১০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমাতে বাপেক্সকে পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে: ইকবাল হাসান মাহমুদ কুনমিং—চট্টগ্রাম সরাসরি সড়ক ও তিস্তায় ব্যারেজসহ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার উদ্যোগ নেই, বরং করজট কমানোর প্রস্তাব: এনবিআর চেয়ারম্যান ২০২৬-২৭ বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের বরাদ্দ বাড়ল ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা সীমান্তে জোরপূর্বক ‘পুশ-ইন’ নিয়ে আসকের উদ্বেগ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ নিয়ে উদ্বেগ, মানবিক সমাধানের আহ্বান—আসক দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠনে ব্যয়ে প্রায় ৪০ হাজার কোটি সব নাগরিক পাবেন ই-হেলথ কার্ড, গঠিত হবে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট: ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব বৃহত্তম বাজেট পেস—অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোগ্যপণ্যের ব্যয় কমানো লক্ষ্য

রাশেদ খাঁন: জামায়াত এমপিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ নেওয়ার পরামর্শ

বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন বলেছেন, জাতীয় সংসদে তাদের পারফরম্যান্স বাড়াতে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছ থেকে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ নেওয়া উচিত। তিনি বুধবার (১০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই মন্তব্যটি করেন।

রাশেদ খাঁন স্ট্যাটাসে জানান, গত অধিবেশনে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে এবার জামায়াতের এমপিদের বিশেষভাবে ইসলামী ব্যাংক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রশিক্ষণ কার্যত ফলপ্রসূ হয়নি—কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন কোর্স বা সিলেবাসের বাইরে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় উপস্থাপন করেন, তখন জামায়াতের এমপিরা পরে রীতিমত হতভম্ব হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, তাদের রাতদিনের প্রস্তুতি এক মুহূর্তে বৃথা হয়ে গেল।

এইভাবে সংসদে কার্যকরভাবে প্রতিপক্ষ হিসেবে কাজ করতে হলে তারা সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকেই রাজনৈতিক দীক্ষা নেওয়া দরকার বলে রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেন। তিনি আরও যোগ করেন, একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে জামায়াতের ৬৮ জন এমপির এভাবে হয়রান হয়ে পড়া অত্যন্ত লজ্জাজনক।

রাশেদ খান বলেন, আগে সাধারণ ধারণা ছিল জামায়াতের নেতাকর্মীরা শিক্ষিত এবং তাদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণও উন্নত। কিন্তু বর্তমানে দলটি দেখে মনে হচ্ছে দক্ষ প্রশিক্ষকের অভাব রয়েছে। শেখার কোনো শেষ নেই এবং শিখতে লজ্জার কিছু নেই—এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, জামায়াতের এমপিরা দ্বিধাহীনভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে ক্লাস নিতে পারেন।

সংবাদের শেষভাগে রাশেদ খাঁন জানান, তারা সংসদে জামায়াতে ইসলামীকেই শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। যদি বিরোধীপক্ষ দুর্বল থাকে, তা হলে সংসদে নিয়ন্ত্রিত শূন্যতা তৈরি হয়ে জনগণ আবারও ক্ষমতাসীন দলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা অনুভব করবে—যেটা কোনভাবেই কাম্য নয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

কুনমিং—চট্টগ্রাম সরাসরি সড়ক ও তিস্তায় ব্যারেজসহ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

রাশেদ খাঁন: জামায়াত এমপিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ নেওয়ার পরামর্শ

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন বলেছেন, জাতীয় সংসদে তাদের পারফরম্যান্স বাড়াতে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছ থেকে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ নেওয়া উচিত। তিনি বুধবার (১০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই মন্তব্যটি করেন।

রাশেদ খাঁন স্ট্যাটাসে জানান, গত অধিবেশনে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে এবার জামায়াতের এমপিদের বিশেষভাবে ইসলামী ব্যাংক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রশিক্ষণ কার্যত ফলপ্রসূ হয়নি—কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন কোর্স বা সিলেবাসের বাইরে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় উপস্থাপন করেন, তখন জামায়াতের এমপিরা পরে রীতিমত হতভম্ব হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, তাদের রাতদিনের প্রস্তুতি এক মুহূর্তে বৃথা হয়ে গেল।

এইভাবে সংসদে কার্যকরভাবে প্রতিপক্ষ হিসেবে কাজ করতে হলে তারা সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকেই রাজনৈতিক দীক্ষা নেওয়া দরকার বলে রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেন। তিনি আরও যোগ করেন, একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে জামায়াতের ৬৮ জন এমপির এভাবে হয়রান হয়ে পড়া অত্যন্ত লজ্জাজনক।

রাশেদ খান বলেন, আগে সাধারণ ধারণা ছিল জামায়াতের নেতাকর্মীরা শিক্ষিত এবং তাদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণও উন্নত। কিন্তু বর্তমানে দলটি দেখে মনে হচ্ছে দক্ষ প্রশিক্ষকের অভাব রয়েছে। শেখার কোনো শেষ নেই এবং শিখতে লজ্জার কিছু নেই—এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, জামায়াতের এমপিরা দ্বিধাহীনভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে ক্লাস নিতে পারেন।

সংবাদের শেষভাগে রাশেদ খাঁন জানান, তারা সংসদে জামায়াতে ইসলামীকেই শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। যদি বিরোধীপক্ষ দুর্বল থাকে, তা হলে সংসদে নিয়ন্ত্রিত শূন্যতা তৈরি হয়ে জনগণ আবারও ক্ষমতাসীন দলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা অনুভব করবে—যেটা কোনভাবেই কাম্য নয়।