০১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আলফাডাঙ্গায় বাড়িতে ঢুকে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষের জেরে এক বিএনপি নেতাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ভোর চারটার দিকে, সদর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণ জাটিগ্রামে তার নিজ বাড়িতে। নিহত সাইফুল সরদার (৪৫) ব্রাহ্মণ জাটিগ্রামের হবি সরদারের ছেলে। তিনি জেলা বিএনপির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এই সময় হামলাকারীরা একই দলের অন্য একজন সমর্থক ইসমাইল মোল্যা (২৬)কেও কুপিয়ে জখম করে, তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন বেশ গুরুতর, এলাকায় থমথমে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। উভয় পক্ষের আরও অন্তত ১০টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সূত্র জানায়, এ বিষয়ের সঙ্গে জড়িত থাকায় শফিকুল মিয়া ও আইয়ুব মিয়াকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ফরিদপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আলফাডাঙ্গার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান এই ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে ব্রাহ্মণ জাটিগ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম এবং বিদ্যাধর গ্রামের শাহাদৎ হোসেন খোকন মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়ার মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনার রাতে জুয়েল মিয়া ও তার ছোট ভাই হাসিব মিয়ার নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। তারা পুলিশ এসেছে বলে দরজা খোলার জন্য বলে, এরপর দরজা খুলতেই সাইফুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। তাদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এই সময় হামলাকারীরা সাইফুলের বাড়ির আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী ভাঙচুর করে। পরে তারা ইসমাইল মোল্যার বাড়িতে ঢুকে তাকেও কুপিয়ে জখম করে। পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য কাশিয়ানী হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থা গুরুতর দেখে ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। আলফাডাঙ্গা থানার ওসি বলেন, দুপক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে রাতের এই ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে এলোপাথাড়ি হামলা চালিয়ে একজনকে হত্যা ও অন্যজনকে জখম করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে আটক করা হয়েছে, এবং তদন্ত চলমান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আলফাডাঙ্গায় বাড়িতে ঢুকে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষের জেরে এক বিএনপি নেতাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ভোর চারটার দিকে, সদর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণ জাটিগ্রামে তার নিজ বাড়িতে। নিহত সাইফুল সরদার (৪৫) ব্রাহ্মণ জাটিগ্রামের হবি সরদারের ছেলে। তিনি জেলা বিএনপির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এই সময় হামলাকারীরা একই দলের অন্য একজন সমর্থক ইসমাইল মোল্যা (২৬)কেও কুপিয়ে জখম করে, তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন বেশ গুরুতর, এলাকায় থমথমে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। উভয় পক্ষের আরও অন্তত ১০টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সূত্র জানায়, এ বিষয়ের সঙ্গে জড়িত থাকায় শফিকুল মিয়া ও আইয়ুব মিয়াকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ফরিদপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আলফাডাঙ্গার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান এই ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে ব্রাহ্মণ জাটিগ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম এবং বিদ্যাধর গ্রামের শাহাদৎ হোসেন খোকন মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়ার মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনার রাতে জুয়েল মিয়া ও তার ছোট ভাই হাসিব মিয়ার নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। তারা পুলিশ এসেছে বলে দরজা খোলার জন্য বলে, এরপর দরজা খুলতেই সাইফুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। তাদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এই সময় হামলাকারীরা সাইফুলের বাড়ির আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী ভাঙচুর করে। পরে তারা ইসমাইল মোল্যার বাড়িতে ঢুকে তাকেও কুপিয়ে জখম করে। পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য কাশিয়ানী হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থা গুরুতর দেখে ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। আলফাডাঙ্গা থানার ওসি বলেন, দুপক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে রাতের এই ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে এলোপাথাড়ি হামলা চালিয়ে একজনকে হত্যা ও অন্যজনকে জখম করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে আটক করা হয়েছে, এবং তদন্ত চলমান।