০৮:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমাতে বাপেক্সকে পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে: ইকবাল হাসান মাহমুদ কুনমিং—চট্টগ্রাম সরাসরি সড়ক ও তিস্তায় ব্যারেজসহ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার উদ্যোগ নেই, বরং করজট কমানোর প্রস্তাব: এনবিআর চেয়ারম্যান ২০২৬-২৭ বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের বরাদ্দ বাড়ল ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা সীমান্তে জোরপূর্বক ‘পুশ-ইন’ নিয়ে আসকের উদ্বেগ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ নিয়ে উদ্বেগ, মানবিক সমাধানের আহ্বান—আসক দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠনে ব্যয়ে প্রায় ৪০ হাজার কোটি সব নাগরিক পাবেন ই-হেলথ কার্ড, গঠিত হবে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট: ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব বৃহত্তম বাজেট পেস—অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোগ্যপণ্যের ব্যয় কমানো লক্ষ্য

ইরান ফের হামলা: জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আঘাত

উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)-এর কড়া নিন্দার একদিন পর বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত তিনটি দেশে ফের সামরিক হামলা চালায় ইরান। তেহরান জানিয়েছে, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রীয় বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গালফ নিউজ জানিয়েছে শুধুমাত্র জর্ডানে ইরান থেকে ছোড়া প্রায় ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভেদে পাঠানো হয়েছিল। জর্ডানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে তারা ওই ২০টি ক্ষেপণাস্ত্রকে প্রতিহত করেছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে কুয়েত ও বাহরাইনের বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মোট ১৮টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে তারা হামলা চালিয়েছিল। একই সঙ্গে আইআরজিসি বলেছে বাহরাইনে মোতায়েন মার্কিন নৌবহর, বিশেষ করে পঞ্চম নৌবহরের ওপরও হামলা চালানো হয়েছে।

বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানি ড্রোন প্রতিহত করার সময় ছিন্নভিন্ন হওয়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে হামাদ শহর ও রাজধানী মানামায় বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এক ১১ বছর বয়সী কিশোরী সামান্য আহত হয়েছে। কুয়েত জানিয়েছে ইরানি হামলার কারণে তারা সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করে রেখেছিল।

এর আগে জিসিসি’র মন্ত্রিপরিষদ এক বিবৃতিতে ইরানের এসব হামলার ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নৌচলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তা নিয়ে তেহরানকে পুরো দায়ভার দিয়ে বলা হয়, জিসিসি দেশগুলোর নিরাপত্তা অবিচ্ছেদ্য; সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে কোনো হামলা মানে সবার বিরুদ্ধে হামলা।

জিসিসিও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে এই হামলাগুলো নিন্দা জানাতে এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।

এমন পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন করে বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত পদক্ষেপ এবং কূটনৈতিক চাপ নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে কীভাবে কাজে লাগবে, সেটাই এখন অনুসরণীয় বিষয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

কুনমিং—চট্টগ্রাম সরাসরি সড়ক ও তিস্তায় ব্যারেজসহ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

ইরান ফের হামলা: জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আঘাত

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)-এর কড়া নিন্দার একদিন পর বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত তিনটি দেশে ফের সামরিক হামলা চালায় ইরান। তেহরান জানিয়েছে, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রীয় বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গালফ নিউজ জানিয়েছে শুধুমাত্র জর্ডানে ইরান থেকে ছোড়া প্রায় ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভেদে পাঠানো হয়েছিল। জর্ডানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে তারা ওই ২০টি ক্ষেপণাস্ত্রকে প্রতিহত করেছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে কুয়েত ও বাহরাইনের বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত মোট ১৮টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে তারা হামলা চালিয়েছিল। একই সঙ্গে আইআরজিসি বলেছে বাহরাইনে মোতায়েন মার্কিন নৌবহর, বিশেষ করে পঞ্চম নৌবহরের ওপরও হামলা চালানো হয়েছে।

বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানি ড্রোন প্রতিহত করার সময় ছিন্নভিন্ন হওয়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে হামাদ শহর ও রাজধানী মানামায় বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এক ১১ বছর বয়সী কিশোরী সামান্য আহত হয়েছে। কুয়েত জানিয়েছে ইরানি হামলার কারণে তারা সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করে রেখেছিল।

এর আগে জিসিসি’র মন্ত্রিপরিষদ এক বিবৃতিতে ইরানের এসব হামলার ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নৌচলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তা নিয়ে তেহরানকে পুরো দায়ভার দিয়ে বলা হয়, জিসিসি দেশগুলোর নিরাপত্তা অবিচ্ছেদ্য; সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে কোনো হামলা মানে সবার বিরুদ্ধে হামলা।

জিসিসিও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে এই হামলাগুলো নিন্দা জানাতে এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।

এমন পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন করে বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত পদক্ষেপ এবং কূটনৈতিক চাপ নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে কীভাবে কাজে লাগবে, সেটাই এখন অনুসরণীয় বিষয়।