০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জাতীয় মানসম্মত ন্যূনতম মজুরি এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি: রুহুল কবির রিজভী

মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজিত বিশাল সমাবেশে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় একগুচ্ছ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে নূন্যতম মজুরি নির্ধারিত থাকলেও একক ও জাতীয় মানসম্মত ন্যূনতম মজুরি এখনও কার্যত প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন বলে তিনি জোর দিয়ে বলেন।

দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতে সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় রিজভী দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে থাকা শ্রমিক বিরতসহ বিচারযোগ্য মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মনে করান যে বলিষ্ঠ জাতীয় নীতি ও দ্রুত বিচারে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হলে তাদের জীবনমান দ্রুত উন্নতি পাবে।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে বর্তমান সরকারের প্রাথমিক উদ্যোগগুলো সম্পর্কে এংকটি ইতিবাচক মূল্যায়ন করেন রিজভী। তার বক্তব্যে বলা হয়, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সরকারের শুরুটা নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে। বিশেষ করে কৃষক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ, সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট নিরসনে নেওয়া নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তিনি সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসের ক্ষতিপূরণ প্রদানের সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক দক্ষতার নমুনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তবুও এই সফলতার ধারাকে ভবিষ্যতেও ধরে রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

রিজভী ছিলেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শ্রমিকবান্ধব অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করে বলেন, দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানাগুলো পুনরায় সচল করা এখন সময়ের দাবি। পাশাপাশি বিদ্যুতের খাতে থাকা নীতিগুলো পুনর্বিবেচনা করে সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা জরুরি। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা ও তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকারের একটি প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খানসহ আরও শীর্ষস্থানীয় নেতা ও কর্মীবৃন্দ। সমাবেশে শ্রমিক লীগ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জাতীয় মানসম্মত ন্যূনতম মজুরি এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি: রুহুল কবির রিজভী

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজিত বিশাল সমাবেশে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় একগুচ্ছ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে নূন্যতম মজুরি নির্ধারিত থাকলেও একক ও জাতীয় মানসম্মত ন্যূনতম মজুরি এখনও কার্যত প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন বলে তিনি জোর দিয়ে বলেন।

দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতে সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় রিজভী দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে থাকা শ্রমিক বিরতসহ বিচারযোগ্য মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মনে করান যে বলিষ্ঠ জাতীয় নীতি ও দ্রুত বিচারে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হলে তাদের জীবনমান দ্রুত উন্নতি পাবে।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে বর্তমান সরকারের প্রাথমিক উদ্যোগগুলো সম্পর্কে এংকটি ইতিবাচক মূল্যায়ন করেন রিজভী। তার বক্তব্যে বলা হয়, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সরকারের শুরুটা নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে। বিশেষ করে কৃষক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ, সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট নিরসনে নেওয়া নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তিনি সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসের ক্ষতিপূরণ প্রদানের সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক দক্ষতার নমুনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তবুও এই সফলতার ধারাকে ভবিষ্যতেও ধরে রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

রিজভী ছিলেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শ্রমিকবান্ধব অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করে বলেন, দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানাগুলো পুনরায় সচল করা এখন সময়ের দাবি। পাশাপাশি বিদ্যুতের খাতে থাকা নীতিগুলো পুনর্বিবেচনা করে সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা জরুরি। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা ও তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকারের একটি প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খানসহ আরও শীর্ষস্থানীয় নেতা ও কর্মীবৃন্দ। সমাবেশে শ্রমিক লীগ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।