০৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাপেক্সের তিন কূপ খননে সম্ভাব্য ১ লাখ ২০ হাজার ৮৫১ কোটি টাকার গ্যাস টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন ২০২৭ হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সরকারি সর্বনিম্ন খরচ ৫,০০৫,৬৪৮ টাকা দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন আইন আনার অঙ্গীকার সরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সর্বনিম্ন ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ফসফরিক অ্যাসিড সংকটে ২০ দিন ধরে বন্ধ একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডিএপি সার কারখানা আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এলডিসি থেকে মসৃণ উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭ বাংলাদেশের পাশে লোভনীয় চাকরির টোপে কম্বোডিয়ায় বন্দি হচ্ছেন বাংলাদেশিরা

মিসির আলীর ভূমিকায় ফের চঞ্চল চৌধুরী

নব্বই দশকের পটভূমি ও দেশি গল্পকে প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরে তানিম নূর দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন। ২০২৫ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘উৎসব’ এবং পরবর্তী বছরের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘বনলতা এক্সপ্রেস’—এই ধারাবাহিক সফলতা তানিমকে সিনেমাপাড়ায় একটি নতুন প্রত্যাশার শীর্ষে নিয়ে গেছে। বিদেশি গল্পের অনুকরণকে পাশ কাটিয়ে মূল গল্পে আস্থা রেখে তিনি যে নতুন পথ ধরেছেন, তা দর্শক-সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

সফলতার এই প্রেক্ষাপটে নির্মাতার পরবর্তী কাজটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে—বিশেষ করে হুমায়ূন আহমেদ রচিত কালজয়ী চরিত্র ‘মিসির আলী’ নিয়ে। অনেকে ধারণা করছেন, তানিম নূর এবার মিসির আলীকে নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন। তবে সত্যটি একটু ভিন্ন। তানিম নিজেই জানিয়েছেন যে এই প্রজেক্টের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকবেন, কিন্তু পরিচালকের আসনে থাকবেন না। তিনি বলছেন, তিনি প্রজেক্টে নেপথ্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী হিসেবে কাজ করবেন এবং পুরো ছবি পরিচালনা করবেন একজন নতুন নির্মাতা।

তানিম নূর আরও বলেন, হুমায়ূন আহমেদের প্রতিটি গল্প থেকেই শক্তিশালী ফিকশন তৈরি করা সম্ভব এবং দর্শক এসব গল্পের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত বোধ করেন। তাই তাঁর অত্যন্ত প্রিয় এই উপন্যাসের চরিত্র নিয়ে কাজ করতে পেরে তিনি আনন্দিত। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, যেহেতু এটি হুমায়ূন আহমেদের তৈরি আইকনিক চরিত্র, তাই কপিরাইট বা মেধাস্বত্বের বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। বর্তমানে লেখকের পরিবারের সঙ্গে সেই ইস্যু নিয়ে আলোচনা চলমান আছে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে শুটিং শুরু করা হবে।

কাস্টিং নিয়ে চলমান তথ্য অনুযায়ী, মিসির আলীর চরিত্রে প্রাথমিকভাবে চঞ্চল চৌধুরীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। অনম বিশ্বাস পরিচালিত ‘দেবী’তে মিসির আলীর ভূমিকায় চঞ্চল যে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন, সেই সফলতা থেকেই নতুন প্রজেক্টেও তাঁর প্রতি আস্থা রাখছেন নির্মাতারা। চঞ্চলের সঙ্গে আরও কয়েকজন জনপ্রিয় ও গুণী অভিনেতা এই ছবিতে থাকবেন—তাদের নাম কপিরাইট ইস্যু মেলে গেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

চিত্রনাট্য, পরিচালনা ও কাস্টিং—সব কিছু ইতি পর্যন্ত চলমান আলোচনার মধ্যেই। তবে দর্শক ও সাহিত্যপ্রেমীদের কৌতুহল তু্মুলভাবে জেগে রয়েছে; কেউ চাইছেন মিসির আলীর রহস্যময় চরিত্রটি যে রুপে পর্দায় ফিরে আসুক সেটি সাবলীল ও সম্মানজনক হোক। কপিরাইট সমস্যা সমাধান হলে এই প্রজেক্ট নিশ্চিতভাবেই দেশের সিনেমা প্রেমীদের জন্য বড় আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন

মিসির আলীর ভূমিকায় ফের চঞ্চল চৌধুরী

প্রকাশিতঃ ১০:৩৬:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

নব্বই দশকের পটভূমি ও দেশি গল্পকে প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরে তানিম নূর দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন। ২০২৫ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘উৎসব’ এবং পরবর্তী বছরের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘বনলতা এক্সপ্রেস’—এই ধারাবাহিক সফলতা তানিমকে সিনেমাপাড়ায় একটি নতুন প্রত্যাশার শীর্ষে নিয়ে গেছে। বিদেশি গল্পের অনুকরণকে পাশ কাটিয়ে মূল গল্পে আস্থা রেখে তিনি যে নতুন পথ ধরেছেন, তা দর্শক-সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

সফলতার এই প্রেক্ষাপটে নির্মাতার পরবর্তী কাজটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে—বিশেষ করে হুমায়ূন আহমেদ রচিত কালজয়ী চরিত্র ‘মিসির আলী’ নিয়ে। অনেকে ধারণা করছেন, তানিম নূর এবার মিসির আলীকে নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন। তবে সত্যটি একটু ভিন্ন। তানিম নিজেই জানিয়েছেন যে এই প্রজেক্টের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকবেন, কিন্তু পরিচালকের আসনে থাকবেন না। তিনি বলছেন, তিনি প্রজেক্টে নেপথ্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী হিসেবে কাজ করবেন এবং পুরো ছবি পরিচালনা করবেন একজন নতুন নির্মাতা।

তানিম নূর আরও বলেন, হুমায়ূন আহমেদের প্রতিটি গল্প থেকেই শক্তিশালী ফিকশন তৈরি করা সম্ভব এবং দর্শক এসব গল্পের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত বোধ করেন। তাই তাঁর অত্যন্ত প্রিয় এই উপন্যাসের চরিত্র নিয়ে কাজ করতে পেরে তিনি আনন্দিত। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, যেহেতু এটি হুমায়ূন আহমেদের তৈরি আইকনিক চরিত্র, তাই কপিরাইট বা মেধাস্বত্বের বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। বর্তমানে লেখকের পরিবারের সঙ্গে সেই ইস্যু নিয়ে আলোচনা চলমান আছে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে শুটিং শুরু করা হবে।

কাস্টিং নিয়ে চলমান তথ্য অনুযায়ী, মিসির আলীর চরিত্রে প্রাথমিকভাবে চঞ্চল চৌধুরীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। অনম বিশ্বাস পরিচালিত ‘দেবী’তে মিসির আলীর ভূমিকায় চঞ্চল যে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন, সেই সফলতা থেকেই নতুন প্রজেক্টেও তাঁর প্রতি আস্থা রাখছেন নির্মাতারা। চঞ্চলের সঙ্গে আরও কয়েকজন জনপ্রিয় ও গুণী অভিনেতা এই ছবিতে থাকবেন—তাদের নাম কপিরাইট ইস্যু মেলে গেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

চিত্রনাট্য, পরিচালনা ও কাস্টিং—সব কিছু ইতি পর্যন্ত চলমান আলোচনার মধ্যেই। তবে দর্শক ও সাহিত্যপ্রেমীদের কৌতুহল তু্মুলভাবে জেগে রয়েছে; কেউ চাইছেন মিসির আলীর রহস্যময় চরিত্রটি যে রুপে পর্দায় ফিরে আসুক সেটি সাবলীল ও সম্মানজনক হোক। কপিরাইট সমস্যা সমাধান হলে এই প্রজেক্ট নিশ্চিতভাবেই দেশের সিনেমা প্রেমীদের জন্য বড় আকর্ষণ হয়ে উঠবে।