০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বায়োপিক ‘মাইকেল’ আয় ২০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়াল

বিশ্বজুড়ে ‘‘কিং অফ পপ’’ মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয়তা এখনও অটুট—এটাই প্রমাণ দিল নতুন বায়োপিক ‘‘মাইকেল’’। যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ এপ্রিল মুক্তির প্রথম দিনেই ছবিটি ৩৯.৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে রেকর্ড করে এবং প্রথম সপ্তাহান্তেই তার বৈশ্বিক আয় ২০০ মিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেছে। প্রযোজনা সংস্থা লায়নসগেটের কাছে এটি মহামারীর পর পাওয়া সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সাফল্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ছবিটি আটুরোধে একযোগে ৮০টিরও বেশি দেশে মুক্তি পেয়েছে এবং সংগীতভিত্তিক বায়োপিক হিসেবে ‘‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’’র মতো সফল ছবির রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সিনেমাপ্রেমীদের প্রত্যাশা।

নির্দেশনায় ছিলেন অ্যান্টনি ফুকোয়া, প্রযোজক গ্রাহাম কিং। মাইকেল জ্যাকসনের কেন্দ্রীয় চরিত্রে নিজে জ্যাকসনের ভাতিজা জাফর জ্যাকসন অভিনয় করেছেন। দর্শক ও সমালোচকেরা একে মাইকেলের নাচ, কণ্ঠস্বর ও অঙ্গভঙ্গি কেমন করে পর্দায় জীবন্ত করে তোলা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশংসা করছেন। ছবির নির্মাণব্যয় ছিল প্রায় ১৫৫ মিলিয়ন ডলার; বড় বাজেটের একটি অংশ ব্যয় হয়েছে মহৎ পরিসরের কনসার্ট দৃশ্য এবং মাইকেলের শৈশব থেকে তার স্টারডম তৈরি হওয়া কাহিনী দৃশ্যায়নে।

তবে বক্স অফিস সাফল্যের মাঝেই সমালোচকদের মধ্যে কিছু সংশয় দেখা গেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন ছবিটি মাইকেলের জীবন থেকে বিতর্কিত কিছু অধ্যায়, বিশেষত নব্বই দশকে ওঠা অভিযোগগুলোকে এড়িয়ে গেছে। আইনি জটিলতা ও বাস্তব জীবনের নানা সীমাবদ্ধতার কারণে চিত্রনাট্যে বড় ধরনের কাটছাঁট ও পুনঃশুটিং করা হয়েছে, ফলে নির্মাতারা গল্পকে মূলত মাইকেলের সংগীত সাধনা ও তার বাবা জো জ্যাকসনের সঙ্গে পারিবারিক টানাপোড়েনের ওপর বেশি কেন্দ্রীভূত করেছেন।

প্রেক্ষাগৃহগুলোতে however দর্শকদের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো: অনেকে গান গাইছেন, নৃত্য করছেন এবং হলগুলো এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশে ভরে উঠছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা এবং মাইকেলের চিরসবুজ উত্তরাধিকার ছবিটির সাফল্যকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। বিতর্ক থাকলেও, এখনকার মুহূর্তে ‘‘মাইকেল’’ দর্শকপ্রিয়তা ও বাণিজ্যিক দিক থেকে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে; অবশিষ্ট সময়ের বক্স অফিস গতিবিধি ও পুরস্কার মরশুমে এর অবস্থান কেমন হবে, সেটাই দেখার বিষয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বায়োপিক ‘মাইকেল’ আয় ২০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়াল

প্রকাশিতঃ ১০:৩৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বজুড়ে ‘‘কিং অফ পপ’’ মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয়তা এখনও অটুট—এটাই প্রমাণ দিল নতুন বায়োপিক ‘‘মাইকেল’’। যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ এপ্রিল মুক্তির প্রথম দিনেই ছবিটি ৩৯.৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে রেকর্ড করে এবং প্রথম সপ্তাহান্তেই তার বৈশ্বিক আয় ২০০ মিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেছে। প্রযোজনা সংস্থা লায়নসগেটের কাছে এটি মহামারীর পর পাওয়া সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সাফল্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ছবিটি আটুরোধে একযোগে ৮০টিরও বেশি দেশে মুক্তি পেয়েছে এবং সংগীতভিত্তিক বায়োপিক হিসেবে ‘‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’’র মতো সফল ছবির রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সিনেমাপ্রেমীদের প্রত্যাশা।

নির্দেশনায় ছিলেন অ্যান্টনি ফুকোয়া, প্রযোজক গ্রাহাম কিং। মাইকেল জ্যাকসনের কেন্দ্রীয় চরিত্রে নিজে জ্যাকসনের ভাতিজা জাফর জ্যাকসন অভিনয় করেছেন। দর্শক ও সমালোচকেরা একে মাইকেলের নাচ, কণ্ঠস্বর ও অঙ্গভঙ্গি কেমন করে পর্দায় জীবন্ত করে তোলা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশংসা করছেন। ছবির নির্মাণব্যয় ছিল প্রায় ১৫৫ মিলিয়ন ডলার; বড় বাজেটের একটি অংশ ব্যয় হয়েছে মহৎ পরিসরের কনসার্ট দৃশ্য এবং মাইকেলের শৈশব থেকে তার স্টারডম তৈরি হওয়া কাহিনী দৃশ্যায়নে।

তবে বক্স অফিস সাফল্যের মাঝেই সমালোচকদের মধ্যে কিছু সংশয় দেখা গেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন ছবিটি মাইকেলের জীবন থেকে বিতর্কিত কিছু অধ্যায়, বিশেষত নব্বই দশকে ওঠা অভিযোগগুলোকে এড়িয়ে গেছে। আইনি জটিলতা ও বাস্তব জীবনের নানা সীমাবদ্ধতার কারণে চিত্রনাট্যে বড় ধরনের কাটছাঁট ও পুনঃশুটিং করা হয়েছে, ফলে নির্মাতারা গল্পকে মূলত মাইকেলের সংগীত সাধনা ও তার বাবা জো জ্যাকসনের সঙ্গে পারিবারিক টানাপোড়েনের ওপর বেশি কেন্দ্রীভূত করেছেন।

প্রেক্ষাগৃহগুলোতে however দর্শকদের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো: অনেকে গান গাইছেন, নৃত্য করছেন এবং হলগুলো এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশে ভরে উঠছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা এবং মাইকেলের চিরসবুজ উত্তরাধিকার ছবিটির সাফল্যকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। বিতর্ক থাকলেও, এখনকার মুহূর্তে ‘‘মাইকেল’’ দর্শকপ্রিয়তা ও বাণিজ্যিক দিক থেকে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে; অবশিষ্ট সময়ের বক্স অফিস গতিবিধি ও পুরস্কার মরশুমে এর অবস্থান কেমন হবে, সেটাই দেখার বিষয়।