১০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আন্তর্জাতিকভাবে দাবি জানানোয় বন্দিদের মুক্তি ঘোষণা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়ার আবেদন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমারও: তারেক রহমান মৌসুমি সবজি বাজারে ভরপুর, দাম কমে গেছে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ২৪ ব্যক্তির মুক্তি আসছে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মনের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দ্বন্দ্ব: তারেক রহমানের মন্তব্য বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

পাবনায় ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুর জীবন বাঁচাতে সমাজের সহযোগিতা চান বাবা

পাবনায় ছোট শিশু নুসরাত জাহান ক্যান্সারের খবর শুনে সবাই যেন বাকরুদ্ধ। তাঁর বয়স মাত্র ৭ বছর। উপজেলার আদাবাড়িয়া গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মেয়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। বর্তমানে সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জীবন বাঁচানোর জন্য তার উপর প্রতিদিনই চলছে কেমোথেরাপির কঠিন ধাপ।

নুসরাতের এই মারাত্মক রোগে পরিবারের সকলে দুশ্চিন্তায় আছেন। সাধারণ সংসার চালানো কঠিন, এর মধ্যে মেয়ের চিকিৎসার জন্য অর্থ জোগাড় করা যেন এক অসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আশরাফ আলী, মেয়ের বাবা, সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য আবদার করে বলেছেন, তার মেয়ে যেন সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।

জানা যায়, কিছু দিন আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। বিকল্প না দেখে পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারাও দেখানো হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়, নুসরাত ভয়ংকর ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত।

আশরাফ আলী দাবি করেন, মেয়ের চিকিৎসার জন্য কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন, যা তিনি নিজের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। তিনি সমাজের দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়ে বলেন, মেয়ের জীবন রক্ষা করতে এ সাহায্য অত্যন্ত জরুরি।

নুসরাতের চাচা রেজাউল করিম বিশ্বাস করেন, উপযুক্ত চিকিৎসা পেলে মেয়েটি সুস্থ হয়ে উঠবে। তবে এই চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও ধারাবাহিক সাহায্য। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার টাকা অপচয় হচ্ছে চেম্বারে ও ওষুধপত্রে, যা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

আদাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আল আমিন হোসাইন বলেন, মেয়ের পরিবার খুবই দরিদ্র। এতো টাকা ব্যয় করে মেয়ের চিকিৎসা চালানো তাদের জন্য খুবই কষ্টের। সমাজের সবাই যদি এগিয়ে আসে, তাহলে হয়তো মেয়েটির জীবন রক্ষা সম্ভব হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

পাবনায় ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুর জীবন বাঁচাতে সমাজের সহযোগিতা চান বাবা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

পাবনায় ছোট শিশু নুসরাত জাহান ক্যান্সারের খবর শুনে সবাই যেন বাকরুদ্ধ। তাঁর বয়স মাত্র ৭ বছর। উপজেলার আদাবাড়িয়া গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মেয়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। বর্তমানে সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জীবন বাঁচানোর জন্য তার উপর প্রতিদিনই চলছে কেমোথেরাপির কঠিন ধাপ।

নুসরাতের এই মারাত্মক রোগে পরিবারের সকলে দুশ্চিন্তায় আছেন। সাধারণ সংসার চালানো কঠিন, এর মধ্যে মেয়ের চিকিৎসার জন্য অর্থ জোগাড় করা যেন এক অসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আশরাফ আলী, মেয়ের বাবা, সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য আবদার করে বলেছেন, তার মেয়ে যেন সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।

জানা যায়, কিছু দিন আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। বিকল্প না দেখে পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারাও দেখানো হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়, নুসরাত ভয়ংকর ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত।

আশরাফ আলী দাবি করেন, মেয়ের চিকিৎসার জন্য কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন, যা তিনি নিজের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। তিনি সমাজের দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়ে বলেন, মেয়ের জীবন রক্ষা করতে এ সাহায্য অত্যন্ত জরুরি।

নুসরাতের চাচা রেজাউল করিম বিশ্বাস করেন, উপযুক্ত চিকিৎসা পেলে মেয়েটি সুস্থ হয়ে উঠবে। তবে এই চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও ধারাবাহিক সাহায্য। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার টাকা অপচয় হচ্ছে চেম্বারে ও ওষুধপত্রে, যা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

আদাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আল আমিন হোসাইন বলেন, মেয়ের পরিবার খুবই দরিদ্র। এতো টাকা ব্যয় করে মেয়ের চিকিৎসা চালানো তাদের জন্য খুবই কষ্টের। সমাজের সবাই যদি এগিয়ে আসে, তাহলে হয়তো মেয়েটির জীবন রক্ষা সম্ভব হবে।