১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন

সিরাজগঞ্জের আদালত মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

সিরাজগঞ্জের আদালত কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আদালত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এই আদেশ দেন।

এ বিচারিক کارروائیটি উদ্ভব হয়েছে জেলা প্রশাসকের বদলি সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে মাইক্রোফোনে বক্তব্য দেয়া সময় মুফতি আমির হামজা বলেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক এখানে বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা খরচ করেছেন। ওই বক্তব্যের ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ এপ্রিল এমপিকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে বলা হয়, তার মন্তব্য সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে; তাই সাত দিনের মধ্যে তিনি বলতে বাধ্য যে, জেলা প্রশাসককে ঠিক কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কত টাকা দিয়েছেন — তা প্রমাণসহ উত্থাপন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এমপি ওই অভিযাগের স্বপক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত তাকে তলব না করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আইনজরিতরা বলছেন, প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া গুরুতর অভিযোগ করলে তা আইনত দণ্ডনীয় এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়।

মামলার পক্ষে থাকা আইনজীবী আব্দুল মজিদ বলেন, একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন অসত্য বা অনীর্দিষ্ট বক্তব্য কাম্য নয়। তিনি বলেন, সরকার দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজ করছে — সেই পরিবেশে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার আগে যথাযথ তথ্য ও প্রমাণ থাকা অবশ্যক; প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই আদালত কঠোর এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

সিরাজগঞ্জের আদালত মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জের আদালত কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আদালত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এই আদেশ দেন।

এ বিচারিক کارروائیটি উদ্ভব হয়েছে জেলা প্রশাসকের বদলি সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে মাইক্রোফোনে বক্তব্য দেয়া সময় মুফতি আমির হামজা বলেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক এখানে বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা খরচ করেছেন। ওই বক্তব্যের ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ এপ্রিল এমপিকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে বলা হয়, তার মন্তব্য সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে; তাই সাত দিনের মধ্যে তিনি বলতে বাধ্য যে, জেলা প্রশাসককে ঠিক কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কত টাকা দিয়েছেন — তা প্রমাণসহ উত্থাপন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এমপি ওই অভিযাগের স্বপক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত তাকে তলব না করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আইনজরিতরা বলছেন, প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া গুরুতর অভিযোগ করলে তা আইনত দণ্ডনীয় এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়।

মামলার পক্ষে থাকা আইনজীবী আব্দুল মজিদ বলেন, একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন অসত্য বা অনীর্দিষ্ট বক্তব্য কাম্য নয়। তিনি বলেন, সরকার দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজ করছে — সেই পরিবেশে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার আগে যথাযথ তথ্য ও প্রমাণ থাকা অবশ্যক; প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই আদালত কঠোর এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।