০২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি

নির্বাচ কেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা জোরদার: এক মাসে অস্ত্র, মাদক ও গ্রেপ্তার ১৩৮২

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। গত এক মাসে ধারাবাহিক প্রতিবেদনে বিশাল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারসহ ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বর মাস জুড়ে জেলার বিভিন্ন থানায় নির্বাচন কেন্দ্রিক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। একাধিক অভিযানে দেশি ও বিদেশি পিস্তল, এলজি, পাইপগান, শটগানসহ নানা ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। পাশাপাশি রামদা, কিরিচ, ছুরি, চাপাতি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রের উপস্থিতিও ধরা পড়ে।

মাদক বিরোধী অভিযানে গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা, বিদেশি ও দেশীয় মদ, ইনজেকশন, ফ্রাফ সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, এই এক মাসে মোট ১৮৫ জন মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হন, অপরদিকে ‘ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ অভিযানে আটক হয় ৪২৬ জন। নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার হন ৭৫০ জন, এবং ডাকাতি মামলার এজাহারভুক্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৮২ জনে।

ডাকাতি রোধে চালানো অভিযানে উদ্ধার হয় ৪টি পিকআপ ও একটি মিনি ট্রাক। এ ছাড়াও বিভিন্ন জেলা থেকে ডাকাতির মাধ্যমে লুণ্ঠিত ৫.৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ফেনী থেকে ডাকাতি হওয়া ৮টি গরু।

নগরীতে চুরি ও ছিনতাই রোধে কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে কুমিল্লা শহরের মূল পয়েন্টে ২০টি চেকপোস্ট স্থাপন করেছে পুলিশ। এসব চেকপোস্টে দিন-রাত তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেছেন, “আসন্ন নির্বাচনের পূর্বসন্ধ্যায় কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। মাদক, অস্ত্র, ডাকাতি ও চুরির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও জানান, জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজন হলে চেকপোস্টের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তিন সেঞ্চুরি ও ৫১ ছক্কার রোমাঞ্চ: ২৬৬ তাড়া করে ওয়াশিংটন ফ্রিডমের বিশ্বরেকর্ড জয়

নির্বাচ কেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা জোরদার: এক মাসে অস্ত্র, মাদক ও গ্রেপ্তার ১৩৮২

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। গত এক মাসে ধারাবাহিক প্রতিবেদনে বিশাল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারসহ ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বর মাস জুড়ে জেলার বিভিন্ন থানায় নির্বাচন কেন্দ্রিক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। একাধিক অভিযানে দেশি ও বিদেশি পিস্তল, এলজি, পাইপগান, শটগানসহ নানা ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। পাশাপাশি রামদা, কিরিচ, ছুরি, চাপাতি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রের উপস্থিতিও ধরা পড়ে।

মাদক বিরোধী অভিযানে গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা, বিদেশি ও দেশীয় মদ, ইনজেকশন, ফ্রাফ সিরাপ ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, এই এক মাসে মোট ১৮৫ জন মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হন, অপরদিকে ‘ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ অভিযানে আটক হয় ৪২৬ জন। নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার হন ৭৫০ জন, এবং ডাকাতি মামলার এজাহারভুক্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সব মিলিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৮২ জনে।

ডাকাতি রোধে চালানো অভিযানে উদ্ধার হয় ৪টি পিকআপ ও একটি মিনি ট্রাক। এ ছাড়াও বিভিন্ন জেলা থেকে ডাকাতির মাধ্যমে লুণ্ঠিত ৫.৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও ফেনী থেকে ডাকাতি হওয়া ৮টি গরু।

নগরীতে চুরি ও ছিনতাই রোধে কঠোর ব্যবস্থা হিসেবে কুমিল্লা শহরের মূল পয়েন্টে ২০টি চেকপোস্ট স্থাপন করেছে পুলিশ। এসব চেকপোস্টে দিন-রাত তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেছেন, “আসন্ন নির্বাচনের পূর্বসন্ধ্যায় কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। মাদক, অস্ত্র, ডাকাতি ও চুরির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও জানান, জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজন হলে চেকপোস্টের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে।