১১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় মানসম্মত ন্যূনতম মজুরি এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি: রুহুল কবির রিজভী

মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজিত বিশাল সমাবেশে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় একগুচ্ছ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে নূন্যতম মজুরি নির্ধারিত থাকলেও একক ও জাতীয় মানসম্মত ন্যূনতম মজুরি এখনও কার্যত প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন বলে তিনি জোর দিয়ে বলেন।

দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতে সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় রিজভী দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে থাকা শ্রমিক বিরতসহ বিচারযোগ্য মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মনে করান যে বলিষ্ঠ জাতীয় নীতি ও দ্রুত বিচারে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হলে তাদের জীবনমান দ্রুত উন্নতি পাবে।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে বর্তমান সরকারের প্রাথমিক উদ্যোগগুলো সম্পর্কে এংকটি ইতিবাচক মূল্যায়ন করেন রিজভী। তার বক্তব্যে বলা হয়, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সরকারের শুরুটা নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে। বিশেষ করে কৃষক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ, সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট নিরসনে নেওয়া নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তিনি সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসের ক্ষতিপূরণ প্রদানের সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক দক্ষতার নমুনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তবুও এই সফলতার ধারাকে ভবিষ্যতেও ধরে রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

রিজভী ছিলেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শ্রমিকবান্ধব অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করে বলেন, দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানাগুলো পুনরায় সচল করা এখন সময়ের দাবি। পাশাপাশি বিদ্যুতের খাতে থাকা নীতিগুলো পুনর্বিবেচনা করে সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা জরুরি। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা ও তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকারের একটি প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খানসহ আরও শীর্ষস্থানীয় নেতা ও কর্মীবৃন্দ। সমাবেশে শ্রমিক লীগ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় মানসম্মত ন্যূনতম মজুরি এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি: রুহুল কবির রিজভী

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজিত বিশাল সমাবেশে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় একগুচ্ছ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে নূন্যতম মজুরি নির্ধারিত থাকলেও একক ও জাতীয় মানসম্মত ন্যূনতম মজুরি এখনও কার্যত প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন বলে তিনি জোর দিয়ে বলেন।

দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতে সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় রিজভী দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলে থাকা শ্রমিক বিরতসহ বিচারযোগ্য মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মনে করান যে বলিষ্ঠ জাতীয় নীতি ও দ্রুত বিচারে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হলে তাদের জীবনমান দ্রুত উন্নতি পাবে।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে বর্তমান সরকারের প্রাথমিক উদ্যোগগুলো সম্পর্কে এংকটি ইতিবাচক মূল্যায়ন করেন রিজভী। তার বক্তব্যে বলা হয়, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সরকারের শুরুটা নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে। বিশেষ করে কৃষক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ, সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট নিরসনে নেওয়া নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। তিনি সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসের ক্ষতিপূরণ প্রদানের সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক দক্ষতার নমুনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তবুও এই সফলতার ধারাকে ভবিষ্যতেও ধরে রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

রিজভী ছিলেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শ্রমিকবান্ধব অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করে বলেন, দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানাগুলো পুনরায় সচল করা এখন সময়ের দাবি। পাশাপাশি বিদ্যুতের খাতে থাকা নীতিগুলো পুনর্বিবেচনা করে সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা জরুরি। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা ও তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকারের একটি প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খানসহ আরও শীর্ষস্থানীয় নেতা ও কর্মীবৃন্দ। সমাবেশে শ্রমিক লীগ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।