০৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সিরাজগঞ্জের আদালত মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

সিরাজগঞ্জের আদালত কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আদালত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এই আদেশ দেন।

এ বিচারিক کارروائیটি উদ্ভব হয়েছে জেলা প্রশাসকের বদলি সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে মাইক্রোফোনে বক্তব্য দেয়া সময় মুফতি আমির হামজা বলেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক এখানে বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা খরচ করেছেন। ওই বক্তব্যের ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ এপ্রিল এমপিকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে বলা হয়, তার মন্তব্য সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে; তাই সাত দিনের মধ্যে তিনি বলতে বাধ্য যে, জেলা প্রশাসককে ঠিক কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কত টাকা দিয়েছেন — তা প্রমাণসহ উত্থাপন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এমপি ওই অভিযাগের স্বপক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত তাকে তলব না করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আইনজরিতরা বলছেন, প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া গুরুতর অভিযোগ করলে তা আইনত দণ্ডনীয় এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়।

মামলার পক্ষে থাকা আইনজীবী আব্দুল মজিদ বলেন, একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন অসত্য বা অনীর্দিষ্ট বক্তব্য কাম্য নয়। তিনি বলেন, সরকার দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজ করছে — সেই পরিবেশে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার আগে যথাযথ তথ্য ও প্রমাণ থাকা অবশ্যক; প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই আদালত কঠোর এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সিরাজগঞ্জের আদালত মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জের আদালত কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আদালত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এই আদেশ দেন।

এ বিচারিক کارروائیটি উদ্ভব হয়েছে জেলা প্রশাসকের বদলি সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে মাইক্রোফোনে বক্তব্য দেয়া সময় মুফতি আমির হামজা বলেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক এখানে বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা খরচ করেছেন। ওই বক্তব্যের ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ এপ্রিল এমপিকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে বলা হয়, তার মন্তব্য সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে; তাই সাত দিনের মধ্যে তিনি বলতে বাধ্য যে, জেলা প্রশাসককে ঠিক কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কত টাকা দিয়েছেন — তা প্রমাণসহ উত্থাপন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এমপি ওই অভিযাগের স্বপক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত তাকে তলব না করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আইনজরিতরা বলছেন, প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া গুরুতর অভিযোগ করলে তা আইনত দণ্ডনীয় এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়।

মামলার পক্ষে থাকা আইনজীবী আব্দুল মজিদ বলেন, একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন অসত্য বা অনীর্দিষ্ট বক্তব্য কাম্য নয়। তিনি বলেন, সরকার দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজ করছে — সেই পরিবেশে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার আগে যথাযথ তথ্য ও প্রমাণ থাকা অবশ্যক; প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই আদালত কঠোর এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।