০৪:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

পুলিশ সদস্যদের গুলিতে ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগ, পরবর্তীতে মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া: রাজসাক্ষী আফজালুল

গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনের রাস্তায় ওসি সায়েদের সরাসরি নির্দেশনায় গুলি চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে পুলিশ সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডের পর ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ বুধবার রাষ্ট্রের অন্যতম সাক্ষী এসআই আফজালুল হক এই বিভীষিকাময় ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

সাক্ষ্য দেয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন, তিনি শহীদদের পরিবারের জন্য কিছু করতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করে কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আফজালুল বলেন, আশুলিয়া থানার সামনে এএসআই বিশ্বজিৎসহ আরও কিছু পুলিশ সদস্য ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালান। তখন অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকেন। তিনি দেখেছেন, সেই সময় ওসি সায়েদ তার এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন।

পরে, ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো প্রথমে একটি ভ্যানে ও পরে পিকআপে তুলে নেওয়া হয়। এরপর ওসি সায়েদ, এসআই মালেক ও এএসআই বিশ্বজিৎসহ অন্যরা মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য পরামর্শ করেন।

আফজালুল নিজে তখন তার পিস্তল নিয়ে থানার বাইরে যান। এ সময় তিনি উপসর্গ বুঝে থানার বাইরে থাকাকালীন জানলেন, মরদেহগুলো ওসি সায়েদ ও অন্যরা পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। জানা যায়, পরে তিনি ১৫ আগস্ট থানায় এসে অস্ত্রটি জমা দেয়ার সময় বুঝতে পারেন, তাদের এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

পুলিশ সদস্যদের গুলিতে ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগ, পরবর্তীতে মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া: রাজসাক্ষী আফজালুল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনের রাস্তায় ওসি সায়েদের সরাসরি নির্দেশনায় গুলি চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে পুলিশ সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডের পর ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ বুধবার রাষ্ট্রের অন্যতম সাক্ষী এসআই আফজালুল হক এই বিভীষিকাময় ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

সাক্ষ্য দেয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন, তিনি শহীদদের পরিবারের জন্য কিছু করতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করে কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আফজালুল বলেন, আশুলিয়া থানার সামনে এএসআই বিশ্বজিৎসহ আরও কিছু পুলিশ সদস্য ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালান। তখন অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকেন। তিনি দেখেছেন, সেই সময় ওসি সায়েদ তার এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন।

পরে, ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো প্রথমে একটি ভ্যানে ও পরে পিকআপে তুলে নেওয়া হয়। এরপর ওসি সায়েদ, এসআই মালেক ও এএসআই বিশ্বজিৎসহ অন্যরা মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য পরামর্শ করেন।

আফজালুল নিজে তখন তার পিস্তল নিয়ে থানার বাইরে যান। এ সময় তিনি উপসর্গ বুঝে থানার বাইরে থাকাকালীন জানলেন, মরদেহগুলো ওসি সায়েদ ও অন্যরা পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। জানা যায়, পরে তিনি ১৫ আগস্ট থানায় এসে অস্ত্রটি জমা দেয়ার সময় বুঝতে পারেন, তাদের এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।