১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ত্রিশালে এমপি লিটনের তিন মেগা প্রকল্প: সেতু ও জননিরাপত্তায় জোর

ত্রিশালের টেকসই উন্নয়ন ও উন্নত জনপদ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তিনি বিশেষ করে অবহেলিত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনটি মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রকাশ করেছেন।

ডা. লিটন বলেন, উন্নত জনপদ গড়তে নিরাপদ যোগাযোগ এবং সুশৃঙ্খল আইনশৃঙ্খলা অপরিহার্য। তাই তিনি প্রতিটি ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন এবং সেই ধারাবাহিকতায় তিনটি প্রধান প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রথম প্রকল্প হিসেবে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের জনপদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ‘বালিপাড়া-চর মাদাখালী ব্রিজ’ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই ব্রিজটি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রম প্রাণ পাবে এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

দ্বিতীয়টি হলো ধানীখোলা ও বৈলর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের বর্তমান জীর্ণ সড়ক ও সেতুর বদলে একটি আধুনিক, প্রশস্ত সেতু নির্মাণ। এই সেতু স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতকে গতিশীল করবে, কৃষি পণ্যের বাজারজাতকরণসহ শিল্পায়নের পথ সুগম করবে।

তৃতীয় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগটি হলো বালিপাড়ায় একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা। জনমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত আইনি সেবা প্রদান ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ প্রকল্পকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এমপি লিটন বলেন, ‘‘জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিটি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমার বড় লক্ষ্য। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আমরা একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত ত্রিশাল গড়তে কাজ চালিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।’’

এই মেগা প্রকল্পগুলোর আনুনয়নে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। এলাকাবাসী মনে করেন, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ত্রিশাল মডেল উপজেলা হিসেবে সারাদেশে পরিচিতি পাবে। দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ উদ্যোগগুলো এলাকার অর্থনীতি, যোগাযোগ ও সামাজিক সুরক্ষায় মাইলফলক साबित হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ত্রিশালে এমপি লিটনের তিন মেগা প্রকল্প: সেতু ও জননিরাপত্তায় জোর

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ত্রিশালের টেকসই উন্নয়ন ও উন্নত জনপদ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তিনি বিশেষ করে অবহেলিত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনটি মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রকাশ করেছেন।

ডা. লিটন বলেন, উন্নত জনপদ গড়তে নিরাপদ যোগাযোগ এবং সুশৃঙ্খল আইনশৃঙ্খলা অপরিহার্য। তাই তিনি প্রতিটি ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন এবং সেই ধারাবাহিকতায় তিনটি প্রধান প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রথম প্রকল্প হিসেবে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের জনপদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ‘বালিপাড়া-চর মাদাখালী ব্রিজ’ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই ব্রিজটি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রম প্রাণ পাবে এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

দ্বিতীয়টি হলো ধানীখোলা ও বৈলর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের বর্তমান জীর্ণ সড়ক ও সেতুর বদলে একটি আধুনিক, প্রশস্ত সেতু নির্মাণ। এই সেতু স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতকে গতিশীল করবে, কৃষি পণ্যের বাজারজাতকরণসহ শিল্পায়নের পথ সুগম করবে।

তৃতীয় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগটি হলো বালিপাড়ায় একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা। জনমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত আইনি সেবা প্রদান ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ প্রকল্পকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এমপি লিটন বলেন, ‘‘জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিটি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমার বড় লক্ষ্য। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আমরা একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত ত্রিশাল গড়তে কাজ চালিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।’’

এই মেগা প্রকল্পগুলোর আনুনয়নে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। এলাকাবাসী মনে করেন, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ত্রিশাল মডেল উপজেলা হিসেবে সারাদেশে পরিচিতি পাবে। দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ উদ্যোগগুলো এলাকার অর্থনীতি, যোগাযোগ ও সামাজিক সুরক্ষায় মাইলফলক साबित হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।