১১:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন

বৈশাখ থেকে প্রতিটি জেলায় গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা

পান্তা-ইলিশের স্বাদ আর ঢাক-ঢোলের ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠল রাজধানীর ক্রীড়াঙ্গন—বাঙালি নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’ আয়োজন করা হয়, যেখানে দুই দশক পর এতটা আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন দেখতে পান দর্শকরা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিৎ ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। উৎসবে গ্রামীণ জনপদের হারিয়ে যেতে বসা মোট ১২টি লোকজ ও ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা প্রদর্শিত হয়। প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানকে প্রদেশীয় সংস্কৃতি ও দেশের ক্রীড়াশিল্প উজ্জীবিত করার একটি গুরুত্বপুর্ণ কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেন এবং দেশীয় খেলাগুলোকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন যে মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সহযোগীদের সমন্বয়ে আগামী বৈশাখ থেকে দেশের প্রতিটি জেলায় এ ধরনের গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজিত হবে। তার লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে পরিচিত করা এবং স্থানীয় সংস্কৃতিকে সক্রিয় রাখা।

নারী ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ নজর থাকবে বলেও প্রতিমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, নারী ক্রীড়া সংক্রান্ত একটি বিশেষ ঘোষণা খুব শিগগিরই আসছে এবং প্রধানমন্ত্রী নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য কিছু বিশেষ পরিকল্পনা রেখেছেন যা দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।

অনুষ্ঠানে খেলাধুলার মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তনের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে আমিনুল হক তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেম জাগ্রত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শৃঙ্খলিত ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলা ও উৎসবের মাধ্যমে মননশীলতা, আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম এবং এশিয়ান আর্চারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজীব উদ্দিন চপলসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানটি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার সংমিশ্রণে নববর্ষের আনন্দকে আরও সরস ও প্রাণবন্ত করে তোলে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

বৈশাখ থেকে প্রতিটি জেলায় গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা

প্রকাশিতঃ ১০:৪৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

পান্তা-ইলিশের স্বাদ আর ঢাক-ঢোলের ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠল রাজধানীর ক্রীড়াঙ্গন—বাঙালি নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’ আয়োজন করা হয়, যেখানে দুই দশক পর এতটা আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন দেখতে পান দর্শকরা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিৎ ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। উৎসবে গ্রামীণ জনপদের হারিয়ে যেতে বসা মোট ১২টি লোকজ ও ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা প্রদর্শিত হয়। প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানকে প্রদেশীয় সংস্কৃতি ও দেশের ক্রীড়াশিল্প উজ্জীবিত করার একটি গুরুত্বপুর্ণ কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেন এবং দেশীয় খেলাগুলোকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন যে মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সহযোগীদের সমন্বয়ে আগামী বৈশাখ থেকে দেশের প্রতিটি জেলায় এ ধরনের গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজিত হবে। তার লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে পরিচিত করা এবং স্থানীয় সংস্কৃতিকে সক্রিয় রাখা।

নারী ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ নজর থাকবে বলেও প্রতিমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, নারী ক্রীড়া সংক্রান্ত একটি বিশেষ ঘোষণা খুব শিগগিরই আসছে এবং প্রধানমন্ত্রী নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য কিছু বিশেষ পরিকল্পনা রেখেছেন যা দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।

অনুষ্ঠানে খেলাধুলার মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তনের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে আমিনুল হক তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেম জাগ্রত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শৃঙ্খলিত ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলা ও উৎসবের মাধ্যমে মননশীলতা, আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম এবং এশিয়ান আর্চারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজীব উদ্দিন চপলসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানটি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার সংমিশ্রণে নববর্ষের আনন্দকে আরও সরস ও প্রাণবন্ত করে তোলে।