয়েছেন।

সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন প্রধান সড়কে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার হাতে সরকারকে দাবি করেন, দেশকে মধ্যপ্রাচ্যের দ্বন্দ্বে টেনে নেওয়া চলবে না। তারা বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনী বা কোনো সামরিক বাহিনী কোনো বিদেশি অভিযানে অংশগ্রহণ করবে না।

বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল সংঘাতে জড়ানো হলে তা দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করবে। তারা আশঙ্কা করছেন, জোটে অংশগ্রহণ করলে অঞ্চলীয় উত্তেজনা বাড়বে এবং সিউলের আন্তর্জাতিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এদিকে সরকারের সিটে Washington-এর অনুরোধ নিয়ে অন্যান্যে আলোচনা বা পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত থাকলেও জনমত স্পষ্টভাবে বিপরীত। বিক্ষোভের কারণে রাজনৈতিক মহলেও চাপ তৈরি হয়েছে এবং মার্কিন প্রস্তাব গ্রহণ করা কঠিন হয়ে উঠেছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সড়ক; এখানে বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ও ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র একটি আন্তর্জাতিক সুরক্ষা জোট গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং মিত্র দেশগুলোকে এতে অংশ নিতে অনুরোধ করছে।

অন্যদিকে সিউলের প্রবল প্রতিবাদ ও জনআর্কষণের প্রতিবেশে প্রতিবেশী দেশগুলোর কূটনৈতিক সংবেদনশীলতাও মাথায় রেখে বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সামনে এখন নীতিগত বড় সঙ্কট তৈরি হচ্ছে। জনগণের জোরালো প্রতিক্রিয়া ও রাজনৈতিক চাপ বিবেচনায় ভবিষ্যতে এই ইস্যুতে সিউলের সিদ্ধান্ত কী হবে তা ক্লিয়ার নয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর মার্কিন প্রস্তাব সিউলে তীব্র বিক্ষোভে প্রত্যাখ্যাত

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত হরমুজ প্রণালি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় তীব্র জনরোষ তুলে বিক্ষোভ হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে ট্যাঙ্কার ও বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য মিত্রদের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর অনুরোধে সিউলের রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষ স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান জানিয়েছেন।

সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন প্রধান সড়কে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার হাতে সরকারকে দাবি করেন, দেশকে মধ্যপ্রাচ্যের দ্বন্দ্বে টেনে নেওয়া চলবে না। তারা বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনী বা কোনো সামরিক বাহিনী কোনো বিদেশি অভিযানে অংশগ্রহণ করবে না।

বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল সংঘাতে জড়ানো হলে তা দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করবে। তারা আশঙ্কা করছেন, জোটে অংশগ্রহণ করলে অঞ্চলীয় উত্তেজনা বাড়বে এবং সিউলের আন্তর্জাতিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এদিকে সরকারের সিটে Washington-এর অনুরোধ নিয়ে অন্যান্যে আলোচনা বা পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত থাকলেও জনমত স্পষ্টভাবে বিপরীত। বিক্ষোভের কারণে রাজনৈতিক মহলেও চাপ তৈরি হয়েছে এবং মার্কিন প্রস্তাব গ্রহণ করা কঠিন হয়ে উঠেছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সড়ক; এখানে বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ও ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র একটি আন্তর্জাতিক সুরক্ষা জোট গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং মিত্র দেশগুলোকে এতে অংশ নিতে অনুরোধ করছে।

অন্যদিকে সিউলের প্রবল প্রতিবাদ ও জনআর্কষণের প্রতিবেশে প্রতিবেশী দেশগুলোর কূটনৈতিক সংবেদনশীলতাও মাথায় রেখে বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সামনে এখন নীতিগত বড় সঙ্কট তৈরি হচ্ছে। জনগণের জোরালো প্রতিক্রিয়া ও রাজনৈতিক চাপ বিবেচনায় ভবিষ্যতে এই ইস্যুতে সিউলের সিদ্ধান্ত কী হবে তা ক্লিয়ার নয়।