১০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাংলাদেশের ওষুধ ১৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবসে প্রধানমন্ত্রী: টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন অপরিহার্য সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে আনসার-ভিডিপির ভূমিকা শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে ১৪০ দেশে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্যাংক সংস্কারের জন্য রাজনৈতিক সুশাসন অপরিহার্য: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ছয় দফা দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ছয় দফা দাবিতে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ১২ আগস্ট আসছে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ — ইউরোপে দৃশ্যমান কূটনৈতিক উদ্যোগে ভারত থেকে ৯১ বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও ৪টি মাছ ধরা নৌকা দেশে ফিরেছে পল্লবী কাণ্ডে দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবসে প্রধানমন্ত্রী: টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন অপরিহার্য

প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে এখন উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা অপরিহার্য — এ উদ্বেগ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভোক্তারা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন; তারা আর শুধু পণ্যের গুণমান দেখে না, উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিবেশগত প্রভাবও বিবেচনায় রাখেন। তাই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আমাদের উৎপাদন ব্যবস্থা পরিবর্তন করে উন্নত ও টেকসই করতেই হবে।

সোমবার (৮ জুন) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও লিখেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস প্রতি বছর আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণমান ও আস্থার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে জানান, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (IAF) ও ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (ILAC) প্রতিবছর ৯ জুন বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস পালন করে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘Innovation, Trust and Sustainability: The Power of Accreditation’ সমসাময়িক ও তাৎপর্যপূর্ণ; কারণ বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা ও টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত এবং এগুলোই অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি।

তিনি জানান, অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। এটি কেবল একটি সনদ নয়, বরং দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার শক্তিশালী হাতিয়ার। সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) দেশের পণ্য ও সেবাকে বিশ্ববাজারে অধিক গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে।

এখন পর্যন্ত বিএবি ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে এই কার্যক্রম পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে বাস্তবায়িত হয়।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নকে দ্রুততর করবে। তিনি দিবসের সফলতা ও এর মাধ্যমে অর্জিত অগ্রগতির জন্য শুভকামনা জানান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবসে প্রধানমন্ত্রী: টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন অপরিহার্য

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবসে প্রধানমন্ত্রী: টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন অপরিহার্য

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে এখন উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা অপরিহার্য — এ উদ্বেগ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভোক্তারা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন; তারা আর শুধু পণ্যের গুণমান দেখে না, উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিবেশগত প্রভাবও বিবেচনায় রাখেন। তাই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আমাদের উৎপাদন ব্যবস্থা পরিবর্তন করে উন্নত ও টেকসই করতেই হবে।

সোমবার (৮ জুন) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও লিখেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস প্রতি বছর আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণমান ও আস্থার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে জানান, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (IAF) ও ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (ILAC) প্রতিবছর ৯ জুন বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস পালন করে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘Innovation, Trust and Sustainability: The Power of Accreditation’ সমসাময়িক ও তাৎপর্যপূর্ণ; কারণ বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা ও টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত এবং এগুলোই অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি।

তিনি জানান, অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। এটি কেবল একটি সনদ নয়, বরং দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার শক্তিশালী হাতিয়ার। সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) দেশের পণ্য ও সেবাকে বিশ্ববাজারে অধিক গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে।

এখন পর্যন্ত বিএবি ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে এই কার্যক্রম পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে বাস্তবায়িত হয়।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নকে দ্রুততর করবে। তিনি দিবসের সফলতা ও এর মাধ্যমে অর্জিত অগ্রগতির জন্য শুভকামনা জানান।