০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাপেক্সের তিন কূপ খননে সম্ভাব্য ১ লাখ ২০ হাজার ৮৫১ কোটি টাকার গ্যাস টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন ২০২৭ হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সরকারি সর্বনিম্ন খরচ ৫,০০৫,৬৪৮ টাকা দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন আইন আনার অঙ্গীকার সরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সর্বনিম্ন ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ফসফরিক অ্যাসিড সংকটে ২০ দিন ধরে বন্ধ একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডিএপি সার কারখানা আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এলডিসি থেকে মসৃণ উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭ বাংলাদেশের পাশে লোভনীয় চাকরির টোপে কম্বোডিয়ায় বন্দি হচ্ছেন বাংলাদেশিরা

দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার

দেশের সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে জাতিসংঘ সমর্থিত ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ অনুযায়ী নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে সরকার। সোমবার (২০ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ভবনে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী জানান, ২০৩০ সালের জন্য গৃহীত আন্তর্জাতিক সড়ক নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশীয় আইন, নীতি ও প্রযুক্তিগত কাঠামো সংস্কারে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তি 활용 করে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনা-পরবর্তী দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

আইনি পরিবর্তনের সময়সীমা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ ও আন্তর্জাতিক সেরা অনুশীলনগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়ন করা হবে। তিনি সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং সবাইকে যুক্ত করে কাজ করাই অপরিহার্য।

মন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধিদলে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

বাংলাদেশি প্রশাসন বলছে, এই প্রশস্তভাবে পরিকল্পিত আইন বাস্তবায়িত হলে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে আরো নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। আন্তর্জাতিক স্তরের সমর্থন ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে কাজ করলে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে সরকারের প্রত্যাশা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন

দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

দেশের সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে জাতিসংঘ সমর্থিত ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ অনুযায়ী নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে সরকার। সোমবার (২০ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ভবনে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী জানান, ২০৩০ সালের জন্য গৃহীত আন্তর্জাতিক সড়ক নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশীয় আইন, নীতি ও প্রযুক্তিগত কাঠামো সংস্কারে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তি 활용 করে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনা-পরবর্তী দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

আইনি পরিবর্তনের সময়সীমা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ ও আন্তর্জাতিক সেরা অনুশীলনগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়ন করা হবে। তিনি সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং সবাইকে যুক্ত করে কাজ করাই অপরিহার্য।

মন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধিদলে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

বাংলাদেশি প্রশাসন বলছে, এই প্রশস্তভাবে পরিকল্পিত আইন বাস্তবায়িত হলে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে আরো নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। আন্তর্জাতিক স্তরের সমর্থন ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে কাজ করলে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে সরকারের প্রত্যাশা।