০৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নির্বাচ কেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা জোরদার: এক মাসে অস্ত্র, মাদক ও গ্রেপ্তার ১৩৮২

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। গত এক মাসে ধারাবাহিক প্রতিবেদনে বিশাল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারসহ ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বর মাস জুড়ে জেলার বিভিন্ন থানায় নির্বাচন কেন্দ্রিক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। একাধিক অভিযানে দেশি ও বিদেশি পিস্তল, এলজি, পাইপগান, শটগানসহ নানা ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। পাশাপাশি রামদা, কিরিচ, ছুরি, চাপাতি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রের উপস্থিতিও ধরা পড়ে।

মাদক বিরোধী অভিযানে গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা, বিদেশি ও দেশীয় মদ, ইনজেকশন, ফ্রাফ সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, এই এক মাসে মোট ১৮৫ জন মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হন, অপরদিকে ‘ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ অভিযানে আটক হয় ৪২৬ জন। নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার হন ৭৫০ জন, এবং ডাকাতি মামলার এজাহারভুক্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৮২ জনে।

ডাকাতি রোধে চালানো অভিযানে উদ্ধার হয় ৪টি পিকআপ ও একটি মিনি ট্রাক। এ ছাড়াও বিভিন্ন জেলা থেকে ডাকাতির মাধ্যমে লুণ্ঠিত ৫.৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ফেনী থেকে ডাকাতি হওয়া ৮টি গরু।

নগরীতে চুরি ও ছিনতাই রোধে কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে কুমিল্লা শহরের মূল পয়েন্টে ২০টি চেকপোস্ট স্থাপন করেছে পুলিশ। এসব চেকপোস্টে দিন-রাত তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেছেন, “আসন্ন নির্বাচনের পূর্বসন্ধ্যায় কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। মাদক, অস্ত্র, ডাকাতি ও চুরির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও জানান, জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজন হলে চেকপোস্টের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নির্বাচ কেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা জোরদার: এক মাসে অস্ত্র, মাদক ও গ্রেপ্তার ১৩৮২

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। গত এক মাসে ধারাবাহিক প্রতিবেদনে বিশাল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারসহ ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বর মাস জুড়ে জেলার বিভিন্ন থানায় নির্বাচন কেন্দ্রিক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। একাধিক অভিযানে দেশি ও বিদেশি পিস্তল, এলজি, পাইপগান, শটগানসহ নানা ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। পাশাপাশি রামদা, কিরিচ, ছুরি, চাপাতি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রের উপস্থিতিও ধরা পড়ে।

মাদক বিরোধী অভিযানে গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা, বিদেশি ও দেশীয় মদ, ইনজেকশন, ফ্রাফ সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, এই এক মাসে মোট ১৮৫ জন মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হন, অপরদিকে ‘ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ অভিযানে আটক হয় ৪২৬ জন। নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার হন ৭৫০ জন, এবং ডাকাতি মামলার এজাহারভুক্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৮২ জনে।

ডাকাতি রোধে চালানো অভিযানে উদ্ধার হয় ৪টি পিকআপ ও একটি মিনি ট্রাক। এ ছাড়াও বিভিন্ন জেলা থেকে ডাকাতির মাধ্যমে লুণ্ঠিত ৫.৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ফেনী থেকে ডাকাতি হওয়া ৮টি গরু।

নগরীতে চুরি ও ছিনতাই রোধে কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে কুমিল্লা শহরের মূল পয়েন্টে ২০টি চেকপোস্ট স্থাপন করেছে পুলিশ। এসব চেকপোস্টে দিন-রাত তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেছেন, “আসন্ন নির্বাচনের পূর্বসন্ধ্যায় কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। মাদক, অস্ত্র, ডাকাতি ও চুরির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও জানান, জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজন হলে চেকপোস্টের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে।