০৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পুলিশ সদস্যদের গুলিতে ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগ, পরবর্তীতে মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া: রাজসাক্ষী আফজালুল

গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনের রাস্তায় ওসি সায়েদের সরাসরি নির্দেশনায় গুলি চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে পুলিশ সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডের পর ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ বুধবার রাষ্ট্রের অন্যতম সাক্ষী এসআই আফজালুল হক এই বিভীষিকাময় ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

সাক্ষ্য দেয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন, তিনি শহীদদের পরিবারের জন্য কিছু করতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করে কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আফজালুল বলেন, আশুলিয়া থানার সামনে এএসআই বিশ্বজিৎসহ আরও কিছু পুলিশ সদস্য ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালান। তখন অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকেন। তিনি দেখেছেন, সেই সময় ওসি সায়েদ তার এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন।

পরে, ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো প্রথমে একটি ভ্যানে ও পরে পিকআপে তুলে নেওয়া হয়। এরপর ওসি সায়েদ, এসআই মালেক ও এএসআই বিশ্বজিৎসহ অন্যরা মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য পরামর্শ করেন।

আফজালুল নিজে তখন তার পিস্তল নিয়ে থানার বাইরে যান। এ সময় তিনি উপসর্গ বুঝে থানার বাইরে থাকাকালীন জানলেন, মরদেহগুলো ওসি সায়েদ ও অন্যরা পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। জানা যায়, পরে তিনি ১৫ আগস্ট থানায় এসে অস্ত্রটি জমা দেয়ার সময় বুঝতে পারেন, তাদের এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পুলিশ সদস্যদের গুলিতে ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগ, পরবর্তীতে মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া: রাজসাক্ষী আফজালুল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনের রাস্তায় ওসি সায়েদের সরাসরি নির্দেশনায় গুলি চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে পুলিশ সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডের পর ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ বুধবার রাষ্ট্রের অন্যতম সাক্ষী এসআই আফজালুল হক এই বিভীষিকাময় ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

সাক্ষ্য দেয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন, তিনি শহীদদের পরিবারের জন্য কিছু করতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করে কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আফজালুল বলেন, আশুলিয়া থানার সামনে এএসআই বিশ্বজিৎসহ আরও কিছু পুলিশ সদস্য ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালান। তখন অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকেন। তিনি দেখেছেন, সেই সময় ওসি সায়েদ তার এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন।

পরে, ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো প্রথমে একটি ভ্যানে ও পরে পিকআপে তুলে নেওয়া হয়। এরপর ওসি সায়েদ, এসআই মালেক ও এএসআই বিশ্বজিৎসহ অন্যরা মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য পরামর্শ করেন।

আফজালুল নিজে তখন তার পিস্তল নিয়ে থানার বাইরে যান। এ সময় তিনি উপসর্গ বুঝে থানার বাইরে থাকাকালীন জানলেন, মরদেহগুলো ওসি সায়েদ ও অন্যরা পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। জানা যায়, পরে তিনি ১৫ আগস্ট থানায় এসে অস্ত্রটি জমা দেয়ার সময় বুঝতে পারেন, তাদের এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।