০৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

কাপাসিয়ায় যুবলীগ নেতার বাড়ি থেকে ১১টি জীবিত ঘোড়া ও ৮টি জবাই করা ঘোড়ার মাংস জব্দ

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাসক গ্রামে এক যুবলীগ নেতার বাড়ি থেকে বেশ_some সংখ্যক ঘোড়ার বস্ত্তব অবৈধভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। এই খবরের মধ্যে জানা গেছে, ওই বাড়ি থেকে ১১টি জীবিত ঘোড়া এবং ৮টি জবাই করে প্রস্তুত করা ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকাবাসীর তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে এই ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। তিনি উপজেলা পরিষদ ও যুবলীগের অন্যতম নেতা হওয়ার পাশাপাশি গরুর খামার ব্যবসার আড়ালে ঘোড়ার মাংসের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শুক্রবার রাতে (২৩ জানুয়ারি) প্রায় দশটার দিকে জাহাঙ্গীরের বাড়ির আশপাশে মানুষের আনাগোনা শুরু হয়। স্থানীয়রা ঘটনা লক্ষ্য করে এবং এ সম্পর্কে জানাজানি হওয়ায় তারা একত্রে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে উপস্থিত হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায়, কিছু ব্যক্তি ঘোড়া জবাই করে মাংস তৈরি করছিল। পরিস্থিতি টের পেয়ে এ ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা একটি পিকআপভ্যানে ভাঙচুর চালিয়ে দিতেই শুরু করে, পাশাপাশি একটি কাবারব্যান্ডেও আগুন ধরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয়রা জানায়, জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগ আমলে নানা ধরনের অপকর্ম চালিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সে এলাকায় অজ্ঞাত চলাফেরা শুরু করে এবং দীর্ঘদিন গা ঢাকা দিয়ে ছিল। তবে সম্প্রতি আবার এলাকায় ফিরে এসে তার এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি গরুর খামারের নামের আড়ালে ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা শুরু করেন, যেখানে নির্জন এলাকায় তার বাড়ি হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত কম থাকায় সুবিধা নিচ্ছিলেন।

গাজীপুরের সহকারী কমিশনার স্থানীয় সরকার ও ট্রেজারি শাখা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ফয়সাল বলেন, অভিযানের সময় জবাই করা ৮টি ঘোড়ার মাংস মাটিতে চাপা দেওয়া হয়। জীবিত ১১টি ঘোড়া উদ্ধার করে স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। একটি কাবারব্যান্ড ও পিকআপ ট্রাক পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ একেএম আতিকুর রহমান, ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ আবদুল্লাহ আল মামুন, দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ ওহাব খান খোকা এবং কাপাসিয়া থানার উপ-পরিদর্শক জিহাদুল হকসহ আরও কিছু পুলিশ কর্মী। সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকায় পরিস্থিতি মনিটরিং চলে। এই অভিযানটি অবৈধ ঘোড়া ব্যবসার সূত্র ধরে দুর্বৃত্তচক্রের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

কাপাসিয়ায় যুবলীগ নেতার বাড়ি থেকে ১১টি জীবিত ঘোড়া ও ৮টি জবাই করা ঘোড়ার মাংস জব্দ

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাসক গ্রামে এক যুবলীগ নেতার বাড়ি থেকে বেশ_some সংখ্যক ঘোড়ার বস্ত্তব অবৈধভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। এই খবরের মধ্যে জানা গেছে, ওই বাড়ি থেকে ১১টি জীবিত ঘোড়া এবং ৮টি জবাই করে প্রস্তুত করা ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকাবাসীর তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে এই ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। তিনি উপজেলা পরিষদ ও যুবলীগের অন্যতম নেতা হওয়ার পাশাপাশি গরুর খামার ব্যবসার আড়ালে ঘোড়ার মাংসের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শুক্রবার রাতে (২৩ জানুয়ারি) প্রায় দশটার দিকে জাহাঙ্গীরের বাড়ির আশপাশে মানুষের আনাগোনা শুরু হয়। স্থানীয়রা ঘটনা লক্ষ্য করে এবং এ সম্পর্কে জানাজানি হওয়ায় তারা একত্রে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে উপস্থিত হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায়, কিছু ব্যক্তি ঘোড়া জবাই করে মাংস তৈরি করছিল। পরিস্থিতি টের পেয়ে এ ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা একটি পিকআপভ্যানে ভাঙচুর চালিয়ে দিতেই শুরু করে, পাশাপাশি একটি কাবারব্যান্ডেও আগুন ধরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয়রা জানায়, জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগ আমলে নানা ধরনের অপকর্ম চালিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সে এলাকায় অজ্ঞাত চলাফেরা শুরু করে এবং দীর্ঘদিন গা ঢাকা দিয়ে ছিল। তবে সম্প্রতি আবার এলাকায় ফিরে এসে তার এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি গরুর খামারের নামের আড়ালে ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা শুরু করেন, যেখানে নির্জন এলাকায় তার বাড়ি হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত কম থাকায় সুবিধা নিচ্ছিলেন।

গাজীপুরের সহকারী কমিশনার স্থানীয় সরকার ও ট্রেজারি শাখা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ফয়সাল বলেন, অভিযানের সময় জবাই করা ৮টি ঘোড়ার মাংস মাটিতে চাপা দেওয়া হয়। জীবিত ১১টি ঘোড়া উদ্ধার করে স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। একটি কাবারব্যান্ড ও পিকআপ ট্রাক পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ একেএম আতিকুর রহমান, ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ আবদুল্লাহ আল মামুন, দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ ওহাব খান খোকা এবং কাপাসিয়া থানার উপ-পরিদর্শক জিহাদুল হকসহ আরও কিছু পুলিশ কর্মী। সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকায় পরিস্থিতি মনিটরিং চলে। এই অভিযানটি অবৈধ ঘোড়া ব্যবসার সূত্র ধরে দুর্বৃত্তচক্রের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।