০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

গবেষক আনসারী বললেন, এটি ‘বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা’

গতকাল শুক্রবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত ভূমিকম্পটি একটি বড় ভূমিকম্পের আগাম সংকেত হিসেবে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পূরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ ভূমিকম্প গবেষক মেহেদি আহমেদ আনসারী এই ঘটনাকে ‘বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা’ বলে মনে করছেন। বিবিসি বাংলার সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মতামত ব্যক্ত করেন।

অধ্যাপক আনসারী ধারণা ব্যক্ত করেন, সাধারণত একটি অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিকম্প প্রায় শত থেকে দেড়শ বছর পরপরই হতে পারে। বাংলাদেশের আশপাশের এলাকায় বিগত দেড়শ বছরে একটি বড় এবং বেশ কিছু المتوسطমাত্রার ভূমিকম্প ঘটেছে। তাই, আরেকটি বড় ভূমিকম্প কাছাকাছি সময়ে হওয়ার আশঙ্কা আমাদের নজরে এসেছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ভবন নির্মাণে যথাযথ বিল্ডিং কোড না মানলে ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি হতে পারে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। বিশেষ করে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে গড়ে ওঠা ভবনগুলোতে নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

গতকাল সকালে, ঢাকা ও অন্য জেলা থেকে অনুভূত ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী, যেখানে রিকটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৭। আবহাওয়া অধিদপ্তর ও ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের রেডিও মেকানিক ইকবাল আহমেদ জানান, এই ভূমিকম্পের উৎস ছিল ঢাকার আগারগাঁওয়ের প্রায় ১৩ কিলোমিটার পূর্বে।

অভিযোগ, এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মধ্যে তিনজন পুরান ঢাকা আরমানিটোলায়, একজন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এবং দুজন নরসিংদীর সদর থানায়। পাশাপাশি, আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক মানুষ। বিশেষ করে ঢাকাতে বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নানা স্থানে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

এদিকে, ভূমিকম্পের এই ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন, এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

গবেষক আনসারী বললেন, এটি ‘বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা’

প্রকাশিতঃ ১১:৫৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

গতকাল শুক্রবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত ভূমিকম্পটি একটি বড় ভূমিকম্পের আগাম সংকেত হিসেবে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পূরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ ভূমিকম্প গবেষক মেহেদি আহমেদ আনসারী এই ঘটনাকে ‘বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা’ বলে মনে করছেন। বিবিসি বাংলার সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মতামত ব্যক্ত করেন।

অধ্যাপক আনসারী ধারণা ব্যক্ত করেন, সাধারণত একটি অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিকম্প প্রায় শত থেকে দেড়শ বছর পরপরই হতে পারে। বাংলাদেশের আশপাশের এলাকায় বিগত দেড়শ বছরে একটি বড় এবং বেশ কিছু المتوسطমাত্রার ভূমিকম্প ঘটেছে। তাই, আরেকটি বড় ভূমিকম্প কাছাকাছি সময়ে হওয়ার আশঙ্কা আমাদের নজরে এসেছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ভবন নির্মাণে যথাযথ বিল্ডিং কোড না মানলে ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি হতে পারে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। বিশেষ করে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে গড়ে ওঠা ভবনগুলোতে নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

গতকাল সকালে, ঢাকা ও অন্য জেলা থেকে অনুভূত ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী, যেখানে রিকটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৭। আবহাওয়া অধিদপ্তর ও ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের রেডিও মেকানিক ইকবাল আহমেদ জানান, এই ভূমিকম্পের উৎস ছিল ঢাকার আগারগাঁওয়ের প্রায় ১৩ কিলোমিটার পূর্বে।

অভিযোগ, এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মধ্যে তিনজন পুরান ঢাকা আরমানিটোলায়, একজন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এবং দুজন নরসিংদীর সদর থানায়। পাশাপাশি, আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক মানুষ। বিশেষ করে ঢাকাতে বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নানা স্থানে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

এদিকে, ভূমিকম্পের এই ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন, এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।