১০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ

মিষ্টি ইমেজ ভেঙে খলনায়িকা হতে আগ্রহী পূর্ণিমা

ঢালিউডে প্রায় তিন দশক ধরে যিনি রোমান্টিক ও মিষ্টি নায়িকার ছাপ রেখে চলেছেন, সেই দিলারা হানিফ পূর্ণিমা এখন নিজেকে পুরোপুরি অন্য ধরনের চরিত্রে খুঁজে দেখতে চান। ১৯৯৮ সালে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবির মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। প্রথম ছবিতেই রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে দর্শকের মনে জায়গা করে নেন এবং সেখান থেকেই শুরু হয় সফল ক্যারিয়ার।

দীর্ঘ ২৮ বছরের অভিনয়জীবনে অসংখ্য ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা, যেখানে তাকে সাধারণত নরম-মিষ্টি চরিত্রেই দেখা গেছে। এবার however তিনি সেই পরিচিত ইমেজ ভেঙে চলমান ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে প্রথমবারের মতো খলচরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি নিজের জন্মদিন উপলক্ষে চ্যানেল আই-এর এক অনুষ্ঠানে তিনি ভক্তদের সামনে এই পরিকল্পনার কথা জানান।

পূর্ণিমা বলেন, তার অভিনয়জীবনে বিভিন্‌ন ধরনের চরিত্রে কাজের সুযোগ এসেছে, কিন্তু কখনোই খলচরিত্রে আসার সুযোগ পাননি। তাই তিনি চান এমন একটি জাঁদরেল এবং শক্তিশালী খলনায়িকার ভূমিকায় কাজ করতে, যা দর্শকের মনে দীর্ঘ সময় ধরেই প্রভাব রেখে যাবে এবং তাকে অভিনয়শিল্পী হিসেবে নতুনভাবে তুলে আবে। নিজের নরম চেহারাকেই তিনি মনে করেন একটি কারণ যে, নির্মাতারা হয়তো তাকে নেতিবাচক চরিত্রে ভাবেননি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দর্শকরাও তাকে রোমান্টিক ও পরিপাটি লুকে দেখতে বেশি অভ্যস্ত। তাই এবার যদি পুরোপুরি ছকের বাইরে গিয়ে তীব্র নেতিবাচক চরিত্র করতে পারেন, তাহলে সেটা তার জন্য অভিনয়গতভাবে চ্যালেঞ্জিং এবং উপভোগ্য হবে।

একসময়ের তুমুল ব্যস্ত এই নায়িকা গত কয়েক বছর ধরে অভিনয়ে অনিয়মিত ছিলেন। মাঝে মাঝে টেলিভিশনের স্টেজে উপস্থাপনা বা রিয়ালিটি শোতে বিচারক হিসেবে দেখা গেলেও মূল পেশা অভিনয়ে তিনি অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে রয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের রোজার ঈদে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ ছবিতে তাকে দেখা গিয়েছিল। এর আগে ২০২৩ সালে কাজল আরেফিন অমির পরিচালিত ‘হোটেল রিলাক্স’ ওয়েব সিরিজে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেই পর থেকে বড় পর্দা বা جدید ওটিটি প্রোজেক্টে নতুনভাবে নজর পড়েনি পূর্ণিমার।

পেশাগতভাবেই নতুন ধরনের চরিত্র করে নিজের সক্ষমতা প্রমাণ করতে চান পূর্ণিমা; তিনি আশা করছেন যে কোন নির্মাতা বা প্রযোজনী তার এই ইচ্ছে দেখবে এবং তাকে শক্তিশালী একটি খলচরিত্রে সুযোগ দেবে, যা দর্শকদেরও দেখতে আকৃষ্ট করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দলে ফিরেই আইসিসির জুনের মাসসেরা মনোনয়ন পেলেন মোসাদ্দেক

মিষ্টি ইমেজ ভেঙে খলনায়িকা হতে আগ্রহী পূর্ণিমা

প্রকাশিতঃ ০২:২১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ঢালিউডে প্রায় তিন দশক ধরে যিনি রোমান্টিক ও মিষ্টি নায়িকার ছাপ রেখে চলেছেন, সেই দিলারা হানিফ পূর্ণিমা এখন নিজেকে পুরোপুরি অন্য ধরনের চরিত্রে খুঁজে দেখতে চান। ১৯৯৮ সালে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবির মাধ্যমে রূপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। প্রথম ছবিতেই রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে দর্শকের মনে জায়গা করে নেন এবং সেখান থেকেই শুরু হয় সফল ক্যারিয়ার।

দীর্ঘ ২৮ বছরের অভিনয়জীবনে অসংখ্য ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা, যেখানে তাকে সাধারণত নরম-মিষ্টি চরিত্রেই দেখা গেছে। এবার however তিনি সেই পরিচিত ইমেজ ভেঙে চলমান ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে প্রথমবারের মতো খলচরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি নিজের জন্মদিন উপলক্ষে চ্যানেল আই-এর এক অনুষ্ঠানে তিনি ভক্তদের সামনে এই পরিকল্পনার কথা জানান।

পূর্ণিমা বলেন, তার অভিনয়জীবনে বিভিন্‌ন ধরনের চরিত্রে কাজের সুযোগ এসেছে, কিন্তু কখনোই খলচরিত্রে আসার সুযোগ পাননি। তাই তিনি চান এমন একটি জাঁদরেল এবং শক্তিশালী খলনায়িকার ভূমিকায় কাজ করতে, যা দর্শকের মনে দীর্ঘ সময় ধরেই প্রভাব রেখে যাবে এবং তাকে অভিনয়শিল্পী হিসেবে নতুনভাবে তুলে আবে। নিজের নরম চেহারাকেই তিনি মনে করেন একটি কারণ যে, নির্মাতারা হয়তো তাকে নেতিবাচক চরিত্রে ভাবেননি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দর্শকরাও তাকে রোমান্টিক ও পরিপাটি লুকে দেখতে বেশি অভ্যস্ত। তাই এবার যদি পুরোপুরি ছকের বাইরে গিয়ে তীব্র নেতিবাচক চরিত্র করতে পারেন, তাহলে সেটা তার জন্য অভিনয়গতভাবে চ্যালেঞ্জিং এবং উপভোগ্য হবে।

একসময়ের তুমুল ব্যস্ত এই নায়িকা গত কয়েক বছর ধরে অভিনয়ে অনিয়মিত ছিলেন। মাঝে মাঝে টেলিভিশনের স্টেজে উপস্থাপনা বা রিয়ালিটি শোতে বিচারক হিসেবে দেখা গেলেও মূল পেশা অভিনয়ে তিনি অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে রয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের রোজার ঈদে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ ছবিতে তাকে দেখা গিয়েছিল। এর আগে ২০২৩ সালে কাজল আরেফিন অমির পরিচালিত ‘হোটেল রিলাক্স’ ওয়েব সিরিজে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেই পর থেকে বড় পর্দা বা جدید ওটিটি প্রোজেক্টে নতুনভাবে নজর পড়েনি পূর্ণিমার।

পেশাগতভাবেই নতুন ধরনের চরিত্র করে নিজের সক্ষমতা প্রমাণ করতে চান পূর্ণিমা; তিনি আশা করছেন যে কোন নির্মাতা বা প্রযোজনী তার এই ইচ্ছে দেখবে এবং তাকে শক্তিশালী একটি খলচরিত্রে সুযোগ দেবে, যা দর্শকদেরও দেখতে আকৃষ্ট করবে।