০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তে দেশের মানুষ পানির ন্যায্য অংশ থেকে বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবসের তৎপরতায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, আওয়ামী লীগের পরিচালনায় দেশের মানুষ তাদের ন্যায্য পানির অংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি বলেন, ভারতের ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের স্বার্থ অনাদরে রেখে চলেছে; যার প্রভাব এখনো দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহভাবে দেখা যায়।

১৬ মে প্রকাশিত এক বাণীতে মির্জা ফখরুল স্মরণ করান যে, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ গঙ্গার ন্যায্য পানির দাবিতে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক লংমার্চে অংশ নেন। সেই আন্দোলন ছিল জাতির পক্ষে পানির অধিকার প্রতিষ্ঠার তাৎপর্যপূর্ণ সংগ্রাম।

তিনি আরও বলেন, ভারতের ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণের কারণে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ব্যাপকভাবে শুষ্ক ও অনাবিষ্কৃত ভূমিতে পরিণত হয়েছে; পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হয়ে সেখানে জীববৈচিত্র্য ও কৃষি সবই বিঘ্নিত হয়েছে। মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন যে, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি উপেক্ষা করেই তৎকালীন সরকার পরীক্ষামূলকভাবে বাঁধ চালুর অনুমতি দেয়—যা এখন ‘‘মরণফাঁদে’’ পরিণত হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও প্রাসঙ্গিক কনভেনশনকে গুরুত্ব না দিয়ে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ এবং একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহারের অভিযোগ রয়েছে, যা বাংলাদেশের স্বার্থ ও অস্তিত্বের জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে কাজ করছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, মাওলানা ভাসানী তখন জনতার সঙ্গে নিয়ে ফারাক্কা অভিমুখে যে ঐতিহাসিক মিছিল করেন, তা শুধু ভারতের নীতির প্রতিবাদই ছিল না, সেই আন্দোলন বিশ্ব সম্প্রদায়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এরপর থেকেই ফারাক্কার বিরূপ প্রভাব আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও আলোচিত হতে শুরু করে।

তিনি দলের পক্ষ থেকে ফারাক্কা দিবসের তাৎপর্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতিকে জীবন্ত রাখার আহ্বান জানান এবং এ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তে দেশের মানুষ পানির ন্যায্য অংশ থেকে বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবসের তৎপরতায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, আওয়ামী লীগের পরিচালনায় দেশের মানুষ তাদের ন্যায্য পানির অংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি বলেন, ভারতের ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের স্বার্থ অনাদরে রেখে চলেছে; যার প্রভাব এখনো দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহভাবে দেখা যায়।

১৬ মে প্রকাশিত এক বাণীতে মির্জা ফখরুল স্মরণ করান যে, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ গঙ্গার ন্যায্য পানির দাবিতে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক লংমার্চে অংশ নেন। সেই আন্দোলন ছিল জাতির পক্ষে পানির অধিকার প্রতিষ্ঠার তাৎপর্যপূর্ণ সংগ্রাম।

তিনি আরও বলেন, ভারতের ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণের কারণে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ব্যাপকভাবে শুষ্ক ও অনাবিষ্কৃত ভূমিতে পরিণত হয়েছে; পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হয়ে সেখানে জীববৈচিত্র্য ও কৃষি সবই বিঘ্নিত হয়েছে। মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন যে, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি উপেক্ষা করেই তৎকালীন সরকার পরীক্ষামূলকভাবে বাঁধ চালুর অনুমতি দেয়—যা এখন ‘‘মরণফাঁদে’’ পরিণত হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও প্রাসঙ্গিক কনভেনশনকে গুরুত্ব না দিয়ে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ এবং একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহারের অভিযোগ রয়েছে, যা বাংলাদেশের স্বার্থ ও অস্তিত্বের জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে কাজ করছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, মাওলানা ভাসানী তখন জনতার সঙ্গে নিয়ে ফারাক্কা অভিমুখে যে ঐতিহাসিক মিছিল করেন, তা শুধু ভারতের নীতির প্রতিবাদই ছিল না, সেই আন্দোলন বিশ্ব সম্প্রদায়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এরপর থেকেই ফারাক্কার বিরূপ প্রভাব আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও আলোচিত হতে শুরু করে।

তিনি দলের পক্ষ থেকে ফারাক্কা দিবসের তাৎপর্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতিকে জীবন্ত রাখার আহ্বান জানান এবং এ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।