১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে মধ্যরাতে চমেক হাসপাতালে ধর্ম উপদেষ্টা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খোঁজ নেওয়ার জন্য মধ্যরাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে গিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম খালিদ হোসেন। পরিদর্শনকালে তিনি আহত শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপদেষ্টা এই হাসপাতালে যান।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর), ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীকের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি আহত শিক্ষার্থীদের পাশে আছেন এবং তাদের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে মনোযোগী রয়েছেন।

উপদেষ্টা এই সময় বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হল জ্ঞানের কেন্দ্র। এখানে এরূপ সংঘর্ষের ঘটনা 매우 অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা এ ঘটনায় জড়িত দুষ্কৃতকারীদের কোনো ছাড় দেবে না। আমরা মনে করি, এই সংঘর্ষের প্রকৃত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আহত শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিয়ে তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের নির্দেশনা দিয়েছেন।’

তাঁর ভাষ্যে, ‘আমরা সবাই চাই একটি শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক পরিবেশ যেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহণে মনোযোগী হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, অতিরিক্ত পরিচালক ডা. কাজী সাইফুল ইসলাম আজিম, অতিরিক্ত পরিচালক ডা. দেবপ্রসাদ চক্রবর্তী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাঈদ আহসান খালিদসহ বেশ কিছু চিকিৎসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে মধ্যরাতে চমেক হাসপাতালে ধর্ম উপদেষ্টা

প্রকাশিতঃ ১০:৫০:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খোঁজ নেওয়ার জন্য মধ্যরাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে গিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম খালিদ হোসেন। পরিদর্শনকালে তিনি আহত শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপদেষ্টা এই হাসপাতালে যান।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর), ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীকের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি আহত শিক্ষার্থীদের পাশে আছেন এবং তাদের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে মনোযোগী রয়েছেন।

উপদেষ্টা এই সময় বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হল জ্ঞানের কেন্দ্র। এখানে এরূপ সংঘর্ষের ঘটনা 매우 অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা এ ঘটনায় জড়িত দুষ্কৃতকারীদের কোনো ছাড় দেবে না। আমরা মনে করি, এই সংঘর্ষের প্রকৃত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আহত শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিয়ে তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের নির্দেশনা দিয়েছেন।’

তাঁর ভাষ্যে, ‘আমরা সবাই চাই একটি শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক পরিবেশ যেখানে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহণে মনোযোগী হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, অতিরিক্ত পরিচালক ডা. কাজী সাইফুল ইসলাম আজিম, অতিরিক্ত পরিচালক ডা. দেবপ্রসাদ চক্রবর্তী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাঈদ আহসান খালিদসহ বেশ কিছু চিকিৎসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।