০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নেটফ্লিক্সে ‘ধুরন্ধর ২’—আনকাট সংস্করণে নির্মমতা আরও তীব্র

আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে জনপ্রিয় স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’-এর আনকাট সংস্করণ, যা প্রেক্ষাগৃহে দেখানো সংস্করণের তুলনায় অনেক বেশি নির্মম ও টনক নাড়া দেয়ার মতো বলে দর্শকেরা মনে করছেন। পরিচালক আদিত্য ধরের নির্মিত এই সংস্করণটি ১৪ মে থেকে নেটফ্লিক্সে চালু হলেও এর দৈর্ঘ্য ও চিত্রায়নের কোরবিট নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। প্রেক্ষাগৃহ সংস্করণ থেকে যেসব দৃশ্য কেটে নেওয়া হয়েছিল—সেগুলোই এই সেন্সরবিহীন কেটে ছাঁটা হয়নি।

৩ ঘণ্টা ৫২ মিনিট দীর্ঘ এই আনকাট ভার্সনে অনেক রূপান্তর এবং গ্রাফিক দৃশ্য সংযোজন করা হয়েছে। এতে গলা কাটা, মাথা থেঁতলে দেওয়ার মতো চমকপ্রদ ও রক্তাক্ত একাধিক অ্যাকশন সিকোয়েন্স রাখা হয়েছে; এমনকি উজাইর বালোচের চরিত্রে আরশাদ পাপ্পুর কাটা মাথা নিয়ে ফুটবলের মতো খেলা করার চরম নির্মম দৃশ্যও এখানে রয়েছে। অনেক দর্শক মনে করছেন, কাটছাঁট না থাকায় সিনেমার মূল টোন ও কাহিনির নির্মমতা আরও বাস্তবসম্মতভাবে উঠে এসেছে।

ফিল্মে প্রধান চরিত্রে রয়েছেন রণবীর সিং; পাশাপাশি অর্জুন রামপাল, আর মাধবন ও সঞ্জয় দত্তের মতো অভিনেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গেছে। আদিত্য ধর গোয়েন্দা ও অন্ধকার জগতের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন, যা আনকাট সংস্করণে আগের চেয়ে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। সেন্সর বোর্ডের কাঁচি না থাকায় চরিত্রগুলোর সংলাপ, গালিগালাজ ও অভিব্যক্তি কোনো ছেঁটাই ছাড়া রাখা হয়েছে—ফলত: গল্পের প্রেক্ষাপট দর্শকের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য ও তীক্ষ্ণ লাগে।

তবে সব বিদেশি দর্শক এই সংস্করণটি দেখলেও ভারতে তা এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। আইপি সংক্রান্ত একটি আইনি জটিলতার কারণে ছবিটি ভারতে এখনও ডিজিটাল রিলিজ পায়নি। পরিচালক আদিত্য ধর বোম্বে হাইকোর্টকে জানিয়েছে যে, আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত মে মাসের মাঝামাঝি আগে ভারতে এটি কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা সম্ভব হবে না। সূত্রে আরও জানানো হয়েছে যে, পরে ভারতের নিজস্ব ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিও-হটস্টারে মুক্তির সময় দর্শকদের কেবল সেন্সর বোর্ড অনুমোদিত প্রেক্ষাগৃহ সংস্করণটিই দেখতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ধুরন্ধর ২’–এর আনকাট সংস্করণ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একাংশ দর্শক এর নির্মাণশৈলী ও সাহসী প্রেজেন্টেশনের প্রশংসা করছেন; অন্যরা ছবির অতিরিক্ত সহিংসতা এবং গ্রাফিক মিনুটগুলোকে উদ্বেগের সঙ্গে দেখছেন। নেটফ্লিক্সে এই আনকাট ভার্সন বিদেশি বাজারে ছবিটির খোলনলচে জনপ্রিয়তা ও আলোচনার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, আইনি জটিলতা মিটলেই ভারতে ছবিটি কবে ও কীভাবে মুক্তি পাবে এবং সেটি দেশের দর্শক সমাজে কেমন প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নেটফ্লিক্সে ‘ধুরন্ধর ২’—আনকাট সংস্করণে নির্মমতা আরও তীব্র

প্রকাশিতঃ ১০:৩৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে জনপ্রিয় স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’-এর আনকাট সংস্করণ, যা প্রেক্ষাগৃহে দেখানো সংস্করণের তুলনায় অনেক বেশি নির্মম ও টনক নাড়া দেয়ার মতো বলে দর্শকেরা মনে করছেন। পরিচালক আদিত্য ধরের নির্মিত এই সংস্করণটি ১৪ মে থেকে নেটফ্লিক্সে চালু হলেও এর দৈর্ঘ্য ও চিত্রায়নের কোরবিট নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। প্রেক্ষাগৃহ সংস্করণ থেকে যেসব দৃশ্য কেটে নেওয়া হয়েছিল—সেগুলোই এই সেন্সরবিহীন কেটে ছাঁটা হয়নি।

৩ ঘণ্টা ৫২ মিনিট দীর্ঘ এই আনকাট ভার্সনে অনেক রূপান্তর এবং গ্রাফিক দৃশ্য সংযোজন করা হয়েছে। এতে গলা কাটা, মাথা থেঁতলে দেওয়ার মতো চমকপ্রদ ও রক্তাক্ত একাধিক অ্যাকশন সিকোয়েন্স রাখা হয়েছে; এমনকি উজাইর বালোচের চরিত্রে আরশাদ পাপ্পুর কাটা মাথা নিয়ে ফুটবলের মতো খেলা করার চরম নির্মম দৃশ্যও এখানে রয়েছে। অনেক দর্শক মনে করছেন, কাটছাঁট না থাকায় সিনেমার মূল টোন ও কাহিনির নির্মমতা আরও বাস্তবসম্মতভাবে উঠে এসেছে।

ফিল্মে প্রধান চরিত্রে রয়েছেন রণবীর সিং; পাশাপাশি অর্জুন রামপাল, আর মাধবন ও সঞ্জয় দত্তের মতো অভিনেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গেছে। আদিত্য ধর গোয়েন্দা ও অন্ধকার জগতের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন, যা আনকাট সংস্করণে আগের চেয়ে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। সেন্সর বোর্ডের কাঁচি না থাকায় চরিত্রগুলোর সংলাপ, গালিগালাজ ও অভিব্যক্তি কোনো ছেঁটাই ছাড়া রাখা হয়েছে—ফলত: গল্পের প্রেক্ষাপট দর্শকের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য ও তীক্ষ্ণ লাগে।

তবে সব বিদেশি দর্শক এই সংস্করণটি দেখলেও ভারতে তা এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। আইপি সংক্রান্ত একটি আইনি জটিলতার কারণে ছবিটি ভারতে এখনও ডিজিটাল রিলিজ পায়নি। পরিচালক আদিত্য ধর বোম্বে হাইকোর্টকে জানিয়েছে যে, আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত মে মাসের মাঝামাঝি আগে ভারতে এটি কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা সম্ভব হবে না। সূত্রে আরও জানানো হয়েছে যে, পরে ভারতের নিজস্ব ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিও-হটস্টারে মুক্তির সময় দর্শকদের কেবল সেন্সর বোর্ড অনুমোদিত প্রেক্ষাগৃহ সংস্করণটিই দেখতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ধুরন্ধর ২’–এর আনকাট সংস্করণ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একাংশ দর্শক এর নির্মাণশৈলী ও সাহসী প্রেজেন্টেশনের প্রশংসা করছেন; অন্যরা ছবির অতিরিক্ত সহিংসতা এবং গ্রাফিক মিনুটগুলোকে উদ্বেগের সঙ্গে দেখছেন। নেটফ্লিক্সে এই আনকাট ভার্সন বিদেশি বাজারে ছবিটির খোলনলচে জনপ্রিয়তা ও আলোচনার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, আইনি জটিলতা মিটলেই ভারতে ছবিটি কবে ও কীভাবে মুক্তি পাবে এবং সেটি দেশের দর্শক সমাজে কেমন প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে।