০৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ

সামান্থার ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ ১০০ কোটির ক্লাবে

তেলুগু অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর নতুন সিনেমা ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ বক্স অফিসে বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি রুপি আয় করে নতুন এক মাইলফলক ছুঁয়েছে। এই অর্জনের ফলে ছবিটি প্রথম নারীপ্রধান তেলুগু হিসেবে ১০০ কোটির ক্লাবে নাম লেখাল।

এর আগে ২০১৮ সালে কীর্তি সুরেশ অভিনীত ‘মহানতি’ ৮৩ কোটি রুপির আয়ে নারীপ্রধান তেলুগু ছবির তালিকায় শীর্ষে ছিল; সেই স্থানে এখন ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ উঠে গেছে এবং ‘মহানতি’ দ্বিতীয় স্থানে নেমেছে।

অবিস্মরণীয় এই সাফল্যের খবর সামান্থা নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন ভিডিও পোস্ট করে ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করবেন। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি একা বসে থাকেন। তখন রাজ নিদিমরু নামে একজন আইপ্যাড হাতে কাছে এসে তাকে সেটি আনলক করে দেখান—স্ক্রিনে উঠে আসে ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’-এর ১০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশের বিশেষ পোস্টার। সেটি দেখেই সামান্থার মুখে বিশাল এক উল্লাস ফুটে ওঠে।

ভিডিও পোস্টে ৩৯ বছর বয়সী সামান্থা ভক্তদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, মুক্তির আগে কয়েক দিন তিনি অনেক ভাবনায় ছিলেন—দর্শক ছবিটি গ্রহণ করবেন কি না, প্রচারণা ঠিকমতো পৌঁছেছে কি না এসব নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু দর্শকরা ছবিটিকে উষ্ণভাবে গ্রহণ করে তাদের ভালোবাসা দিয়ে পুরো ভাবনাটাকেই বদলে দিয়েছে, বলেছেন তিনি।

উপমহাদেশের চলচ্চিত্রে নারীপ্রধান গল্পও এমন বড় পরিসরে এমন সাফল্য খুব কমই পায়। সামান্থা মনে করেন, এই অর্জন ভবিষ্যতে নারী-কেন্দ্রিক ছবির সম্ভাবনা নিয়ে আচরণ বদলে দেবে। তিনি বলেছেন, সত্যিকারের পরিবর্তন তখনই সম্ভব যখন কেউ ঝুঁকি নিতে দ্বিধাহীন হয়, এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে এখন থেকে পরিবেশনকারীরা নারীপ্রধান সিনেমা নিয়ে ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক মনোভাব দেখাবেন।

সামান্থার এই সাফল্য শুধুই একটি বক্স অফিস সংখ্যার চেয়ে বেশি—এটি নারীপ্রধান গল্প বলার সাহস ও দর্শকদের এগুলো গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতির প্রতীক।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দলে ফিরেই আইসিসির জুনের মাসসেরা মনোনয়ন পেলেন মোসাদ্দেক

সামান্থার ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ ১০০ কোটির ক্লাবে

প্রকাশিতঃ ১০:৩৬:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

তেলুগু অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর নতুন সিনেমা ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ বক্স অফিসে বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি রুপি আয় করে নতুন এক মাইলফলক ছুঁয়েছে। এই অর্জনের ফলে ছবিটি প্রথম নারীপ্রধান তেলুগু হিসেবে ১০০ কোটির ক্লাবে নাম লেখাল।

এর আগে ২০১৮ সালে কীর্তি সুরেশ অভিনীত ‘মহানতি’ ৮৩ কোটি রুপির আয়ে নারীপ্রধান তেলুগু ছবির তালিকায় শীর্ষে ছিল; সেই স্থানে এখন ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ উঠে গেছে এবং ‘মহানতি’ দ্বিতীয় স্থানে নেমেছে।

অবিস্মরণীয় এই সাফল্যের খবর সামান্থা নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন ভিডিও পোস্ট করে ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করবেন। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি একা বসে থাকেন। তখন রাজ নিদিমরু নামে একজন আইপ্যাড হাতে কাছে এসে তাকে সেটি আনলক করে দেখান—স্ক্রিনে উঠে আসে ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’-এর ১০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশের বিশেষ পোস্টার। সেটি দেখেই সামান্থার মুখে বিশাল এক উল্লাস ফুটে ওঠে।

ভিডিও পোস্টে ৩৯ বছর বয়সী সামান্থা ভক্তদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, মুক্তির আগে কয়েক দিন তিনি অনেক ভাবনায় ছিলেন—দর্শক ছবিটি গ্রহণ করবেন কি না, প্রচারণা ঠিকমতো পৌঁছেছে কি না এসব নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু দর্শকরা ছবিটিকে উষ্ণভাবে গ্রহণ করে তাদের ভালোবাসা দিয়ে পুরো ভাবনাটাকেই বদলে দিয়েছে, বলেছেন তিনি।

উপমহাদেশের চলচ্চিত্রে নারীপ্রধান গল্পও এমন বড় পরিসরে এমন সাফল্য খুব কমই পায়। সামান্থা মনে করেন, এই অর্জন ভবিষ্যতে নারী-কেন্দ্রিক ছবির সম্ভাবনা নিয়ে আচরণ বদলে দেবে। তিনি বলেছেন, সত্যিকারের পরিবর্তন তখনই সম্ভব যখন কেউ ঝুঁকি নিতে দ্বিধাহীন হয়, এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে এখন থেকে পরিবেশনকারীরা নারীপ্রধান সিনেমা নিয়ে ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক মনোভাব দেখাবেন।

সামান্থার এই সাফল্য শুধুই একটি বক্স অফিস সংখ্যার চেয়ে বেশি—এটি নারীপ্রধান গল্প বলার সাহস ও দর্শকদের এগুলো গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতির প্রতীক।