০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

পুলিশ সদস্যদের গুলিতে ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগ, পরবর্তীতে মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া: রাজসাক্ষী আফজালুল

গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনের রাস্তায় ওসি সায়েদের সরাসরি নির্দেশনায় গুলি চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে পুলিশ সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডের পর ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ বুধবার রাষ্ট্রের অন্যতম সাক্ষী এসআই আফজালুল হক এই বিভীষিকাময় ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

সাক্ষ্য দেয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন, তিনি শহীদদের পরিবারের জন্য কিছু করতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করে কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আফজালুল বলেন, আশুলিয়া থানার সামনে এএসআই বিশ্বজিৎসহ আরও কিছু পুলিশ সদস্য ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালান। তখন অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকেন। তিনি দেখেছেন, সেই সময় ওসি সায়েদ তার এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন।

পরে, ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো প্রথমে একটি ভ্যানে ও পরে পিকআপে তুলে নেওয়া হয়। এরপর ওসি সায়েদ, এসআই মালেক ও এএসআই বিশ্বজিৎসহ অন্যরা মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য পরামর্শ করেন।

আফজালুল নিজে তখন তার পিস্তল নিয়ে থানার বাইরে যান। এ সময় তিনি উপসর্গ বুঝে থানার বাইরে থাকাকালীন জানলেন, মরদেহগুলো ওসি সায়েদ ও অন্যরা পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। জানা যায়, পরে তিনি ১৫ আগস্ট থানায় এসে অস্ত্রটি জমা দেয়ার সময় বুঝতে পারেন, তাদের এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ সদস্যদের গুলিতে ছাত্র-জনতা হত্যার অভিযোগ, পরবর্তীতে মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া: রাজসাক্ষী আফজালুল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

গত বছরের ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনের রাস্তায় ওসি সায়েদের সরাসরি নির্দেশনায় গুলি চালিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে পুলিশ সদস্যরা। হত্যাকাণ্ডের পর ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ বুধবার রাষ্ট্রের অন্যতম সাক্ষী এসআই আফজালুল হক এই বিভীষিকাময় ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

সাক্ষ্য দেয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন, তিনি শহীদদের পরিবারের জন্য কিছু করতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করে কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

আফজালুল বলেন, আশুলিয়া থানার সামনে এএসআই বিশ্বজিৎসহ আরও কিছু পুলিশ সদস্য ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালান। তখন অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকেন। তিনি দেখেছেন, সেই সময় ওসি সায়েদ তার এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন।

পরে, ওসি সায়েদের নির্দেশে মরদেহগুলো প্রথমে একটি ভ্যানে ও পরে পিকআপে তুলে নেওয়া হয়। এরপর ওসি সায়েদ, এসআই মালেক ও এএসআই বিশ্বজিৎসহ অন্যরা মরদেহগুলো পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য পরামর্শ করেন।

আফজালুল নিজে তখন তার পিস্তল নিয়ে থানার বাইরে যান। এ সময় তিনি উপসর্গ বুঝে থানার বাইরে থাকাকালীন জানলেন, মরদেহগুলো ওসি সায়েদ ও অন্যরা পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। জানা যায়, পরে তিনি ১৫ আগস্ট থানায় এসে অস্ত্রটি জমা দেয়ার সময় বুঝতে পারেন, তাদের এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।