১০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাংলাদেশের ওষুধ ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবসে প্রধানমন্ত্রী: টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন অপরিহার্য সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে আনসার-ভিডিপির ভূমিকা শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে ১৪০ দেশে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্যাংক সংস্কারের জন্য রাজনৈতিক সুশাসন অপরিহার্য: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ছয় দফা দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ছয় দফা দাবিতে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ১২ আগস্ট আসছে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ — ইউরোপে দৃশ্যমান কূটনৈতিক উদ্যোগে ভারত থেকে ৯১ বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও ৪টি মাছ ধরা নৌকা দেশে ফিরেছে পল্লবী কাণ্ডে দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ওষুধ ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বলেন, দেশের ওষুধশিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত শক্ত অবস্থান গড়ে তুলছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের তৈরি ওষুধ বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, স্থানীয়ভাবে টিকা উৎপাদন সক্ষমতা অর্জিত হলে রপ্তানির পরিধি আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। টিকা উৎপাদন শক্ত হলে দেশের ঔষধ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে আরও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি অতীত সরকারের সময়ে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ও টিকা উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যথাযোগ্য উন্নতি ঘটেনি উল্লেখ করে বলেন, তখন ভেন্টিলেটর, সিরিঞ্জের মতো জরুরি চিকিৎসা উপকরণের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। পরে বেসরকারি খাতের সহায়তায় এসব ক্রিজিস মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও মন্ত্রী আশ্বাস দেন। তিনি জানান, রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিতের জন্য বাংলাদেশ ওষুধশিল্প সমিতি (BPMA) এক লাখ ইউনিট শিরাপথে প্রয়োগযোগ্য স্যালাইন অনুদান করেছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মজুতাগারে ওই এক লাখ স্যালাইন রাখা আছে এবং উপজেলা পর্যায়েও প্রতিটি স্থানে ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার ইউনিট স্যালাইন মজুদ রয়েছে। প্রয়োজন পড়লে আরও সরবরাহ দ্রুত নিশ্চিত করার প্রস্তুতি নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আদ-দ্বীন হাসপাতালে ঘটেছে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে আরও দুইদিন সময় দেওয়া হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না এলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার দিকে এগোয়া হবে।

এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ. মুহিত বলেন, ডেঙ্গু মৌসুম শুরু হওয়ার আগে ইতোমধ্যেই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীর আক্রান্তহার কমানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য স্বাস্থ্য খাত প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সরকারি, বেসরকারি ও স্থানীয় সমাজ—সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণসহ স্বাস্থ্যখাতের সার্বিক উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতেও রোগীরা দ্রুত ও মানসম্মত সেবা পায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবসে প্রধানমন্ত্রী: টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন অপরিহার্য

বাংলাদেশের ওষুধ ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বলেন, দেশের ওষুধশিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত শক্ত অবস্থান গড়ে তুলছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের তৈরি ওষুধ বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, স্থানীয়ভাবে টিকা উৎপাদন সক্ষমতা অর্জিত হলে রপ্তানির পরিধি আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। টিকা উৎপাদন শক্ত হলে দেশের ঔষধ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে আরও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি অতীত সরকারের সময়ে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ও টিকা উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যথাযোগ্য উন্নতি ঘটেনি উল্লেখ করে বলেন, তখন ভেন্টিলেটর, সিরিঞ্জের মতো জরুরি চিকিৎসা উপকরণের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। পরে বেসরকারি খাতের সহায়তায় এসব ক্রিজিস মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও মন্ত্রী আশ্বাস দেন। তিনি জানান, রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিতের জন্য বাংলাদেশ ওষুধশিল্প সমিতি (BPMA) এক লাখ ইউনিট শিরাপথে প্রয়োগযোগ্য স্যালাইন অনুদান করেছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মজুতাগারে ওই এক লাখ স্যালাইন রাখা আছে এবং উপজেলা পর্যায়েও প্রতিটি স্থানে ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার ইউনিট স্যালাইন মজুদ রয়েছে। প্রয়োজন পড়লে আরও সরবরাহ দ্রুত নিশ্চিত করার প্রস্তুতি নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আদ-দ্বীন হাসপাতালে ঘটেছে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে আরও দুইদিন সময় দেওয়া হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না এলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার দিকে এগোয়া হবে।

এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ. মুহিত বলেন, ডেঙ্গু মৌসুম শুরু হওয়ার আগে ইতোমধ্যেই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীর আক্রান্তহার কমানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য স্বাস্থ্য খাত প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সরকারি, বেসরকারি ও স্থানীয় সমাজ—সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণসহ স্বাস্থ্যখাতের সার্বিক উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতেও রোগীরা দ্রুত ও মানসম্মত সেবা পায়।