সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজার সামান্য উত্থানের মধ্যেই বন্ধ হয়েছে; তবু লেনদেনের পরিমাণ দুটো প্রধান এক্সচেঞ্জেই ঘাটতি দেখা গেছে। বুধবার এই তথ্য জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রগুলো।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স দিনের শেষে ৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩১৭ পয়েন্টে। একই সঙ্গে শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৫৫ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বাড়ে করে ২ হাজার ২০ পয়েন্টে অবস্থান করেছে।
তবে লেনদেনে খানিকটা ভাঁট পড়েছে। ডিএসইতে বুধবার মোট ৮৮৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে; আগের কার্যদিবসে তা ছিল ১ হাজার ২৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ফলে দিনশ্যেষে ডিএসইতে লেনদেন প্রায় ১৩৯ কোটি টাকার কমেছে।
বাজারে মোট ৩৯৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেনের তালিকায় ছিল। এর মধ্যে ১৭৯টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ১৬৭টির কমেছে এবং ৫১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। এগুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে বাজার মিশ্র সুরে ছিল — কিছু সেক্টর সবিশেষ সাড়া দিয়েছে, অন্যগুলোতে সতর্কতা ধরা পড়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সূচক উত্থান পেয়েছে; সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩২ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৮৯৯ পয়েন্টে এসে পৌঁছেছে। সিএসইতে এদিন ২০৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে; এর মধ্যে ৯০টির দর বেড়েছে, ৮৮টির কমেছে এবং ২৫টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা; আগের কার্যদিবসে এটি ছিল ২৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা, অর্থাৎ লেনদেন কমেছে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
সংক্ষেপে, সূচকগুলোতে হালকা উত্থান থাকলেও লেনদেনের কমতি থেকে বোঝা যায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখনও সতর্কতা বজায় রয়েছে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 
























