১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার

দেশের সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে জাতিসংঘ সমর্থিত ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ অনুযায়ী নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে সরকার। সোমবার (২০ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ভবনে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী জানান, ২০৩০ সালের জন্য গৃহীত আন্তর্জাতিক সড়ক নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশীয় আইন, নীতি ও প্রযুক্তিগত কাঠামো সংস্কারে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তি 활용 করে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনা-পরবর্তী দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

আইনি পরিবর্তনের সময়সীমা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ ও আন্তর্জাতিক সেরা অনুশীলনগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়ন করা হবে। তিনি সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং সবাইকে যুক্ত করে কাজ করাই অপরিহার্য।

মন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধিদলে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

বাংলাদেশি প্রশাসন বলছে, এই প্রশস্তভাবে পরিকল্পিত আইন বাস্তবায়িত হলে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে আরো নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। আন্তর্জাতিক স্তরের সমর্থন ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে কাজ করলে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে সরকারের প্রত্যাশা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

দেশের সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে জাতিসংঘ সমর্থিত ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ অনুযায়ী নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে সরকার। সোমবার (২০ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ভবনে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী জানান, ২০৩০ সালের জন্য গৃহীত আন্তর্জাতিক সড়ক নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশীয় আইন, নীতি ও প্রযুক্তিগত কাঠামো সংস্কারে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তি 활용 করে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনা-পরবর্তী দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

আইনি পরিবর্তনের সময়সীমা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ ও আন্তর্জাতিক সেরা অনুশীলনগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়ন করা হবে। তিনি সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারিত্ব এবং সবাইকে যুক্ত করে কাজ করাই অপরিহার্য।

মন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিনিধিদলে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

বাংলাদেশি প্রশাসন বলছে, এই প্রশস্তভাবে পরিকল্পিত আইন বাস্তবায়িত হলে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে আরো নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। আন্তর্জাতিক স্তরের সমর্থন ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে কাজ করলে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে সরকারের প্রত্যাশা।