০১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডকে ২-০ হারিয়ে ১২ বছর পর বিশ্বকাপের দোরজায় ইতালি

বের্গামোতে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডকে ২-০ গোলে পরাজিত করে বিশ্বকাপ প্লে-অফের ফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি। এই জয়ের ফলে দীর্ঘ ১২ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ফেরার পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে গেল আজ্জুরিরা।

গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে টকটকে প্রতিরোধ গড়ে নিয়েছিল আইরিশরা। মাঠে শুরু থেকেই শক্ত জমাট প্রতিরোধে দেখা গেছে তাদের—গোলরক্ষক পিয়ার্স চার্লস কয়েকটি আক্রমণ দক্ষভাবে প্রতিহত করেন এবং সময়ক্ষেপণের কৌশলে ইতালির আক্রমণভাগকে ঘুমোতে বাধ্য করেন। প্রতিপক্ষের ঘন রক্ষণ ভেঙে আক্রমণ সাজাতে মুশকিল হয়, ফলে প্রথমার্ধ গোলশূন্যই শেষ হয়।

বিরতির পরও আক্রমণতেজ ধরে রেখেছিল ইতালি। প্রথমে মাতেও রেতেগি একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও দলের আক্রমণভঙ্গি থেমে থাকেনি। পরিশেষে দলের মাঝমাঠার তোনালি দুর্দান্ত এক শটে বরাবর এগিয়ে দেন স্বাগতিকদের। আইজ্যাক প্রাইসের দুর্বল ক্লিয়ারেন্স ডি-বক্সের বাইরে হাতে পড়ে যায় এবং তোনালি তা সুযোগ বুঝে চমৎকার শটে জালে পাঠান।

ম্যাচের শেষ সময়ে দলের স্ট্রাইকার ‘কিন’ আবারও রুয়ারি ম্যাকনভিলকে কাটিয়ে ব্যক্তিগত ও দলের দ্বিতীয় গোলের পাশাপাশি ম্যাচের নাটকীয় মোড়েন দিয়ে দেন। সেই গোলের পর ইতালির জয় নিশ্চিত হয়ে যায় এবং স্রোতস্বিনী উল্লাসে stadion কাঁপে ওঠে।

এই জয়ের মানে এখন মঙ্গলবার বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সঙ্গে বাইনারি লড়াইয়ে ছিটকে পড়ল প্রতিার্পণ—যেখানে বিজয় পেলে ২০১৪ সালের পর প্রথমবারের মতো তারা বিশ্বকাপে ফেরার আশা জাগাবে। রাশিয়া ও কাতার বিশ্বকাপ মিস করার পর থেকে খরা কাটানোই ইতালির প্রধান লক্ষ্য ছিল। বর্তমান কোচ জেনারো গাত্তুসো এই ম্যাচটিকে তাঁর কোচিং ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ লড়াই হিসেবে উল্লেখ করেন, এবং খেলোয়াড়রাও সেই আত্ববিশ্বাস নিয়ে মাঠ ছাড়েন।

ইতালির ভক্তরা মাঠে এবং বাইরে উৎসবে মেতে উঠেছেন। এখন উৎসাহ আর প্রত্যাশার মিশ্র অনুভূতি নিয়ে টাইফুনের মতো চাপূর্ণ সাপ্তাহটি কাটা লক্ষ—মঙ্গলবার বসনিয়াকে হারিয়ে তারা যেন বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ফেরার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডকে ২-০ হারিয়ে ১২ বছর পর বিশ্বকাপের দোরজায় ইতালি

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

বের্গামোতে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডকে ২-০ গোলে পরাজিত করে বিশ্বকাপ প্লে-অফের ফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি। এই জয়ের ফলে দীর্ঘ ১২ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ফেরার পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে গেল আজ্জুরিরা।

গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে টকটকে প্রতিরোধ গড়ে নিয়েছিল আইরিশরা। মাঠে শুরু থেকেই শক্ত জমাট প্রতিরোধে দেখা গেছে তাদের—গোলরক্ষক পিয়ার্স চার্লস কয়েকটি আক্রমণ দক্ষভাবে প্রতিহত করেন এবং সময়ক্ষেপণের কৌশলে ইতালির আক্রমণভাগকে ঘুমোতে বাধ্য করেন। প্রতিপক্ষের ঘন রক্ষণ ভেঙে আক্রমণ সাজাতে মুশকিল হয়, ফলে প্রথমার্ধ গোলশূন্যই শেষ হয়।

বিরতির পরও আক্রমণতেজ ধরে রেখেছিল ইতালি। প্রথমে মাতেও রেতেগি একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও দলের আক্রমণভঙ্গি থেমে থাকেনি। পরিশেষে দলের মাঝমাঠার তোনালি দুর্দান্ত এক শটে বরাবর এগিয়ে দেন স্বাগতিকদের। আইজ্যাক প্রাইসের দুর্বল ক্লিয়ারেন্স ডি-বক্সের বাইরে হাতে পড়ে যায় এবং তোনালি তা সুযোগ বুঝে চমৎকার শটে জালে পাঠান।

ম্যাচের শেষ সময়ে দলের স্ট্রাইকার ‘কিন’ আবারও রুয়ারি ম্যাকনভিলকে কাটিয়ে ব্যক্তিগত ও দলের দ্বিতীয় গোলের পাশাপাশি ম্যাচের নাটকীয় মোড়েন দিয়ে দেন। সেই গোলের পর ইতালির জয় নিশ্চিত হয়ে যায় এবং স্রোতস্বিনী উল্লাসে stadion কাঁপে ওঠে।

এই জয়ের মানে এখন মঙ্গলবার বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সঙ্গে বাইনারি লড়াইয়ে ছিটকে পড়ল প্রতিার্পণ—যেখানে বিজয় পেলে ২০১৪ সালের পর প্রথমবারের মতো তারা বিশ্বকাপে ফেরার আশা জাগাবে। রাশিয়া ও কাতার বিশ্বকাপ মিস করার পর থেকে খরা কাটানোই ইতালির প্রধান লক্ষ্য ছিল। বর্তমান কোচ জেনারো গাত্তুসো এই ম্যাচটিকে তাঁর কোচিং ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ লড়াই হিসেবে উল্লেখ করেন, এবং খেলোয়াড়রাও সেই আত্ববিশ্বাস নিয়ে মাঠ ছাড়েন।

ইতালির ভক্তরা মাঠে এবং বাইরে উৎসবে মেতে উঠেছেন। এখন উৎসাহ আর প্রত্যাশার মিশ্র অনুভূতি নিয়ে টাইফুনের মতো চাপূর্ণ সাপ্তাহটি কাটা লক্ষ—মঙ্গলবার বসনিয়াকে হারিয়ে তারা যেন বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ফেরার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে।