০১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মাগুরায় অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের মানববন্ধন

দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতি, মাগুরা জেলা শাখা মঙ্গলবার সকাল ১১টায় মাগুরা সদর হাসপাতালের সামনে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এই মানববন্ধনে সংগঠনের নেতারা এবং সদস্যগণ অংশ নেন, যারা জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের অত্যাবশ্যকীয় দিকনির্দেশনা জোরালোভাবে দাবি করেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মাগুরা জেলা অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. ফুরকানুল হামিদ ফুরকান। এ সময় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক হোসেন তারেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদুর রহমান জিহাদ, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান মুকুলসহ সংগঠনের মোট ৪২ জন সদস্য।

বক্তারা বলেন, আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আমরা নীরব থাকব না। ন্যায়ের জন্য রাস্তায় নেমে আসব। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ১. সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর অধীনে রুট পারমিট ছাড়াই অ্যাম্বুলেন্সকে বাণিজ্যিক নিবন্ধন দিতে হবে। ২. অ্যাম্বুলেন্সের বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইনের মামলা পরিচালনা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ৩. মাইক্রোবাসের মতোই ট্যাক্স ও AIT সংগ্রহ বন্ধ করতে হবে। ৪. ‘ভাড়া চালিত নয়’ বলে নিবন্ধিত অ্যাম্বুলেন্সকে অবৈধ ঘোষণা করা উচিত নয়।

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, অ্যাম্বুলেন্স হলো জনগণের জীবন রক্ষাকারী বাহন; এটি কোনও বাণিজ্যিক যান নয়, তাই এর ওপর অতিরিক্ত কর বা ট্রাফিক মামলা আরোপ অযৌক্তিক। সরকারের উচিত এই জরুরি সেবার জন্য সহায়ক নীতি গ্রহণ করা।

অনুলিপি প্রদান হয় মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (বিআরটিএ)-এর নিকট। অ্যাম্বুলেন্স মালিক নেতাদের দাবি, তারা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের সমস্যা তুলে ধরেছেন। তবে দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মাগুরায় অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের মানববন্ধন

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতি, মাগুরা জেলা শাখা মঙ্গলবার সকাল ১১টায় মাগুরা সদর হাসপাতালের সামনে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এই মানববন্ধনে সংগঠনের নেতারা এবং সদস্যগণ অংশ নেন, যারা জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে সরকারের অত্যাবশ্যকীয় দিকনির্দেশনা জোরালোভাবে দাবি করেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মাগুরা জেলা অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. ফুরকানুল হামিদ ফুরকান। এ সময় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক হোসেন তারেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদুর রহমান জিহাদ, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান মুকুলসহ সংগঠনের মোট ৪২ জন সদস্য।

বক্তারা বলেন, আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আমরা নীরব থাকব না। ন্যায়ের জন্য রাস্তায় নেমে আসব। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ১. সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর অধীনে রুট পারমিট ছাড়াই অ্যাম্বুলেন্সকে বাণিজ্যিক নিবন্ধন দিতে হবে। ২. অ্যাম্বুলেন্সের বিরুদ্ধে ট্রাফিক আইনের মামলা পরিচালনা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ৩. মাইক্রোবাসের মতোই ট্যাক্স ও AIT সংগ্রহ বন্ধ করতে হবে। ৪. ‘ভাড়া চালিত নয়’ বলে নিবন্ধিত অ্যাম্বুলেন্সকে অবৈধ ঘোষণা করা উচিত নয়।

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, অ্যাম্বুলেন্স হলো জনগণের জীবন রক্ষাকারী বাহন; এটি কোনও বাণিজ্যিক যান নয়, তাই এর ওপর অতিরিক্ত কর বা ট্রাফিক মামলা আরোপ অযৌক্তিক। সরকারের উচিত এই জরুরি সেবার জন্য সহায়ক নীতি গ্রহণ করা।

অনুলিপি প্রদান হয় মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (বিআরটিএ)-এর নিকট। অ্যাম্বুলেন্স মালিক নেতাদের দাবি, তারা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের সমস্যা তুলে ধরেছেন। তবে দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।