০৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসা: বাংলাদেশি আবেদনকারীর অর্ধেকেরও বেশি প্রত্যাখ্যাত সংসদে নতুন রেকর্ড: ১৩ দিনে ৯১টি বিল পাস আবু সাঈদ হত্যা: ট্রাইব্যুনাল—২ পুলিশ সদস্যের ফাঁসি, তিনজনকে যাবজ্জীবন অর্থমন্ত্রী: ফ্যাসিবাদী সরকারের দুর্নীতি ও লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে আবু সাঈদ হত্যা: ২ পুলিশকে ফাঁসি, ৩ জনকে যাবজ্জীবন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন: এনইআইআর নীতিমালা সংশোধন করা হবে জ্বালানি বিতরণে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পাইলট চালু ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের সাক্ষাৎ আনোয়ার ইব্রাহিম তারেক রহমানকে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের বৈঠক

ত্রিশালে এমপি লিটনের তিন মেগা প্রকল্প: সেতু ও জননিরাপত্তায় জোর

ত্রিশালের টেকসই উন্নয়ন ও উন্নত জনপদ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তিনি বিশেষ করে অবহেলিত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনটি মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রকাশ করেছেন।

ডা. লিটন বলেন, উন্নত জনপদ গড়তে নিরাপদ যোগাযোগ এবং সুশৃঙ্খল আইনশৃঙ্খলা অপরিহার্য। তাই তিনি প্রতিটি ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন এবং সেই ধারাবাহিকতায় তিনটি প্রধান প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রথম প্রকল্প হিসেবে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের জনপদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ‘বালিপাড়া-চর মাদাখালী ব্রিজ’ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই ব্রিজটি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রম প্রাণ পাবে এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

দ্বিতীয়টি হলো ধানীখোলা ও বৈলর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের বর্তমান জীর্ণ সড়ক ও সেতুর বদলে একটি আধুনিক, প্রশস্ত সেতু নির্মাণ। এই সেতু স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতকে গতিশীল করবে, কৃষি পণ্যের বাজারজাতকরণসহ শিল্পায়নের পথ সুগম করবে।

তৃতীয় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগটি হলো বালিপাড়ায় একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা। জনমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত আইনি সেবা প্রদান ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ প্রকল্পকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এমপি লিটন বলেন, ‘‘জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিটি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমার বড় লক্ষ্য। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আমরা একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত ত্রিশাল গড়তে কাজ চালিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।’’

এই মেগা প্রকল্পগুলোর আনুনয়নে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। এলাকাবাসী মনে করেন, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ত্রিশাল মডেল উপজেলা হিসেবে সারাদেশে পরিচিতি পাবে। দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ উদ্যোগগুলো এলাকার অর্থনীতি, যোগাযোগ ও সামাজিক সুরক্ষায় মাইলফলক साबित হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংসদে নতুন রেকর্ড: ১৩ দিনে ৯১টি বিল পাস

ত্রিশালে এমপি লিটনের তিন মেগা প্রকল্প: সেতু ও জননিরাপত্তায় জোর

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ত্রিশালের টেকসই উন্নয়ন ও উন্নত জনপদ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তিনি বিশেষ করে অবহেলিত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তিনটি মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রকাশ করেছেন।

ডা. লিটন বলেন, উন্নত জনপদ গড়তে নিরাপদ যোগাযোগ এবং সুশৃঙ্খল আইনশৃঙ্খলা অপরিহার্য। তাই তিনি প্রতিটি ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন এবং সেই ধারাবাহিকতায় তিনটি প্রধান প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রথম প্রকল্প হিসেবে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের জনপদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে ‘বালিপাড়া-চর মাদাখালী ব্রিজ’ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই ব্রিজটি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রম প্রাণ পাবে এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

দ্বিতীয়টি হলো ধানীখোলা ও বৈলর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের বর্তমান জীর্ণ সড়ক ও সেতুর বদলে একটি আধুনিক, প্রশস্ত সেতু নির্মাণ। এই সেতু স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতকে গতিশীল করবে, কৃষি পণ্যের বাজারজাতকরণসহ শিল্পায়নের পথ সুগম করবে।

তৃতীয় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগটি হলো বালিপাড়ায় একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা। জনমাল ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত আইনি সেবা প্রদান ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ প্রকল্পকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এমপি লিটন বলেন, ‘‘জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিটি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমার বড় লক্ষ্য। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আমরা একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত ত্রিশাল গড়তে কাজ চালিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।’’

এই মেগা প্রকল্পগুলোর আনুনয়নে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। এলাকাবাসী মনে করেন, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ত্রিশাল মডেল উপজেলা হিসেবে সারাদেশে পরিচিতি পাবে। দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ উদ্যোগগুলো এলাকার অর্থনীতি, যোগাযোগ ও সামাজিক সুরক্ষায় মাইলফলক साबित হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।