১০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রিজভী: দিল্লিকে সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বারবার সীমান্তে রক্তপাত হলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠেনা—তাই দিল্লিকে অবশ্যই এই রক্তপাত বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে হলে তারা সহিংসতার মনবৃত্তি ত্যাগ করতে হবে, তিনি বলেছেন।

রোববার ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিল ২০২৬ এ বক্তব্যকালে রিজভী এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খুবই সুন্দর—অনেকে বলে ‘ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার’। তবুও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তে দুইজনকে গুলি করে হত্যা করা হলো। এ ধরনের ঘটনার কি আলামত? এটি আমাদের দেশ; আমাদের মানুষ ইচ্ছা করলে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে এবং নিজেদের ভাগ্য নিজেদের হাতে পরিচালনা করবে। একইভাবে ভারতও তাদের ভাগ্য ঠিক করবে। আমরা চাই—দুই দেশের মানুষ সুখে শান্তিতে থাকুক এবং সৎ প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্ব প্রসারিত হোক।’’

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার। সরকার গণমাধ্যম ও সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষ—যাঁরা উন্নয়ন ও উৎপাদনে ভূমিকা রাখেন—তাঁদের স্বার্থ রক্ষা করেই কাজ করবে; এ বিষয়ে কোনো পিছুটান হবে না। যদি এটি স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট বা বেনির্বাচিত কোনো সরকার হত, পরিস্থিতি আলাদা হতো, মত দেখান রিজভী।

রিজভী বলেন, প্রায় ১৬–১৭ বছর পর দেশে প্রতিযোগিতামূলক এবং জনগণীয় ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ অর্জনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি-দাওয়া, সংগ্রাম, রাজপথের আন্দোলন, নিপীড়ন-নির্যাতন, গুম-খুন ও গুপ্তহত্যাসহ নানা কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন সেই সংগ্রামের চূড়ান্ত পরিণতি এনে দিয়েছে। এজন্যই তিনি আশা করেন যে বর্তমান সরকার সবক্ষেত্রেই ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

রিজভীর মন্তব্যগুলো সীমান্ত নিরাপত্তা, প্রতিবেশী সম্পর্ক ও দেশের গণতান্ত্রিক অর্জন সংক্রান্ত উদ্বেগ ও আশা একযোগে প্রকাশ করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

রিজভী: দিল্লিকে সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বারবার সীমান্তে রক্তপাত হলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠেনা—তাই দিল্লিকে অবশ্যই এই রক্তপাত বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে হলে তারা সহিংসতার মনবৃত্তি ত্যাগ করতে হবে, তিনি বলেছেন।

রোববার ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিল ২০২৬ এ বক্তব্যকালে রিজভী এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খুবই সুন্দর—অনেকে বলে ‘ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার’। তবুও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তে দুইজনকে গুলি করে হত্যা করা হলো। এ ধরনের ঘটনার কি আলামত? এটি আমাদের দেশ; আমাদের মানুষ ইচ্ছা করলে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে এবং নিজেদের ভাগ্য নিজেদের হাতে পরিচালনা করবে। একইভাবে ভারতও তাদের ভাগ্য ঠিক করবে। আমরা চাই—দুই দেশের মানুষ সুখে শান্তিতে থাকুক এবং সৎ প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্ব প্রসারিত হোক।’’

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার। সরকার গণমাধ্যম ও সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষ—যাঁরা উন্নয়ন ও উৎপাদনে ভূমিকা রাখেন—তাঁদের স্বার্থ রক্ষা করেই কাজ করবে; এ বিষয়ে কোনো পিছুটান হবে না। যদি এটি স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট বা বেনির্বাচিত কোনো সরকার হত, পরিস্থিতি আলাদা হতো, মত দেখান রিজভী।

রিজভী বলেন, প্রায় ১৬–১৭ বছর পর দেশে প্রতিযোগিতামূলক এবং জনগণীয় ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ অর্জনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি-দাওয়া, সংগ্রাম, রাজপথের আন্দোলন, নিপীড়ন-নির্যাতন, গুম-খুন ও গুপ্তহত্যাসহ নানা কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন সেই সংগ্রামের চূড়ান্ত পরিণতি এনে দিয়েছে। এজন্যই তিনি আশা করেন যে বর্তমান সরকার সবক্ষেত্রেই ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

রিজভীর মন্তব্যগুলো সীমান্ত নিরাপত্তা, প্রতিবেশী সম্পর্ক ও দেশের গণতান্ত্রিক অর্জন সংক্রান্ত উদ্বেগ ও আশা একযোগে প্রকাশ করছে।