০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ সদস্যদের গুলিতে ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগ, পরবর্তীতে মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া: রাজসাক্ষী আফজালুল

গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনের রাস্তায় ওসি সায়েদের সরাসরি নির্দেশনায় গুলি চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে পুলিশ সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডের পর ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ বুধবার রাষ্ট্রের অন্যতম সাক্ষী এসআই আফজালুল হক এই বিভীষিকাময় ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

সাক্ষ্য দেয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন, তিনি শহীদদের পরিবারের জন্য কিছু করতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করে কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আফজালুল বলেন, আশুলিয়া থানার সামনে এএসআই বিশ্বজিৎসহ আরও কিছু পুলিশ সদস্য ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালান। তখন অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকেন। তিনি দেখেছেন, সেই সময় ওসি সায়েদ তার এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন।

পরে, ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো প্রথমে একটি ভ্যানে ও পরে পিকআপে তুলে নেওয়া হয়। এরপর ওসি সায়েদ, এসআই মালেক ও এএসআই বিশ্বজিৎসহ অন্যরা মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য পরামর্শ করেন।

আফজালুল নিজে তখন তার পিস্তল নিয়ে থানার বাইরে যান। এ সময় তিনি উপসর্গ বুঝে থানার বাইরে থাকাকালীন জানলেন, মরদেহগুলো ওসি সায়েদ ও অন্যরা পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। জানা যায়, পরে তিনি ১৫ আগস্ট থানায় এসে অস্ত্রটি জমা দেয়ার সময় বুঝতে পারেন, তাদের এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ সদস্যদের গুলিতে ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগ, পরবর্তীতে মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া: রাজসাক্ষী আফজালুল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনের রাস্তায় ওসি সায়েদের সরাসরি নির্দেশনায় গুলি চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে পুলিশ সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডের পর ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ বুধবার রাষ্ট্রের অন্যতম সাক্ষী এসআই আফজালুল হক এই বিভীষিকাময় ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

সাক্ষ্য দেয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন, তিনি শহীদদের পরিবারের জন্য কিছু করতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করে কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আফজালুল বলেন, আশুলিয়া থানার সামনে এএসআই বিশ্বজিৎসহ আরও কিছু পুলিশ সদস্য ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালান। তখন অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকেন। তিনি দেখেছেন, সেই সময় ওসি সায়েদ তার এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন।

পরে, ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো প্রথমে একটি ভ্যানে ও পরে পিকআপে তুলে নেওয়া হয়। এরপর ওসি সায়েদ, এসআই মালেক ও এএসআই বিশ্বজিৎসহ অন্যরা মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য পরামর্শ করেন।

আফজালুল নিজে তখন তার পিস্তল নিয়ে থানার বাইরে যান। এ সময় তিনি উপসর্গ বুঝে থানার বাইরে থাকাকালীন জানলেন, মরদেহগুলো ওসি সায়েদ ও অন্যরা পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। জানা যায়, পরে তিনি ১৫ আগস্ট থানায় এসে অস্ত্রটি জমা দেয়ার সময় বুঝতে পারেন, তাদের এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।