১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

সৌদি থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ বাংলাদেশে আসছে

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি ট্যাংকার বাংলাদেশ অভিমুখে এগোচ্ছে। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে আগামী ৪ কিংবা ৫ মে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানিয়েছেন, ইয়ানবু বন্দর থেকে যাত্রা করা ট্যাংকারটি লোহিত সাগর উপকূল ঘেঁষে চলাচল করছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে নিরাপদ পথে আসা হচ্ছে। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এই চালানটি দেশের জ্বালানি সরবরাহকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে ইস্টার্ন রিফাইনারিকে ঘিরে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, সেটি কিছুটা কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অন্যদিকে ‘নর্ডিক পোলাক্স’ নামের আরেকটি ট্যাংকার একইমাত্রায় অপরিশোধিত তেল নিয়ে এখনো হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে। ইরানের বিশেষ অনুমতি না পাওয়ায় সেটি এখনও বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারেনি।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানিয়েছে, দেশে বার্ষিক জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭২ লাখ টন, যার প্রায় ৯২ শতাংশই আমদানি নির্ভর। ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড অয়েল পরিশোধন করে, যা মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার টনের বেশি জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে পরিবহন খাতেই ব্যবহার হয়েছে সবার বেশি—৬৩ শতাংশের বেশি। পাশাপাশি কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ, গৃহস্থালি ও অন্যান্য খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহৃত হয়েছে।

ধরন অনুযায়ী ডিজেল ব্যবহার সবচেয়ে বেশি, এরপর ফার্নেস অয়েল, জেট ফুয়েল, পেট্রল ও অকটেনের ব্যবহার দেখা যায়। জাহাজগুলোর আগমন ও আমদানার অগ্রগতি নজরদারির মধ্যে রয়েছে, যাতে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহে আশানুরূপ স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া

সৌদি থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ বাংলাদেশে আসছে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি ট্যাংকার বাংলাদেশ অভিমুখে এগোচ্ছে। জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে আগামী ৪ কিংবা ৫ মে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানিয়েছেন, ইয়ানবু বন্দর থেকে যাত্রা করা ট্যাংকারটি লোহিত সাগর উপকূল ঘেঁষে চলাচল করছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে নিরাপদ পথে আসা হচ্ছে। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এই চালানটি দেশের জ্বালানি সরবরাহকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে ইস্টার্ন রিফাইনারিকে ঘিরে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, সেটি কিছুটা কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অন্যদিকে ‘নর্ডিক পোলাক্স’ নামের আরেকটি ট্যাংকার একইমাত্রায় অপরিশোধিত তেল নিয়ে এখনো হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে। ইরানের বিশেষ অনুমতি না পাওয়ায় সেটি এখনও বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারেনি।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানিয়েছে, দেশে বার্ষিক জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭২ লাখ টন, যার প্রায় ৯২ শতাংশই আমদানি নির্ভর। ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড অয়েল পরিশোধন করে, যা মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার টনের বেশি জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে পরিবহন খাতেই ব্যবহার হয়েছে সবার বেশি—৬৩ শতাংশের বেশি। পাশাপাশি কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ, গৃহস্থালি ও অন্যান্য খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহৃত হয়েছে।

ধরন অনুযায়ী ডিজেল ব্যবহার সবচেয়ে বেশি, এরপর ফার্নেস অয়েল, জেট ফুয়েল, পেট্রল ও অকটেনের ব্যবহার দেখা যায়। জাহাজগুলোর আগমন ও আমদানার অগ্রগতি নজরদারির মধ্যে রয়েছে, যাতে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহে আশানুরূপ স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যায়।