০৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মেটাল কার্ডের প্রলোভন থেকে সতর্ক করলেন বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য জালিয়াতি রোধের জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে। বৃহস্পতিবার রাতেই ব্যাংকের ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে গ্রাহকদের উদ্দেশে জানানো হয় যে, কিছু অননুমোদিত তৃতীয় পক্ষ প্লাস্টিক কার্ডকে “আকর্ষণীয়” মেটাল কার্ডে রূপান্তরের প্রলোভন দেখাচ্ছে — যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত গ্রাহকদের কার্ড নম্বর, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এবং সিভিভি (CVV) মতো সংবেদনশীল তথ্য ওই তৃতীয়-পক্ষের কাছে শেয়ার করতে বলা হয়। এসব প্রতিষ্ঠান কোনো ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদিত নয়; ফলে তথ্য ফাঁস, অননুমোদিত লেনদেন ও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করেছে যে, কার্ডের গোপনীয়তা নষ্ট হলে সামগ্রিক কার্ড ব্যবস্থাপনাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ব্যাংক গ্রাহকদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছে— কোনো তৃতীয় পক্ষকে কার্ড সংক্রান্ত তথ্য বা প্লাস্টিক কার্ড মেটালে রূপান্তরের প্রস্তাব গ্রহণ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কার্ড-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ করলে শুধুমাত্র নিজেদের ব্যাংকের অনুমোদিত চ্যানেল ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে কখনোই ওটিপি (OTP) বা কার্ডের কোনো বিবরণ কারো সঙ্গে শেয়ার করবেন না।

যদি অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ লক্ষ্য করেন, দেরি না করে আপনার ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে যে, ব্যাংকগুলো গ্রাহকের আর্থিক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়, কিন্তু ব্যবহারকারীদের সতর্কতা ছাড়া বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। গ্রাহকদের নিরাপদ থাকার জন্য নিজের তথ্য গোপন রাখা, অনুমোদিত চ্যানেল যাচাই করা এবং সন্দেহজনক প্রস্তাবে অনড়ভাবে না বলা অপরিহার্য বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মেটাল কার্ডের প্রলোভন থেকে সতর্ক করলেন বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য জালিয়াতি রোধের জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে। বৃহস্পতিবার রাতেই ব্যাংকের ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে গ্রাহকদের উদ্দেশে জানানো হয় যে, কিছু অননুমোদিত তৃতীয় পক্ষ প্লাস্টিক কার্ডকে “আকর্ষণীয়” মেটাল কার্ডে রূপান্তরের প্রলোভন দেখাচ্ছে — যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত গ্রাহকদের কার্ড নম্বর, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এবং সিভিভি (CVV) মতো সংবেদনশীল তথ্য ওই তৃতীয়-পক্ষের কাছে শেয়ার করতে বলা হয়। এসব প্রতিষ্ঠান কোনো ব্যাংক বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদিত নয়; ফলে তথ্য ফাঁস, অননুমোদিত লেনদেন ও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করেছে যে, কার্ডের গোপনীয়তা নষ্ট হলে সামগ্রিক কার্ড ব্যবস্থাপনাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ব্যাংক গ্রাহকদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছে— কোনো তৃতীয় পক্ষকে কার্ড সংক্রান্ত তথ্য বা প্লাস্টিক কার্ড মেটালে রূপান্তরের প্রস্তাব গ্রহণ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কার্ড-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ করলে শুধুমাত্র নিজেদের ব্যাংকের অনুমোদিত চ্যানেল ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে কখনোই ওটিপি (OTP) বা কার্ডের কোনো বিবরণ কারো সঙ্গে শেয়ার করবেন না।

যদি অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ লক্ষ্য করেন, দেরি না করে আপনার ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে যে, ব্যাংকগুলো গ্রাহকের আর্থিক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়, কিন্তু ব্যবহারকারীদের সতর্কতা ছাড়া বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। গ্রাহকদের নিরাপদ থাকার জন্য নিজের তথ্য গোপন রাখা, অনুমোদিত চ্যানেল যাচাই করা এবং সন্দেহজনক প্রস্তাবে অনড়ভাবে না বলা অপরিহার্য বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে।