০৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বোয়ালখালী লবণকারখানার বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনের সবাই মারা গেলেন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর একটি লবণকারখানায় আগুনে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হওয়ায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচে। নিহত শ্রমিকের নাম মাহমুদুল হক (৪০)। তিনি পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের গোরনখাইন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

মাহমুদুল বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। চমেক জানায়, তিনি বিস্ফোরণে তার দেহের প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত দগ্ধ হয়েছিলেন এবং গুরুতর অবস্থায় প্রায় এক সপ্তাহ ধরে আইসিইউতে ছিলেন।

এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল ১৬ জুলাই সকাল প্রায় ১০টার দিকে বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় অবস্থিত কনফিডেন্স সল্ট কোম্পানির কারখানায়। আগুন লাগার ঘটনায় মোট ১০ জন শ্রমিক আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতরভাবে দগ্ধ পাঁচজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তিনজনকে ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।

চমেকে ভর্তি হওয়া পাঁচ দুর্গতকর্মীর সবাই পরের দিনগুলোতে মারা যান। দুর্ঘটনার রাতেই গুরুতর দগ্ধ মোহাম্মদ নুরুল আলম (৪৫) ও দিদারুল আলম (৩২) মারা যান। এরপর ১৯ জুলাই রাঙ্গুনিয়ার পোমরা এলাকার উজ্জ্বল দাশ (৫৩) ও বোয়ালখালীর গোমদণ্ডী এলাকার নুর নবী (২৫) মারা যান। সর্বশেষ মাহমুদুল হকের মৃত্যু নিয়ে চমেকে ভর্তি আহতদের মধ্যে কাউকে বাঁচানো সম্ভব হলো না।

চমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার রাশেদ উল ইসলাম জানান, বিস্ফোরণে মাহমুদুলের শরীরের বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় তার অবস্থাও খুবই গুরুতর ছিল এবং দীর্ঘ চিকিৎসার পর তিনি মারা গেছেন।

এ ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবার এবং স্থানীয়রা শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দায়িত্ব নির্ধারণ ও তদন্ত সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য এখনও প্রকাশিত হয়নি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বোয়ালখালী লবণকারখানার বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনের সবাই মারা গেলেন

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর একটি লবণকারখানায় আগুনে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হওয়ায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচে। নিহত শ্রমিকের নাম মাহমুদুল হক (৪০)। তিনি পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের গোরনখাইন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

মাহমুদুল বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। চমেক জানায়, তিনি বিস্ফোরণে তার দেহের প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত দগ্ধ হয়েছিলেন এবং গুরুতর অবস্থায় প্রায় এক সপ্তাহ ধরে আইসিইউতে ছিলেন।

এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল ১৬ জুলাই সকাল প্রায় ১০টার দিকে বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় অবস্থিত কনফিডেন্স সল্ট কোম্পানির কারখানায়। আগুন লাগার ঘটনায় মোট ১০ জন শ্রমিক আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতরভাবে দগ্ধ পাঁচজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তিনজনকে ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।

চমেকে ভর্তি হওয়া পাঁচ দুর্গতকর্মীর সবাই পরের দিনগুলোতে মারা যান। দুর্ঘটনার রাতেই গুরুতর দগ্ধ মোহাম্মদ নুরুল আলম (৪৫) ও দিদারুল আলম (৩২) মারা যান। এরপর ১৯ জুলাই রাঙ্গুনিয়ার পোমরা এলাকার উজ্জ্বল দাশ (৫৩) ও বোয়ালখালীর গোমদণ্ডী এলাকার নুর নবী (২৫) মারা যান। সর্বশেষ মাহমুদুল হকের মৃত্যু নিয়ে চমেকে ভর্তি আহতদের মধ্যে কাউকে বাঁচানো সম্ভব হলো না।

চমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার রাশেদ উল ইসলাম জানান, বিস্ফোরণে মাহমুদুলের শরীরের বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় তার অবস্থাও খুবই গুরুতর ছিল এবং দীর্ঘ চিকিৎসার পর তিনি মারা গেছেন।

এ ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবার এবং স্থানীয়রা শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দায়িত্ব নির্ধারণ ও তদন্ত সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য এখনও প্রকাশিত হয়নি।