০১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লেনদেন হাজার কোটি ছাড়াল, তবু অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বাড়ল—তবু বাজারের বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতন দেখা গেছে। দিনটি ছিল মিলিত অথচ মিলেমিশে চিত্রের: সূচক আধুনিকভাবে উঠলেও বাজারের বিস্তৃতি ছিল সংকীর্ণ।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ৩৯৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এসবের মধ্যে মাত্র ৯০টির দর বাড়েছে, বিপরীতে ২৫১টির দর কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। এই তুলনাই নির্দেশ করে যে সূচক বাড়ার পিছনে কিছু নির্দিষ্ট কপ‍ানির আত্মপ্ররোচনাই কাজ করেছে, সাধারণ তালিকাভুক্ত কোম্পানির অধিকাংশের দর হতাশাজনকভাবে নেমে এসেছে।

তবু ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স 이날 ৮ পয়েন্ট উঠে ৫,৩০৮ পয়েন্টে পৌঁছায়। অন্যদিকে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১,৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করে এবং ডিএস-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট নামিয়ে ২,০১৬ পয়েন্টে নেমে যায়। অর্থাৎ সূচক মিশ্র সংকেত দিচ্ছে—কোনো একক সূচকে সামান্য উত্থান থাকলেও শরিয়াহ ও ডিএস-৩০ এ মিশ্র প্রভাব পড়েছে।

লেনদেনের পরিমাণও ছিলেন উল্লম্ফনশীল: ডিএসইতে মোট ১,০২৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে, যা আগের কার্যদিবস সোমবারের তুলনায় ৭০ কোটি ৭২ লাখ টাকা বেশি। পূর্ববর্তী কার্যদিবসে এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন ছিল ৯৫৬ কোটি ১ লাখ টাকা। এক দিনের ব্যবধানে এই বাড়তি লেনদেন বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তাই প্রতিফলিত করছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৩৬ পয়েন্ট কমে ১৪,৮৪১ পয়েন্টে নেমে আসে। সেখানে মোট ২১৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে—যার মধ্যে ৮০টির দর বেড়েছে, ১১০টির দর কমেছে এবং ২৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। চট্টগ্রাম এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার মোট লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

সংক্ষেপে, মঙ্গলবার বাজারে লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেল সূচক-উত্থানও; কিন্তু অধিকাংশ কৃত্তিক শেয়ারের দরপতন বাজারের বিস্তৃতি সংকীর্ণতার ইঙ্গিত দেয়। বিনিয়োগকারীরা সচেতনভাবে নির্বাচিত কয়েকটি শেয়ারে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন, ফলে সূচক ওঠা-নামার পরিপ্রেক্ষিতে ভিন্ন ভিন্ন ছাপ পড়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

লেনদেন হাজার কোটি ছাড়াল, তবু অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বাড়ল—তবু বাজারের বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতন দেখা গেছে। দিনটি ছিল মিলিত অথচ মিলেমিশে চিত্রের: সূচক আধুনিকভাবে উঠলেও বাজারের বিস্তৃতি ছিল সংকীর্ণ।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ৩৯৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এসবের মধ্যে মাত্র ৯০টির দর বাড়েছে, বিপরীতে ২৫১টির দর কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। এই তুলনাই নির্দেশ করে যে সূচক বাড়ার পিছনে কিছু নির্দিষ্ট কপ‍ানির আত্মপ্ররোচনাই কাজ করেছে, সাধারণ তালিকাভুক্ত কোম্পানির অধিকাংশের দর হতাশাজনকভাবে নেমে এসেছে।

তবু ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স 이날 ৮ পয়েন্ট উঠে ৫,৩০৮ পয়েন্টে পৌঁছায়। অন্যদিকে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১,৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করে এবং ডিএস-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট নামিয়ে ২,০১৬ পয়েন্টে নেমে যায়। অর্থাৎ সূচক মিশ্র সংকেত দিচ্ছে—কোনো একক সূচকে সামান্য উত্থান থাকলেও শরিয়াহ ও ডিএস-৩০ এ মিশ্র প্রভাব পড়েছে।

লেনদেনের পরিমাণও ছিলেন উল্লম্ফনশীল: ডিএসইতে মোট ১,০২৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে, যা আগের কার্যদিবস সোমবারের তুলনায় ৭০ কোটি ৭২ লাখ টাকা বেশি। পূর্ববর্তী কার্যদিবসে এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন ছিল ৯৫৬ কোটি ১ লাখ টাকা। এক দিনের ব্যবধানে এই বাড়তি লেনদেন বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তাই প্রতিফলিত করছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৩৬ পয়েন্ট কমে ১৪,৮৪১ পয়েন্টে নেমে আসে। সেখানে মোট ২১৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে—যার মধ্যে ৮০টির দর বেড়েছে, ১১০টির দর কমেছে এবং ২৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। চট্টগ্রাম এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার মোট লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

সংক্ষেপে, মঙ্গলবার বাজারে লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা গেল সূচক-উত্থানও; কিন্তু অধিকাংশ কৃত্তিক শেয়ারের দরপতন বাজারের বিস্তৃতি সংকীর্ণতার ইঙ্গিত দেয়। বিনিয়োগকারীরা সচেতনভাবে নির্বাচিত কয়েকটি শেয়ারে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন, ফলে সূচক ওঠা-নামার পরিপ্রেক্ষিতে ভিন্ন ভিন্ন ছাপ পড়েছে।